Posts

শুধু মাত্র একটি অ্যাপ ব্যাবহার করে মোবাইল স্কিনে থাকা যেকোনো লিখা কিভাবে কপি করবেন।

Image
Hello, TrickBD বাসীরা কেমন আছেন সবাই, আশা করি ভাল আছেন।
অবশ্যই টাইটেল দেখে বুঝে গেছেন আজকের পোষ্ট কি নিয়ে, তাই অযথা কথা না বাড়িয়ে চলে যাচ্ছি মূল টপিকেতো আজকের বিষয়টি হলো,
আপনি আপনার মোবাইলের স্কিনের যেকোনো স্থানের লেখা কিভাবে কপি করতে পারবেন।
এখন কার সময়ে আপনি একই সময়ে সমস্ত ধরনের লেখা বা তথ্য কপি করতে চান।আমাদের স্কিনে থাকা অনেক ধরনের লেখা থাকে আমরা সাধারণত সে লেখা কপি করতে চাই।কিন্তু স্কিনের সব লেখা কপি করা যায় না, এজন্য আমি আপনাদের এই অ্যাপটা নিয়ে এসেছি।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।অ্যাপটির নাম:-Universal Copy
অ্যাপটির লোগো:-
যেকোনো অ্যাপ থেকে টেক্সট কপি করুন: ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ইনস্টগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, …কখনও কখনও আপনি একটি অ্যাপ্লিকেশন বা ইমেজ থেকে টেক্সট অনুলিপি করতে চান এবং আপনি ব্যার্থ হয়ে যান।
ইউনিভার্সাল কপি দূরে করে দেয় সে সব ব্যার্থতা।
ইউনিভার্সাল কপি আপনি দীর্ঘ ট্যাপ অ্যাকশন ব্যবহার করার প্রয়োজন ছাড়া টেক্সট কপি করতে পারবেন।অ্যাপটির সাইজ:-২.৫ এমবি।
অ্যাপটির প্লে স্টোর লিংক:-Download here
নিচে SS অনুযায়ী অ্যাপটি ওপেন করুন।১মে অ্যাপটি ওপেন করুন

নিচে SS এর মধ্যে মার্ক করা…

ফ্রিল্যান্সিং করে যে কাজে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন

Image
যাঁরা প্রচলিত অফিস বাদ দিয়ে ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে সবচেয়ে বেশি আয় করতে চান, তাঁদের জন্য ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্ষেত্রের দক্ষতা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে। সম্প্রতি এ দুটি খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বাড়তে দেখা গেছে। ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রের জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ফ্রিল্যান্সার ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, কর্মী নিয়োগদাতাদের কাছে ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট জানা কর্মীর চাহিদা জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। সম্প্রতি ‘ফাস্ট ৫০’ নামে দক্ষতাবিষয়ক প্রান্তিক সূচক প্রকাশ করেছে ফ্রিল্যান্সার ডটকম। ওই তালিকায় সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতার মধ্যে স্থান পেয়েছে ডেটা অ্যানালিটিক্স, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, মাইক্রোসফট অফিস, কপি টাইপিং, ট্রান্সক্রিপশন, রাশিয়ান ট্রান্সলেশন, বুককিপিং, ই-মেইল হ্যান্ডেলিং ও কাস্টমার সাপোর্ট। যাঁদের এ ধরনের কাজে দক্ষতা আছে, তাঁরা চাইলে ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে ভালো করতে পারেন।
ফ্রিল্যান্সার ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, গত প্রান্তিকে ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্ষেত্রের চাহিদা বেড়েছে ৫৮.৯ ও …

পানিপথ যুদ্ধ - মারাঠি বীরত্ব না ইতিহাসের বিকৃতি?

Image
আশুতোষ গায়কোয়াড় ''পানিপথ'' নামে একটি চলচ্চিত্র মুক্তি দিতে যাচ্ছে, যা পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে নির্মিত। ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দের ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তির দিন এ যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়। যুদ্ধে প্রধান বিবাদমান পক্ষ হলো দুররানী সাম্রাজ্যের আহমদ শাহ আবদালী বনাম মারাঠা কনফেডারেটের সদাশিব রাও বাহু।
আশুতোষ গায়কোয়াড়রের একটি প্রধান সমস্যা হল সে প্রায়ই ইতিহাস বিকৃতিতে লিপ্ত হয়। যদিও এর কোনো প্রয়োজন নেই। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের পর্যাপ্ত দলিল-দস্তাবেজ ইতিহাসবিদদের হাতে আছে। এক্ষেত্রে অত্যাবশ্যকীয় ও প্রণিধানযোগ্য হলো স্যার যদুনাথ সরকার এর "ফল অফ মুঘল এম্পায়ার", লক্ষ্নৌর নবাব সুজাউদ্দৌলার দরবারী কাশীরাজ পন্ডিতের নিজ হাতে লিখিত দলিল দস্তাবেজ, যা এশিয়াটিক সোসাইটি, কলকাতায় কয়েক ভলিয়মে সংরক্ষিত আছে। এই পন্ডিত কাশীরাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে। তিনি এ যুদ্ধ থামাবার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন। ডাফের "হিস্ট্রি অফ মারাঠা ", এটিও একটি উল্লেখযোগ্য বই।
এছাড়া মারাঠা পক্ষেও পর্যাপ্ত দলিল-দস্তাবেজ আছে। সুতরাং আশুতোষ গায়কোয়াড়ের…

একজন আদর্শ শিক্ষাগুরুর গল্প

Image
এক বিয়ের অনুষ্ঠানে এক যুবক তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে দেখতে পেলেন। বহুদিন  পর ছোটবেলার শিক্ষককে দেখে যুবক তাঁর কাছে ছুটে গেলেন এবং বললেন, "স্যার, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন ?"
শিক্ষক বললেন, ''না, আমি খুব দুঃখিত, তোমাকে চিনতে পারছি না।"
যুবক তখন বললেন, "স্যার,আমি আপনার ছাত্র, আপনার মনে থাকার কথা, থ্রিতে পড়ার সময় আমাদের এক সহপাঠীর দামি একটি কলম চুরি হয়েছিল। সেই সহপাঠী কাঁদতে কাঁদতে আপনাকে নালিশ করল। আর আপনি সব ছাত্রকে চোখ বন্ধ করে দেয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়াতে বললেন। তারপর একজন একজন করে চেক করতে শুরু করলেন । আমি ভয়ে কাঁপতে লাগলাম। কারণ কলমটি ছিল আমার পকেটে।
আমি যে কলমটি চুরি করেছি তা আবিষ্কার হওয়ার পর আমি যে লজ্জার মুখোমুখি হব, আমার শিক্ষকরা আমার সম্পর্কে যে ধারণা পাবেন, স্কুলে সবাই আমাকে 'চোর' বলে ডাকবে এবং এটি জানার পর আমার মা-বাবার কী প্রতিক্রিয়া হবে- এই সমস্ত ভাবতে ভাবতে আমার মরে যেতে ইচ্ছে হল।
একসময় আমার পালা এল । আমি অনুভব করলাম আমার পকেট থেকে আপনি কলমটি বের করছেন। কিন্তু আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম আপনি কিছু বলছেন না এবং আপনি বাক…

হ্যারি পটার ফ্যামিলির ইতিহাস

Image
আচ্ছা! এতদিন এত এত ক্যারেক্টার সম্পর্কে জানার পর কখনো কি ইচ্ছা হয় নাই যে আসল বিষয় আসল মানুষটা হ্যারি পটার সম্পর্কে কিছু জানি! বা তার পরিবার সম্পর্কে কিংবা তার পূর্বপুরুষ সম্পর্কে! কিংবা হ্যারি! যার কাছে কিভাবে ইনভিজিবল ক্লোক টা এসেছিলো কোন একসময় যার মালিক ছিলো ইগনোটাস প্যাভারেল!   অবশ্যই জানতে ইচ্ছা করেছে কিন্তু প্রপার ইনফরমেশনের খোঁজে অনেক কিছুই জেনেও আমরা জানিনা, কিংবা জানতে চাইনাই তাই জানি নাই। তাহলে আজকে অনেকদিন পর আমরা জানবো পটার ফ্যামেলির হিস্ট্রি ।
তো সময়টা শুরু হয় বারো শতাব্দী থেকে যখন লিনফ্রেড নামক এক জাদুকর ব্যক্তি সিঞ্চকম্ব নামক গ্রামে বসবাস করতো এবং সে পোশন বিদ্যায় অনেক ভালো ছিলো। সে তার প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে গ্রামের ম্যাগল লোকদের সাহায্য করতো সে হার্বোলজি তেও অনেক বেশি পারদর্শী ছিলো যার ফলে সে তার বাসার বাহিরে তা চাষ করতো  এবং সেগুলো দিয়েই সে পোশন তৈরি করতো।
সে তার বাসার বাহিরে পটের মধ্যে ওই ঔষুধি গাছ গুলো লাগাতো এবং পরবর্তীতে সেগুলো ব্যবহার করেই মাগ্যল দের আরোগ্য লাভে সাহায্য করতো। যদিও মানুষ তাকে পাগল ভাবতো কারণ তার পোশন  বানানোর সময় বিভিন্ন রকম আওয়াজ আসতো, কিন্তু মানু…

জম্বি- দ্যা মিনি মন্সটার্স

Image
একফোঁটা স্পোর। মাত্র একফোঁটা। রক্তে কোনভাবে ঢুকতে পারলেই হলো। 
প্রথমে হয়তো খুব একটা টের পাবেন না। আপনার শরীরে আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে ওটা। ক্যান্সারের মতো। রক্তে রক্তে, শিরায় শিরায় জাল বিছানো শুরু করবে প্যারাসাইট। 
কিছুদিন পর খিচুনি শুরু হবে। অস্বাভাবিক খিচুনি। আবার একটু পরে ঠিক হয়ে যাবে। 
তারপর একদিন গভীর রাতে আপনার লকড ইন সিন্ড্রোমের মতো হবে। আপনার নড়াচড়া বন্ধ হবে। তখন বুঝবেন, আপনার ব্রেইনে ঢুকে গেছে ওটা। 
প্যারাসাইট কন্ট্রোল নিবে আপনার বডির। আপনি সব দেখবেন, শুনবেন, কিচ্ছু করতে পারবেন না। আপনার হাত নতুন মালিকের কথা শুনবে। আপনার পা নিজে থেকে হাঁটা শুরু করবে। 
গভীর রাতে সবাই যখন ঘুমে আচ্ছন্ন আপনি রওনা দিবেন জঙ্গলের দিকে। ওটা আপনাকে জঙ্গলে নিতে চায়। 
জঙ্গলে বিরাট কালো মোটা গাছটার কাছে এসে আপনি থামবেন। অথবা বলা যায়, আপনার শরীর থামবে। 
আশেপাশে পচা গলা বিশ্রী গন্ধ, আপনি ঘাড় ঘুরিয়ে দেখতে  চাইবেন। আপনার ঘাড় কথা শুনবে না। যে বধ্যভূমিতে আপনাকে নিয়ে আসা হয়েছে সেটা ঘুরিয়ে দেখানোর সময় এখন না। এখন সময় কাজের। 
ওটা আপনার সাথে কথা বলে না, হাত পায়ের সাথে বলে। আপনার হাত পা মোটা গাছটা আঁকড়ে ধরে উঠতে শ…

হায়দ্রাবাদের গোপন রহস্য

Image
১৮ই সেপ্টেম্বর হায়াদ্রাবাদের স্বাধীনতা হারানোর ৭১ বছর হয়েছে।
হায়াদ্রাবাদ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি স্বাধীন মুসলিম শাষিত রাস্ট্র ছিল। যার ছিল নিজস্ব মুদ্রা, রেল ব্যবস্থা, ডাক বিভাগ, এয়ারপোর্ট, নৌ যোগাযোগ ব্যাবস্থা, বিচার বিভাগ এবং নিজস্ব সেনাবাহিনী। আয়তন ছিল  বর্তমান  ফ্রান্সের আয়তনের প্রায় দ্বিগুণ। ১৯৪৭ সালে যখন ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান সৃষ্টি হয় তখন হায়াদ্রাবাদ নামক এই অঞ্চলটি ভারতীয় স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী কাশ্মীরের মতই ভারত বা পাকিস্তান কোনোটিতেই যোগ না দিয়ে স্বাধীন থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। দেশটি জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের জন্য আবেদনও জানিয়েছিল। তৎকালীন সময় হায়াদ্রাবাদের শাষক ছিলেন মীর ওসমান আলী খান।
কিন্তু নিজের পেটের ভেতরেই মুসলিম শাষিত একটি দেশ থাকবে, উগ্রবাদী ভারত সেটা কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারেনি। ফলে স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই হায়দ্রাবাদে হামলা চালানোর জন্য উপযুক্ত সুজোগ খুজতে থাকে ভারত।
অবশেষে ১৯৪৮ সালে সে সুজোগ আসে ভারতের হাতে।  আক্রমনের অজুহাত তৈরি করতে ভারতের মদদে হায়াদ্রাবাদে তখন হিন্দু-মুসলিমদের মাঝে কলহ বাধিয়ে দেয়া হয়। এই সুজোগে হিন্দুদের উপর অত্যাচার চালানোর অজুহাত দেখিয়ে…