Home Blog Page 4

Oppo Reno 3 Pro স্মার্টফোনের বাংলা রিভিউ

0
Oppo Reno 3 Pro এই ফোনটা বাংলাদেশের বাজারে অফিশিয়ালি রিলিজ হয়েছে বেশ কয়েকদিন আগেই, এবং এটা একটা ভেরিয়েন্ট পাবেন সেটি হচ্ছে ৮-২৫৬ আর প্রাইস ৩৯ হাজার ৯৯০ টাকা বা প্রায় 40,000 টাকা!
সব প্রাইস বিবেচনা করলে ওপো রেনো থ্রি প্রো বাংলাদেশের মার্কেটে একটি হায়ার মিড রেঞ্জ ক্যাটাগরির ফোন! আমি রিলিজের পর থেকেই এই ফোনটি কে ইউজ করছি আমার ডেইলি ড্রাইভার হিসেবে।
অ্যান্ড নট অনলি রেনো থ্রি প্রো এর আগেও রেনো সিরিজের বেশ কয়েকটা স্মার্ট ফোন আমি ইউজ করেছি এন টু বি অনেস্ট রেনো সিরিজের ব্যাপারে আমি অলওয়েজ শুরু থেকেই যেটা দেখছি। ডিজাইন বা ইনোভেশন সেগমেন্টে এই সিরিজটা বরাবরই বেশ এগিয়ে।
আজকের পোস্টে আমরা দেখব বা জানবো অপো রেনো 3 প্র একটা হায়ার মিড রেঞ্জ ক্যাটাগরিরর ফোন হিসেবে এই ফোনটার ডিজাইন ডিসপ্লে পারফরম্যান্স ক্যামেরা ব্যাটারি এই সেগমেন্টে আমাকে সন্তুষ্ট করতে পারে কিনা,
এন্ড সবথেকে বড় ব্যাপার ৪০ হাজার টাকায় এই ফোনটা জাস্টিফায়েড কিনা।
সো হ্যালো ভিউয়ার্স আমি রাতুল আপনারা দেখছেন ট্রিকবিডি আশা করছি আজকের পোস্টটি শেষ পর্যন্ত দেখবেন।

 

তো শুরুতে ডিজাইন যেমনটা বললাম রেনো সিরিজের ডিজাইনটাই হচ্ছে এই সিরিজের বড় একটা অংশ বাট এই ফোনের ক্ষেত্রে আমার কাছে মনে হয় যে অপো একটা চেনা জানা কোন একটা ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ইম্প্লেমেন্ট করেছে। এটলিস্ট আপনি যদি রেনো সিরিজের বাকি ফোন গুলোর সাথে এই ফোনটা কি একটু side-by-side দেখেন, তাহলে আমার পার্সোনালি মনে হয় এই ফোনটিতে আপনার একটু সাদামাটাই মনে হবে।
তবে মোটেই ব্যাড লুকিং কোন ডিভাইস নয়।
আউটলুকে এই স্মার্টফোন আমার কাছে ট্রুলি বিউটিফুল লেগেছে এন্ড এর ব্যাক সাইট থেকে কার বেছ হওয়ার কারণে
হাতেও আমার কাছে বেশ কম্পিটেবল লেগেছে। তবে ফোনটা আগাগোড়া কমপ্লিট প্লাস্টিক বিল্ট, যার কারণে এটা দেখতে যতই সুন্দর হোক না কেন। এটলিস্ট এত টাকা প্রাইজের ফোনে আমার কাছেই বিষয়টি হজম হলো না। কিন্তু আপনি অবশ্যই অবশ্যই ফোনটা হাতে নিয়ে প্রিমিয়াম ফিল পাবেন।
আর ফোনটার ওজন খুব একটা বেশি নয় তবে আমার মনে হয় গ্লাস ব্যাক মেটাল ফেম যদি হতো তাহলে মানা যেত।
তো বকিছুর বাইরে ফোনের বাটন প্লেসমেন্ট ঠিকঠাকই ছিল, স্পোর্ট এর মধ্যেও ইউএসবি type-c থাকছে, ৩.৫ এম এম অডিও জ্যাক থাকছে, এবং সেই সাথে থাকছে ডুয়েল সিম কার্ড এর পাশাপাশি ডেডিকেটেড এইচডি কার্ড এর সুবিধা।
আরেকটা ব্যাপার ছিল যে ফোনের ক্যামেরা বামটা খানিকটা বড় যার কারণে ডেইলি লাইফ ইউজ করতে কিছুটা প্রবলেম হতে পারে।
তবে এটা খুব একটা বড় সমস্যা না।

 

এবার চলে আসি ফ্রন্টে!
ভালো লেগেছে এর ৬.৪ ইন্স সুপার এমোলেড ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে উইথ কর্নিং গরিল্লা গ্লাস ৫ পাঞ্চ হল লুক টা নিয়ে আমার কোন কমপ্লেন নেই এটা একটা কুল ডিজাইন।
ডিসপ্লের কোয়ালিটি আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে, সার্ফ কালারফুল ভাইব্রান্ট আই থিং সানলাইট এর এগেনস্টে ও এনাফ ব্রাইট!
কনটেন্ট ওয়াচিং এর এক্সপেরিয়েন্স ও মারাত্মক জাস্ট অসাধারণ বলবো। স্পেশালি এর ব্ল্যাক লেবেল খুবই ডিপ হওয়ার কারণে দেখতে সত্যিই আমেজিং লেগেছে বাট এটা রেগুলার 60hz প্যানেল।
ডিসপ্লেটা যেহেতু সুপার এমোলেড তাই এখানে থাকছে ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার যেটা খুবই ফাস্ট এন্ড রেস্পন্সিভ কাজ করেছে আনলকিং এ,
এন্ড এর বাইরে এই স্মার্টফোনে ফেস আনলক এর মত ফিচার ও পেয়ে যাচ্ছেন যেটা বেশ দুর্দান্ত ফাস্ট।

 

তো এবার কথা বলছি এই ফোনের ক্যামেরা নিয়ে বিকজ এই ফোনের হাইলাইট ফিচার হচ্ছে এটি।
সবার আগে ফ্রন্ট ক্যামেরা নিয়ে কথা বলি এখানে পাঞ্চ হল এ থাকছে ডুয়েল সেলফি ক্যামেরা এখানে প্রাইমারি সেলফি ক্যামেরা হচ্ছে ৪৪ মেগাপিক্সেলের এন্ড সাথে থাকছে ২ মেগাপিক্সেল ডেপ সেন্সর।
ডেফিনেটলি এখানে একটা আল্ট্রা ওয়াইড লেন্স থাকলে ব্যাপারটা জমে ক্ষীর হয়ে যেত। আমরা এর আগে ওপোর বেশ কয়েকটি স্মার্টফোনে ফ্রন্টে আল্ট্রা ওয়াইড লেন্স দেখেছি।
তবে আর যাই হোক সেলফি রেজাল্ট নিচে দেয়া হলো আপনারা হয়তো অলরেডি দেখে ফেলেছেন, সত্যি বলতে আসলেই অসাধারণ।
রেয়ারে থাকছে কোয়াট ক্যামেরা সেটআপ ৬৪ মেগাপিক্সেলের F1.8 মেইন শুটার ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা ওয়াইড ১৩ মেগা পিক্সেলের টেলিফটো লেন্স এন্ড ২ মেগা পিক্সেলের মনো লেন্স।
রিয়েল লাইফ এক্সপেরিয়েন্স এ এই ফোনের মেইন ক্যামেরা ডেলাইটে খুবই ভালো এক্সপেরিয়েন্স দিয়েছে।

 

তো শুধু এটুকুই বলবো সব মিলিয়ে ডেলাইট লাইট লো লাইট সব সিচুয়েশনের জন্যই পার্ফেক্ট ক্যামেরা সেটআপ পাবেন এই ফোনে।
তো আই থিঙ্ক ক্যামেরা লাভারদের জন্য এই ফোনটা আমি সাজেস্ট করতে পারি।
কিন্তু ক্যামেরায় তো সব কিছু নাই পারফরম্যান্স এরও একটা ব্যাপার স্যাপার আছে।

 

তো চলুন এবার পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলি।
পারফরম্যান্স সেক্টর এখানে থাকছে MediaTek helio p95 চিপ যেখানে থাকতে দুটি cortex A75 ২.২ গিগাহার্জ এর কোর এন্ড ছয়টা cortex A55 ২ গিগাহার্জ কোর জিপিইউ থাকছে PowerVR GM9446
৮ জিবি lpddr4x র্যাম এন্ড ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজঃ
তো রিয়েল লাইফ পারফরমেন্সে একেবারে আমার এক্সপেরিয়েন্স টাই বলি।
টু বি অনেস্ট আমার এক্সপেরিয়েন্স এ oppo Reno 3 Pro পাস মার্ক পাবে বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম মানুষই পারফরম্যান্স বলতে যেটা বুঝেন বা ৪০ হাজার টাকা প্রাইজের স্মার্টফোনে তারা যে পারফরম্যান্স একটা ফোন থেকে এক্সপেক্ট করেন সেই পয়েন্ট থেকে এই ফোনটি পারফেক্ট না।
আই মিন এখানে বাটারি স্মুথ হাই গ্রাফিক্স গেম এক্সপেরিয়েন্স বা প্রচুর পরিমাণে মাল্টিটাস্কিং লাইক এ ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস হয়ত পাবেন না।
তবে জেনারেল ইউজের পারফরম্যান্স ডে টু ডে টাস্ক গেমিং স্টেবিলিটি ক্যামেরা ইউজ করা বা ভিডিও করা বা দেখা অর্থাৎ জিপিইউ এর পার্ট রয়েছে সেখানে একটা হায়ার মিড রেঞ্জ ডিভাইস হিসেবে বেশ ভালই রেজাল্ট পাবেন।
তো আপনি হয়তো এর অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ৮ জিবি র্যাম থাকার কারণে গেমিং গেমিং নিয়ে অনেক কথা শুনবেন বাট আমার মতে যারা স্পেশালি গেমিং টার্গেট অডিয়েন্স তাদের জন্য মোটেই স্মার্টফোন নয়।
এটা হচ্ছে তাদের জন্য যারা একটু হায়ার প্রাইস এ একটা ব্যালেন্স লংটাইম ইউজের জন্য স্মার্টফোন খুঁজছেন তাদের জন্যই বেস্ট।

 

সফটওয়্যার নিয়ে বলবো।
ওপোর কালার ওএস ৭ অন top-up অ্যান্ড্রয়েড ১০ এ আমার কাছে খারাপ এক্সপেরিয়েন্স দেয়নি।

 

ব্যাটারি সেগমেন্টে ৪০২৫ মিলি এম্পিয়ার এর একটি ব্যাটারি উইথ ফ্লাশ চার্জ ৪৩১ সবমিলিয়ে ডে লং ব্যাটারি পাবেন এখানে চার্জিং স্পিডো ছিল স্যাটিস্ফাইড হওয়ার মত।
আমার হেবি ইউজে ৬ থেকে ৭ ঘন্টা স্কিন অন টাইম পেয়েছি যেটা একটা হায়ার mid-range ডিভাইস হিসাবে সত্যিই ভালো।
আমার মতে ৪,০০০০ টাকা প্রাইস এ এই ফোনটি যা যা অফার করছে সেই অনুযায়ী একটি হায়ার মিড রেঞ্জ স্মার্টফোন হিসেবে এটা একটু ওভার প্রাইস।
ওয়েট আই হ্যাভ মাই লজিক প্রথমত রেনো সিরিজের যে ইউনিক স্টাইলিশ লুক আমি পার্সোনালি বলব সেই ইউনিক স্টাইলিশ লুক এখানে মিসিং রয়েছে। এটা আরও extra-ordinary করা যেত।
ইভেন পারফরম্যান্স সেক্টরেও এটা সব ধরনের মানুষকে স্যাটিস্ফাইড করতে পারবে না এখানে পারফরম্যান্স আরেকটু বেটার করতে পারতো। স্টিল MediaTek helio p95 কোনভাবেই একটি খারাপ চিপসেট নয়।
সবমিলিয়ে বলবো একটি হায়ার মিড রেঞ্জ স্মার্টফোন হিসেবে যতগুলো বক্সে টিক দিয়া লাগে সবগুলোতেই টিক দিবে, বাট প্রাইস টা কিছুটা কম হলে আই থিঙ্ক এটা সবার জন্য রিকুমেন্ট করার মত ডিভাইস ছিল তো এই ছিল ওপিনিয়ন।
পোস্ট টি স্পন্সর করেছে একটি ছোট ইউটিউবার তো এই লিংকে ক্লিক করে সবাইকেই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
যেকোনো ডলার কেনাবেচা করুন খুব সহজে এই লিংকে ক্লিক করে!
পোস্টটি ভাল লাগলে লাইক করুন কমেন্টে জানিয়ে দিন আপনার ওপিনিয়ন এবং পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দেন। আবারো দেখা হবে নতুন কোন স্মার্টফোনের সাথে ততক্ষণ পর্যন্ত ভাল থাকুন আল্লাহ হাফেজ।
লেখকঃ রাতুল আহমেদ
© TrickBuzz.Net 2015-2020

সহজেই ফেসবুকে 3D তে কনভার্ট করে ফটো পোস্ট করুন!

0
আজকাল দেখা যায় অনেকেই ফেসবুকে 3D ইমেজ পোস্ট করে যেটা দেখতে আসলেই অনেক কুল লাগে। 3D ফটোর মজাটা হলো এটা ফোনের নড়াচড়া কিংবা পেজ স্ক্রোল করার সাথে সাথে নড়াচড়া করে, ফলে ইমেজ অনেক কুল দেখায়। আগে ফেসবুক এই ফিচার না থাকার কারণে অনেকেই কিছু থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট থেকে ফটো 3D কনভার্ট করে পোস্ট করতো।  কিন্তু বর্তমানে ফেসবুকেই এই ফিচার চলে এসেছে। ফেসবুক এ এই ফিচার আসলেও যদিও সব ফোনে এই ফিচার সাপোর্ট না করায় সবার জন্য এটা ভিসেবল হয় না। তো বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে আপনিও সহজেই কোনো ইমেজ 3D করে ফেসবুকে পোস্ট করবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাকঃ
এই কাজের জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ফেসবুক অ্যাপের আপডেট ভার্সন। তো আপনার ফোনে যদি ফেসবুক অ্যাপ এঁর আপডেট ভার্সন না থাকে তাহলে প্লেস্টোর থেকে আপডেট করে নিন। আপনাদেরকে নিশ্চই বলতে হবে না যে ফেসবুক কোথা থেকে নতুন পোস্ট করতে হয়। তো ফেসবুক অ্যাপ ওপেন করেই নিউ পোস্ট পেজে চলে যান।
আপনার ফোন যদি এই ফিচার সাপোর্ট করে তাহলে পোস্ট ফরমের নিচের দিকে যেসব অপশন আছে সেখানেই 3D ফটো পোস্ট করার অপশন পাবেন। সো নিচের দিকে স্ক্রোল করুন, দেখুন সেখানে 3D Photo নামে একটা অপশন আছে কি না। যদি থাকে তাহলে সেখানে ক্লিক করুন।
সেখানে ক্লিক করার পর আপনার ফোনের গ্যালারী ওপেন হবে। গ্যালারী থেকে আপনি যে ইমেজটি 3D তে কনভার্ট করতে চান সেটা সিলেক্ট করুন। সিলেক্ট করা মাত্রই অটোমেটিক আপনার সিলেক্ট করা ইমেজ 3D তে কনভার্ট হতে শুরু করবে। কনভার্ট হতে কিছুক্ষণ সময় লাগবে। যতক্ষন ফুল কনভার্ট না হয়ে যায় ততক্ষণ অপেক্ষা করুন।
কনভার্ট হয়ে গেলে আপনাকে আবারো নিউ পোস্ট পেজে নিয়ে আসা হবে। তো আর কি পোস্ট করে আপনার ফ্রেন্ডদের অবাক করে দিন।
তো বন্ধুরা এই ছিল আজকের আর্টিকেল আগামীতে আবার দেখা হবে নুতুন কোনো আর্টিকেলে। আর আপনি যদি আমাদের পোস্টগুলো সরাসরি ফেসবুকে আপডেট পেতে আমার ফেসবুক পেজটি লাইক করে দিন। এরকম আরো আর্টিকেল পেতে আমাদের সাইটের সাথেই থাকুন, পারলে  এই সাইটটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন, ধন্যবাদ।
লেখকঃ শাখাওয়াত
© TrickBuzz.Net 2015-2020

সেরা ১০ হরর মুভি ডাউনলোড লিংকসহ [২০২০ আপডেটেড]

0
আজ কিছু হরর মুভি নিয়ে কথা বলবো। আসলে আজকের লিস্টের মুভিগুলো ব্যক্তিগতভাবে আমার পছন্দের মুভি। তাই কোনো ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
১০. 🛡In the tall grass🛡 (2019) (Imdb:5.4)
দুই ভাই বোন মিলে বেরাতে গিয়েছিলো কোনো এক জায়গায়। হঠাৎ তারা জঙ্গলের ভিতর থেকে বাচ্চার কান্নার শব্দ শুনতে পেলো।কেউ বিপদে পরেছে ভেবে এগিয়ে গেলে তারাও একই বিপদে পরে। তাদেরকে যে বাচাতে আসছে তারাই বিপদে পরছে। আসলে কি সেই বিপদ আর তারা কি সেটা সামলে উঠতে পারবে। জানতে হলর এখনই দেখে ফেলুন মুভিটি।
৯.🛡Triangle🛡 (2009) (Imdb:6.9)
দুর্দান্ত এক সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার মুভি বলা যায় এটিকে। মুভিটা দেখার পর অনেকের মাথার উপর দিয়ে যাবে এটি। খুব ব্রেন খাটাতে হবে মুভিটি বুঝার জন্য।আমি নিজেও ৩ বার দেখেছি শুধু কাহিনী বুঝিনি বলে। কাহিনী সংক্ষেপে বলতে গেলে স্পয়লার হযে যাবে তাই বললাম না।
৮.🛡Don’t Breath🛡 (2016) (Imdb:7.1)
বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে এক অন্ধ লোকের বাসায় চুরি করতে ঢুকলো এক তরুণী। কিন্ত বাসার ভিতর ঢুকার পর এক কঠিন বস্তবতার সম্মুখীন তারা। নিজেদের প্রান সংশয়ে পড়লো সবাই। আসলেই কি ওই লোকটি অন্ধ নাকি কোনো রহস্য আছে এর ভিতর। দম বন্ধ করার মতো মুহূর্ত বার বার উপহার দিবে বলেই হয়তো মুভিটির নাম রাখা হয়েছে (Don’t Breath)।
৭.🛡 It 🛡 (2017) (Imdb:7.3) 
ব্যক্তিগতভাবে এই মুভি টা আমার অনেক পছন্দের 💕একটা মুভি। এই মুভি দিয়েই আমি হরর মুভি দেখা শুরু করেছিলাম।আসলে গল্পটা বাচ্চাদের নিয়ে কিন্তু ভয় আর আতংকের মিশ্রনে বয়স্ক যে কাউকেই ভিড়মি খাওয়াতে পারে নির্দ্বিধায়। মুভিটির ব্যপক সফলতা দেখে এর দ্বিতীয় পর্ব মুক্তি পেয়েছিলো ২০১৯ সালে।
৬.🛡The Conjuring🛡 (2013) (Imdb:7.5)
বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সমাদৃত হরর মুভির নাম (The Conjuring) অনেকেই হয়তো জানেন না যে এই সিরিজটা একটা সত্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হযেছে। গোস্ট হান্টারের কাজ করা (Ed warren)  ও তার স্ত্রী (Lorren warren) অনেকগুলো ভৌতিক রহস্যের মিমাংসা করেছিলেন। সেইসব সত্যিকারের গল্পই উঠে এসেছে এি সিরিজটিতে। একটা অনুরোধ ভুলেও এই মুভিটি েকা দাখতে বসবেন না,, ভয় কি জিনিস, কত প্রকার ও কি কি উদাহরণস্বরূপ বুঝিয়ে দিবে এই সিরিজের মুভিগুলি।
৫.🛡A Quiet Place🛡 (2018) (Imdb:7.5)
জনমানবহীন একটা জায়গায় অদ্ভুত সব মন্সটার এর হাত থেকে বেচে থাকতে সংগ্রাম চালাচ্ছে একটি পরিবারের ৪ জন মানুষ। এখানে শব্দ করলেই নিশ্চিত মৃত্যু। মানুষগুলো বাচতে পারবে তো শেষমেশ। এমনই একটা গল্প নিয়ে তৈরী হয়েছে মুভিটা। মুভিটা দেখতে বসলে শেষ না করা পর্যন্ত উঠতে পারবেন না।
৪.🛡Train to Busan🛡 (2016) (Imdb:7.5)
এই মুভি নিয়ে যত বলবো ততই কম হবে। মুভিটা দেখেননি এমন মানুষ কম পাওয়া যাবে। ভয়ানক জম্বি দের দেখে যতটা না ভয় লাগে তার থেকেও ভয় লাগে। কাছের কাুকে হারানোর ভয়। যারা এখনও মুভিটা দেখেননি এখনই দেখে ফেলুন। বিশ্বাস রাখুন একটি সেকেন্ড সময়ও লস হবে না আপনার।
৩.🛡Get Out🛡 (2017) (Imdb:7.7)
প্রেমিকার বাড়িতে বেড়াতে গেলো এক যুবক।কিন্তু বাড়িতে ঢুকার পরই শুরু হলো গা ছমছমে অস্বস্তি। কিছু একটা ঝামেলা আছে, ভয়ংকর কিছু একটা অপেক্ষা করছে তার জন্য।কিন্তু কি সেটা। এমনই একটা গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে মুভিটি।
২.🛡Tumbbad🛡 (2018) (Imdb:8.3)
এটা একটা বলিউডের মুভি যারা বলিউডের মুভি বলতে শুধু আইটেম সং আর টািগার শ্রফের উল্টাপাল্টা মারামরি বুঝেন তাদের জন্য মাস্ট ওয়াচ মুভি এইটা। ভৌতিক আবহের সাথে এখানে মিশে আছে লোকগাথা, হিন্দু মিথলজি। ক্যমেরার কাজ,অভিনয় আর ব্যকগ্রাউন্ড মিউজিকে আপনার হাড় হিম করা অবস্থা হতে পারে। মুভিটির শ্যুট যেখানে করা হয়েছে সেখানে গত ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে কোনো মানুষ যায়নি, একবার ভাবুন অবস্থা।
১.🛡Dabbe🛡 এই মুভি সিরিজটিকে ধরা হয় মুভি দুনিয়ার হরর জনরার সবচেয়ে ভয়াবহ সিরিজ হিসেবে। এই সিরিজ টিতে এখন পর্যন্ত ৬ টি পর্ব আছে। তুরস্কের এই সিরিজটা এগিয়েছে (পবিত্র কুরআন) এ বর্নিত দাব্বাতুল আরদ নামে প্রানিটিকে নিয়ে।ধরা হয় এই প্রানিটি খারাপ জ্বিনদের নিয়ন্ত্রিত করে।ক্যমেরার কাজ আর শব্দ গ্রহনের মুন্সিয়ানায় মিনিটে মিনিটে শিউরে উঠতে হবে আপনাকে। (Dabbe) এযাবৎকালের সবচেয়ে ভয়ংকর সিরিজ এটা অকপটে বলে দেওয়া যায়।
এছাড়াও The Nun, Drag me to hall, Birdbox এবং The Rings দেখতে পারেন।
আপনার দেখা সেরা Horror মুভি গুলো কমেন্ট করে  বলবেন। আমার দেখা না থাকলে দেখে নিবো। 
বিঃদ্রঃ এই তালিকার কোনো মুভি ইউটিউবে নেই। যে কোনো ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন। 
ধন্যবাদ 💕💕💕
লেখকঃ  কাউসার আহমেদ
© TrickBuzz.Net 2015-2020

ব্লগার সাইটে পোস্ট এর শেষে অথর প্রোফাইল দেখাচ্ছে না? ফিক্স করুন

0
blogger profile

পার্সোনাল ব্লগিং এর জন্য অনেকেই প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্লগার বেঁচে নেয়। পার্সোনাল ব্লগ সাইট এর জন্য এটা আসলেই অনেক ভালো। তো অনেক ব্লগার সাইটের ক্ষেত্রে দেখা যায় ব্লগ পোস্টের নিচে অথোর প্রোফাইল দেখা যায় না। এমনকি কিছুদিন আগে আমার সাইটে ও এই সমস্যা ছিল। তো আমি অনেক ঘাটাঘাটি করার পর এই প্রবলেম টা ফিক্স করেছি। তাই ভবলাম আমি যেহেতু ফিক্স করেছি তো আপনারা কেনো ফিক্স করবেন না! তো আমি যে মেথড ব্যবহার করে এই প্রবলেম ফিক্স করেছি সেই পদ্ধতি নিয়ে এই পোস্ট এ আলোচনা করবো। তো চলুন শুরু করা যাক।
 
আরো পড়ুন:  ফেসবুক এ 3D ইমেজ পোস্ট করুন ফেসবুক অ্যাপ থেকেই
 
এই সমস্যাটি দুটি কারণে হতে পারে। তো এই প্রবলেম ফিক্স করতে হলে আপনাকে দুটি সমস্যাই সমাধান করতে হবে।
সাইট লেআউট সেটিংস সমস্যা
প্রোফাইল সেটিংস সমস্যা
 
সাইট লেআউট সেটিংস সমস্যা সমাধান
সাইট লেআউট সেটিংস এর সমস্যা অনেক কম সাইটের হয়ে থাকে। তো এই সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথমে ব্লগার প্যানেল থেকে লেআউট এ প্রবেশ করুন।
blogger profile

এবার লেআউট পেজে মেইন ব্লগ উইজেট এর এডিট আইকন এ ক্লিক করে উইজেট এডিট উইন্ডোতে প্রবেশ করুন।
blogger profile

এবার দেখুন উইজেট সেটিংস অপশন গুলোর মধ্যে ‘Show Author Profile Below Post’ নামে একটি অপশন আছে। এই অপশন এর পাশে থাকা চেকবক্স টি চেক করা না থাকলে চেক করে দিয়ে সেভ করে দিন।
blogger profile

প্রোফাইল সেটিংস সমস্যা সমাধান
বেশিরভাগ সাইটের ক্ষেত্রে প্রোফাইল সেটিংস সমস্যার কারণেই অথর প্রোফাইল দেখা যায় না। অথর প্রোফাইল সেটিংস ঠিক করার জন্য প্রথমে ব্লগার প্যানেল থেকে সেটিংস এ প্রবেশ করুন।
blogger profile

সেটিংস এ প্রবেশ করার পর সেটিংস পেজের নিচের দিকে স্ক্রল করে সেখান থেকে ইউজার প্রোফাইল সেটিংস এ প্রবেশ করুন।
blogger profile

এবার ইউজার প্রোফাইল সেটিংস পেজের উপরের দিকে থাকা অপশন এর পাশে থাকা চেকবক্স টি চেক করা না থাকলে চেক করে দিন।
blogger profile

এবার নিচের দিকে স্ক্রল করে ‘Introduction’ অপশন এর পাশে থাকা বক্সে আপনার বায়ো ডাটা লিখুন। এখানে যা কিছু লিখবেন তাই আপনার প্রোফাইলে ডিস্ক্রীপশন হিসেবে দেখানো হবে।
blogger profile

এবার সব শেষে প্রোফাইল সেটিংস সেভ করে দিন। তাহলেই আপনার কাজ শেষ।
blogger profile

এবার আপনার সাইটে আপনার লেখা পোস্ট এর ভিতরে গিয়ে দেখুন পোস্ট এর শেষে আপনার প্রোফাইল দেখাচ্ছে।
তো এই ছিলো আজকের আর্টিকেল। আশা করি এই আর্টিকেল কখনো আপনার কাজে আসবে। আর্টিকেল কেমন লাগলো সেটা কমেন্ট করে জানাবেন। এরকম টেকনোলজি বিষয়ে টিপস পেতে আমাদের সাইট  TrickJal.Xyz রেগুলার ভিজিট করুন, ধন্যবাদ।
লেখকঃ Sakhawat
© TrickBuzz.Net 2015-2020

ফেসবুক প্রোফাইলের স্কিনসর্ট দিয়ে টি-শার্ট ডিজাইন করুন

0
আসসালামু আলাইকুম।
সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই ভালো আছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক প্রোফাইলের স্কিনসট দিয়ে টি-শার্ট ডিজাইনের পোস্ট অনেকই দেখে থাকবেন।
Fb tshirt cover photo

তো আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের স্কিনসট দিয়ে এরকম একটি টি-শার্ট কিভাবে ডিজাইন করবেন চলুন শিখে নেওয়া যাক..
১। সর্বপ্রথম Google থেকে সাদা একটি টি-শার্ট ডাউনলোড করে নিন। google গিয়ে black white t-shirt with hanger লিখলে অসংখ্য T-shirt পেয়ে যাবেন পছন্দ মত একটি ডাউনলোড করে নিন..
চাইলে আমার ব্যবহার করা টি-শার্টি ডাউনলোড করতে পারেন
 
২। Play store থেকে Picsart অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন।
Picsart photo edit for facebook

৩। picsart অ্যাপটি অপেন করে আপনার Google থেকে ডাউনলোড করা সাদা টি-শার্টের পিকটা সিলেক্ট করুন।
facebook cover photo size 2020

৪। Add photo তে ক্লিক করে আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের স্কিনসট টি-শার্টির উপরে নিয়ে এসে ভালো ভাবে বসিয়ে দিন।
photo de profil noire facebook

৫। তারপর নিচের অপশন থেকে blend সিলেক্ট করে multiply সিলেক্ট করুন।
facebook messenger downloading photo

৬। ব্যাস কাজ শেষ এখন ইডিট করা পিকটা আপনার Gellary তে save করে নেন।
facebook cover photo ideas

কষ্ট করে পুরোটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।
 
লেখকঃ The Miz
© TrickBuzz.Net 2015-2020

বিশ্বসেরা পাঁচ ব্লগসাইট: কাজে লাগবে আপনারও!

0
Top 5 blog site

টেকনোরাটির নাম শুনেছো?
এটি হচ্ছে একটি ব্লগ সার্চ ইঞ্জিন। ২০১৭ সালের জুন মাসে এই ব্লগ সার্চ ইঞ্জিন প্রায় বাইশ মিলিয়নের মতো ব্লগ খুঁজে বের করেছে!
তো টেকনোরাটির উপর বিশ্বাস রেখে আমরা বলতে পারি, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা করে মাথা খাটিয়ে ব্লগ তৈরি করেন, এমন লোকের সংখ্যা আমাদের ধারণার বাইরে।
এই যে ব্লগের এতো ছড়াছড়ি, আসলে ব্লগের আক্ষরিক অর্থটা কি?” 
“ব্লগ, ব্লগার, ব্লগসাইট” কী: 
 ১৯৯৭ সালে ব্লগ শব্দটি প্রথম আসে ওয়েবব্লগ শব্দটির লেজ ধরে। আর ওয়েবব্লগ শব্দটির জন্মদাতা হলেন জন বার্গার। ১৯৯৯ সালে পিটার মেরহোলজ নামের এক ব্লগার স্রেফ রসিকতা করে তাঁর ওয়েবসাইট  পিটার্ম ডট কমে ব্লগ শব্দটি ব্যবহার করেন। সেই থেকে ব্লগ শব্দটি দুনিয়া দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
ব্লগ সাইট হচ্ছে  প্রতিনিয়ত আপডেটেড একটি ওয়েবসাইট অথবা ওয়েবপেইজ যেখানে বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে ইনফরমেটিভ অথবা কনভারসেশনাল স্টাইলে কোনো কন্টেন্ট আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। অধিকাংশ ব্লগই টেক্সট-বেসড বা লেখার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এইসব সাইটে যারা লেখালেখি করেন তাদের বলা হয়ে থাকে ব্লগার। জাস্টিন হল হচ্ছেন দুনিয়ার সবচেয়ে পুরনো ব্লগার। কলেজে পড়ার সময় ১৯৯৪ সালে থেকেই তিনি অনলাইনে লেখালেখি শুরু করেন।  
লেখালেখির ব্লগ ছাড়াও রয়েছে ফটো ব্লগ, আর্ট ব্লগ, ভিডিও ব্লগ, এমপিথ্রি ব্লগ বা মিউজিক ব্লগ থেকে শুরু করে অডিও ব্লগ সহ আরও অনেক রকমের ব্লগ। সমসাময়িক বিষয় যেমন রাজনিতি, অর্থনীতি কিংবা আপকামিং টেকনোলোজির সুফল-কুফল থেকে শুরু করে কিভাবে সি.ভি লিখতে হয় অথবা কিভাবে নিজেকে আরও একটু বেশি সুস্থ রাখা যায়- এমন অগণিত বিষয় সম্পর্কে ধারণা দিতে প্রায় ২২ মিলিয়ন ব্লগসাইট আমাদের জন্য তাঁদের অসাধারণ সব কন্টেন্ট নিয়ে প্রতিনিয়ত হাজির থাকে। ব্লগের কন্টেন্ট থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে তোমার রিভিউ চাইলেই তুমি কমেন্ট সেকশনে জুড়ে দিতে পারো।  
এই অসাধারণ সুযোগটি ১৯৯৮ সালে আমাদের সামনে নিয়ে আসে ওপেন ডায়েরি নামের একটি ব্লগসাইট।
ব্লগ, ব্লগার আর ব্লগসাইট নিয়ে আশা করি আর কোনো সন্দেহ থাকার কথা না। আমার আজকের ব্লগের আসল টার্গেট হচ্ছে বিশ্বের সেরা ৫ টি ব্লগ সাইটের সাথে তোমাকে পরিচয় করিয়ে দেয়া। চলো শুরু করা যাক।                                                                                                                                                                                                                            
বিজনেস ইনসাইডার (BUSINESS INSIDER):
ডিজিটাল এডভারটাইজিং এর কোন ট্রেন্ডগুলো অনুসরণ করলে  তুমি বেশি সাড়া পাবে বলতে পারো?
কিংবা ধরো তোমার পারফর্মেন্সের সময় কোন ট্রিকস গুলো  শুরু থেকেই তোমার  অডিয়েন্সের মনোযোগ ধরে রাখবে সেই ব্যাপারে তুমি জানতে চাও। ডিজিটাল ডিজিটাল এডভারটাইজিং কিংবা পারফর্মেন্স হ্যাক থেকে শুরু করে বিশ্ব রাজনীতি আর ফিন্যান্সের যতসব খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে আপডেটেড জ্ঞান রাখতে চাইলে তোমার জন্য রয়েছে বিজনেজ ইনসাইডার নামের ব্লগটি। এখানকার কন্টেন্ট গুলো টেকনোলোজি, পলিটিক্স, ফিন্যান্স, স্ট্রাট্যাজি আর দৈনন্দিন লাইফ  স্টাইল নিয়ে তোমাকে বিস্তর ধারনা দিতে পারবে।      
২০০৯ সালে যাত্রা শুরু করা বিজনেস ইনসাইডার ব্লগ সাইট  মূলত বিজনেসের যাবতীয় খুঁটিনাটি বিষয়ের চুলচেরা ফাইনেনশিয়াল বিশ্লেষণ করে থাকে। এই বিষয়টি তাঁদের মূল ফোকাস হলেও টেকনোলোজি,  ইন্টেলিজেন্স কিংবা অন্যান্য বিষয়গুলো সম্পর্কেও তাঁদের রয়েছে  অ্যানালাইটিক্যাল ব্লগ । এই সাইটের টপিকগুলো  এতোটাই ডাইভার্স যে, ম্যাকডোনাল্ড  কেনো আরটিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের পেছনে ৩০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করছে সেই সম্পর্কে বিস্তর জ্ঞান লাভ করার পাশাপাশি তুমি জানতে পারবে তোমার কোন অভ্যাসগুলো বলে দেয় যে  তোমার প্রফেশনাল দিকটায় তুমি একেবারেই আনপ্রফেশনাল!        
এবার তাহলে ব্লগ সাইটটি একটু ঘুরে দেখা যাক?
লিঙ্কঃ https://www.businessinsider.com           
ব্লগ সাইটটি একটু নাড়াচাড়া করলেই তুমি বুঝতে পারবে বিজনেস ইনসাইডার তাঁর টার্গেট রিডারদের চাহিদা সম্পর্কে বেশ সচেতন!      
ফ্রেইস ব্লগ (Phrasee):
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আর মার্কেটিং বিষয়ক যাবতীয় সব পরামর্শ  তুমি এই ব্লগ সাইটে খুঁজে পাবে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর পাশাপাশি মেশিন লার্নিং, ইমেইল মার্কেটিং সম্পর্কেও এই সাইটের ব্লগগুলোতে বিস্তর আলোচনা করা হয়ে থাকে। ২০১৭ সালে সাইটটি অর্জন করেছে ইউকে ব্লগ এ্যাওয়ার্ড। জনপ্রিয়তার স্কেলে খুব বেশি এগিয়ে না থাকলেও  ধরে নেয়া হয় ব্লগের দুনিয়ায় এটি হতে যাচ্ছে “ওয়ান অব দ্যা নেক্সট বিগ থিংস!”
ব্লগের লেখাগুলোর ধরন দেখতে চাইলে এক্ষুনি চলে যাও এই লিঙ্কটিতেঃ
লিঙ্কঃ   https://phrasee.co/resources/blog/page/31/ 
গিজমোডো (Gizmodo):
 ২০০২ সালে যাত্রা শুরু করা গিজমোডোতে সাইন্সের জটিল সব বিষয় নিয়ে অ্যানালাইটিকাল সব ব্লগ খুঁজে পাবে তুমি। কিন্তু ব্লগ সাইটটি কেবল সায়েন্সের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। স্মার্টওয়াচ , স্মার্টফোন,  ল্যাপটপ আর ট্যাবলেট, হেডফোন থেকে শুরু করে জুতা, ব্যাগ কিংবা ধরো বাচ্চাদের খেলনা- এমন অসংখ্য জিনিসের উপর অসাধারণ সব রিভিউ ব্লগ তুমি এই সাইটটিতে খুঁজে পাবে। এছাড়া আরও আছে টেক-ডিজাইনিং নিয়ে অনেকগুলো ব্লগ  যেখানে বিভিন্ন টেকনোলোজির ডিজাইনিংকে ফোকাস করে রিডারদের জন্য কন্টেন্ট তৈরি করা হয়।    
আমার কাছে মনে হয় গিজমোডো ব্লগ সাইটের সব চেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়টি হচ্ছে  এর  Paleofuture সম্পর্কিত ব্লগ। Paleofuture হচ্ছে  এক ধরনের ব্লগ যেখানে ঐতিহাসিক সব চিন্তা ধারা কিংবা ভিসন আর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রেডিকশনকে ফোকাস করে কন্টেন্ট তৈরি করা হয়।
 উপরের ছবিটিতে  পেলিওফিউচার সম্পর্কিত কিছু ব্লগ সম্পর্কে ধারনা দেয়ার চেষ্টা করলাম। এক কাজ করো, তুমি নিজেই ব্লগটিতে ঘুরে আসো!
লিঙ্কঃ  https://gizmodo.com 
WIRED! :
WIRED ব্লগ সাইটটি কিন্তু মোটেও wired না !
ব্লগ সাইটটি  জনপ্রিয় সব টেকনোলোজি আর সমসাময়িক কালচারের উপর এর প্রভাব নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করে থাকে।  এছাড়াও অর্থনীতি আর রাজনিতি নিয়েও সাইটটিতে রয়েছে অসাধারণ সব ব্লগ। ব্লগ সাইটটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে এর ব্লগগুলো বর্তমান আর ভবিষ্যতের সব টেকনোলোজির ট্রেন্ড নিয়ে অ্যানালাইটিক্যাল ব্লগ প্রকাশ করে থাকে।  
বিজনেস থেকে শুরু করে কালচার আর নানা রকমের ফিউচার-রিলেটেড বৈজ্ঞানিক চিন্তা ধারা- সব কিছুর এক অসাধারণ সমাহার হচ্ছে এই WIRED BLOG!
গ্রামারলি ব্লগ (Grammerly Blog):
ধরো তুমি একটা প্রেসেন্টেশন রেডি করতে চাও কিন্তু কিভাবে শুরু করবে, পুরো প্রেসেন্টেশন কিভাবে সাজাবে সেটি বুঝে উঠতে পারছোনা। কিংবা ধরো তুমি কোনো টপিক নিয়ে একটি ব্লগ লিখতে চাও কিন্তু ব্লগ লেখার পদ্ধতিটা তোমার একেবারেই জানা নেই। দৈনন্দিন জীবনের এমন অসংখ্য “how to” প্রশ্ন নিয়ে অসাধারণ সব ব্লগ রয়েছে গ্রামারলি ব্লগ সাইটটিতে। সাইটটির “how to” সেকশনে গেলে তুমি কিভাবে প্রেসেন্টেশন রেডি করতে হয় কিংবা কিভাবে ব্লগ লিখতে হয়- এসব  ছাড়াও আরও হাজারটা কাজ কিভাবে করতে হয় সেই সম্পর্কে অসাধারণ সব ব্লগ খুঁজে পাবে।
“How to” সেকশন ছাড়াও এখানে আরও আছে ট্রেন্ড সেকশন যেখানে তুমি জানতে পারবে বাইলিঙ্গুয়াল হওয়ার হাজারটা অ্যাডভান্টেজ সহ আরও অনেক কিছু।  গ্রামারলি ব্লগের ইন্সপাইরেশন সেকশন তোমাকে বলে দেবে তোমার কোন ৫টি অভ্যাস তোমাকে “নেগেটিভ” হিসেবে গড়ে তুলছে কিংবা তোমার প্রোডাক্টিভিটি বাড়িয়ে তোলার জন্য কোন কাজগুলো তোমার এক্ষুনি শুরু করা উচিত। এছাড়াও বাড়তি পাওনা হিসেবে আছে  গ্রামারলি ব্লগের গ্রামার টিপস সেকশন যেখানে ইংলিশ গ্রামারের যাবতীয় খুঁটিনাটি বিষয়কে সহজ করে তুলে ধরা হয়েছে।
মোট কথা, গ্রামারলি ব্লগটি হচ্ছে আগা গোঁড়া একটি শিক্ষামূলক ব্লগ যেখানে দৈনন্দিন জীবনের প্রায় সব বিষয় সম্পর্কে তুমি সাবলীল ভাবে শিখতে পারবে।
 গ্রামারলি ব্লগ থেকে এক্ষুনি শেখা শুরু করে দিতে পারো চাইলে!  
লিঙ্কঃ https://www.grammarly.com/blog/
উপরের উল্লেখিত ব্লগ সাইট গুলো ছাড়াও অনলাইন দুনিয়ায় আরও অসাধারণ সব ব্লগ সাইট রয়েছে যেমন The Verge নামের ব্লগসাইটটি টেকনোলোজি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করে থাকে। টেকনোলোজিক্যাল পরিবর্তন আমাদের ভবিষ্যৎ জীবনকে কিভাবে পরিবর্তন করে দিতে পারে সেই বিষয়টি নিয়েই তাঁদের অ্যানালাইটিক্যাল সব কন্টেন্ট।  
টেকনোলোজি নিয়ে আগ্রহ থাকলে সাইটটিতে ঘুরে আসতে পারো।
লিঙ্কঃ  https://www.theverge.com 
এছাড়াও আরও আছে lifehacker ( https://lifehacker.com ),  হেলথের জন্য Harvard Health Blog
(https://www.health.harvard.edu/blog/),বীট কয়েন কিংবা ক্রিপ্টোকারেন্সির জন্য CCN (https://www.ccn.com) সহ অসাধারণ সব ব্লগসাইট। আরও ব্লগ সাইট সম্পর্কে জানতে চাইলে এই লিঙ্কটিতে চলে যাওঃ  
লিঙ্কঃ https://detailed.com/50/ 
ব্লগ সাইট থেকে কি আয় করা যায়?
গিজমোডো ব্লগ সাইটের মাসিক আয় প্রায় ৩ লাখ ২৫ হাজার ডলার। তাঁর মানে দাঁড়াচ্ছে ব্লগসাইট থেকে ভালো পরিমানে আয় করা যায়। ব্লগের অ্যাড ভারটাইজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, আর কন্টেন্ট আর মনিটাইজেশন ঠিকঠাক মতো থাকলে ব্লগসাইট থেকে একজন ব্লগার ভালো আয় করতে পারে। ব্লগ সাইট থেকে কিভাবে আয় করা যায় সেই ব্যাপারে অন্য কোনো ব্লগে বিস্তারিত বলবো।
এতো কথা বলতে গিয়ে তোমার জন্য সেরা ব্লগসাইটটির কথা বলতেই ভুলে গেলাম।
দ্যা টেন মিনিট স্কুল ব্লগ তোমার জন্য পড়াশোনার টিপস, ভর্তি পরীক্ষার টিপস, অনেক রকমের স্কিল ডেভেলপমেন্ট আর লাইফ  হ্যাকস থেকে শুরু করে প্রেরনামুলক অসংখ্য ব্লগ নিয়ে রেডি আছে।
ওয়ান অব দ্যা বেস্ট অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্মস থেকে শিখতে চাইলে এক্ষুনি ডুব দিয়ে দাও দ্য টেন মিনিট স্কুল ব্লগে!  হ্যাপি লার্নিং!
© Eyamim Sultana
© TrickBuzz.Net 2015-2020

প্রিয় স্মার্টফোনটি দীর্ঘদিন টেকসই করার কার্যকরী উপায়

0

প্রতি বছর ফোন পরিবর্তন করা অনেকেরই পছন্দের একটি কাজ। এমন মানুষের সংখ্যা অবশ্য হাতেগোনা। অধিকাংশ মানুষ ‘প্রিয়’ ডিভাইসটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে চান। আপনি যদি এই দলের হন, তাহলে আজকের এই লেখাটি আপনার জন্য অনেক উপকারী হবে বলে আশা করি।

অ্যাপ আপডেট স্কিপ করবেন না

ফোনের গতি ঠিক রাখতে অ্যাপের আপডেট যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ফোনের আয়ু ঠিক রাখতেও এটি কাজে দেয়। তাই অ্যাপ আপডেট চাইলে এড়িয়ে যাবেন না। পাশাপাশি অপারেটিং সেটিংসও আপডেট রাখবেন। এতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।আপডেটগুলো খুব একটা সময় নেয় না। যতটা নেয়, তার চেয়ে বেশি আপনাকে দেয়। আপনার ফোনের কোনো ত্রুটি থাকলে অপারেটিং সিস্টেমের আপডেটের সময় ঠিকও হয়।

একই সঙ্গে ফোনের সার্বিক পারফর্ম্যান্স ঠিক রাখে।অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোনে অটোমেটিক আপডেট পাওয়া যায়। সেটি পেতে হলে ডিফল্ট সেটিংস সচল রাখতে হয়। অ্যান্ড্রয়েডে অটোআপডেট সচল করতে হলে প্লেস্টোরের সেটিংস অপশনে যেতে হবে। এখানে ‘Auto-update apps’ অপশন পাবেন। আইফোন ব্যবহারকারীরা Settings > iTunes & App Store অনুসরণ করবেন। তারপর ‘App Updates’ স্লাইড করে ‘On’ পজিশনে আনুন।

অ্যাপ ডিলিট

ফোনে অতিরিক্ত অ্যাপ রাখবেন না। নিয়মিত ডিলিট করবেন। তাতে আপনার ফোনের কার্যক্ষমতা যেমন বাড়বে, তেমনি আয়ুও বাড়বে। অব্যবহৃত অ্যাপ ডিলিট করতে ‘Delete unused apps’ অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন।

ফোন কেসের ব্যবহার

ফোনে সব সময় আলাদা কেস ব্যবহার করা উচিত। তাতে হাত থেকে পড়ে গেলেও নষ্ট হওয়ার ভয় কম
থাকবে।

স্ক্রিন এবং পোর্ট পরিষ্কার

ফোন পরিষ্কার রাখা খুবই জরুরি। কেস ব্যবহার করলেও নিয়মিত খুলে পরিষ্কার করবেন। ক্যাবল, মাইক্রোফোনের জন্য যে পোর্ট ব্যবহার করেন, সেটিও পরিষ্কার করবেন। এর পাশাপাশি স্ক্রিনও পরিষ্কার রাখবেন। তাতে ফোনের ভেতরে কম ময়লা জমবে। ফোন ভালো থাকবে।

পরিমিত ব্যবহার

ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কমাতে হবে। ফোন যেন গরম না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ব্যাটারি যত কম গরম হবে, ফোনের আয়ু তত বাড়বে। ফোন কখনোই সরাসরি সূর্যের আলোর নিচে রাখবেন না।

ব্যাটারি পরিবর্তন

ব্যাটারি কোনো কারণে নষ্ট হয়ে গেলে ফোন পাল্টানোর দরকার নেই। আলাদা ব্যাটারি কিনতে পারেন।

বজ্রপাতের সময় ফোন চার্জ

বজ্রপাত হলে পাওয়ার কর্ডের কারণে ফোনের ক্ষতি হতে পারে। তাই বজ্রপাতের সময়।ফোন চার্জে না দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে।

ভাইব্রেশন

সারাক্ষণ ফোন ভাইব্রেশনে দিয়ে রাখলে ব্যাটারি দ্রুত খরচ হয়। ফোনের আয়ু কমে যায়। তাই প্রয়োজন হলে ফোন সাইলেন্ট রাখা ভালো।

যখন চার্জে দেবেন

ফোনের চার্জ শূন্যে আসার আগেই প্লাগইন করা উচিত। ফোন যখন ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ চার্জে আসবে, তখনই চার্জে দেবেন। ১০০ শতাংশ চার্জ দেয়ার সময় না থাকলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত করতে পারেন। অর্থাৎ নিয়মটা হলো ফোনে সব সময় ৩০ থেকে ৮০ শতাংশ চার্জ রাখতে হবে। এতে বেশি দিন ব্যবহার করা যাবে। চার্জের সময় ফোনের কভার/কেস খুলে রাখলে ভালো হয়, এতে ফোন কম গরম হয়।

আপনি যদি ওপরের নিয়মগুলো সঠিকভাবে মেনে চলতে পারেন। তাহলে আপনার স্মার্টফোনটি আগের থেকে বেশি টেকসই হবে। এবং পারফরম্যান্স থাকবে অটুট। আমাদের আর্টিকেলগুলো ভালো লাগলে, আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবে না।

সূত্র:  TechZoom.Tv

ফেসবুক আইডির জন্মতারিখ চেঞ্জ করুন যতবার ইচ্ছা ততবার

0
আসসালামু আলাইকুম।
সকলে কেমন আছেন?
আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি। আর যারা নিয়মিত ট্রিকবাজের সাথে থাকেন তাদের ভালো থাকারই কথা। কেননা, এখান থেকে আমরা প্রতিনিয়ত অনেক অজানা বিষয়গুলো জানতে ও শিখতে পারি।
আমার আজকের পোষ্টে দেখাতে চলেছি কিভাবে আপনারা ফেসবুক আইডির জন্মতারিখ যতখুশি ততোবার চেন্জ করবেন। আপনি চাইলে প্রতি ২ মিনিট পর পর যতখুশি ততোবার ফেসবুক আইডির জন্মতারিখ চেন্জ করতে পারবেন।
how to change your date of birth on facebook

তো কিভাবে এ কাজটি করবেন চলুন শুরু করা যাক।
প্রথমত মোবাইলের যেকোনো একটি ব্রাউজারে Facebook.com এ গিয়ে আপনার ফেসবুক আইডিটি লগইন করুন যে আইডির জন্মতারিখ পরিবর্তন করতে চান।
এরপর বাকি স্কিনশর্টগুলো ফলো করুন ওখানে আমার একটা আইডির জন্মতারিখ পরিবর্তন করে দেখাচ্ছি।
how to change your date of birth on facebook
how to change your date of birth on facebook
how to change your date of birth on facebook
how to change your date of birth on facebook

এবার আপনাকে নিচের লিংকে ক্লিক করে কাজটি করতে হবেঃ এখানে ক্লিক করুন
how to change your date of birth on facebook
how to change your date of birth on facebook
how to change your date of birth on facebook

তো এভাবে আপনারা চাইলে প্রতি ২ মিনিট পরপর ইচ্ছামতো ফেসবুক আইডির জন্মতারিখ পরিবর্তন করতে পারবেন আইডির কোনো সমস্যা ছাড়াই।
আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।
লেখকঃ Md Shakil Hasan
© TrickBuzz.Net 2015-2020

Atomic Wallet অ্যাপে একাউন্ট করে 400 টাকার সমপরিমাণ AWC Token ইনকাম করুন কেওয়াইসি ঝামেলা নাই [পেমেন্ট প্রুফ সহ]

0
আসসালামু আলাইকুম।
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন আল্লাহর রহমতে। কারণ ট্রিকবাজের সাথে থাকলে সবাই ভালই থাকে। আর আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।
atomic wallet review

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা
আজকের এই পোস্টটি আমি সম্পূর্ণ ট্রিকবাজ মেম্বার এবং ভিজিটরদের স্বার্থে করেছি, আমার নিজের কোন স্বার্থে নয়। কারণ আমি চাই ট্রিকবাজের প্রত্যেকটা ভিজিটর এবং মেম্বার তাদের হাত খরচের টাকাটা অন্তত অনলাইন থেকে ইনকাম করুক। এরপরও যদি আপনারা মনে করেন যে এটা আমার স্বার্থের জন্য আমি পোস্ট করেছি তাহলে আপনারা বলবেন প্লিজ আমি এই পোস্টটি ডিলিট করে দেব। আর যদি আপনি মনে করেন যে আপনি এখানে জয়েন করবেন তাহলে আপনি পুরো পোস্টটা একটু কষ্ট করে ভালোভাবে পড়বেন তাহলে বুঝতে পারবেন সকল কিছু।
এখান থেকে আপনারা 400 টাকার মত ইনকাম করতে পারবেন। আজকে যে Wallet অ্যাপ টা শেয়ার করবো তার নাম Atomic Wallet খুবই ভালো একটা ওয়ালেট App. মূলত আমরা এই অফারের জয়েন করলে 15 AWC টোকেন পাব, যার দাম $5 ডলার। আর এই টোকেন Atomic Wallet এর নিজস্ব টোকেন একটা AWC টোকেন এর দাম $0.34 দেখুন।
atomic wallet staking

ভবিষ্যতে এই AWC টোকেন এর দাম আরো বাড়তে পারে। এই AWC টোকেন এর Exchange চলতেছে Binance DEX, Hoo, IDEX ইত্যাদি Exchange সাইটে। এই টোকেন গুলো আমরা Exchange করে Coinbase এ পেমেন্ট নিতে পারবো তারপর বিকাশে নিয়ে আসতে পারবো এক্সচেঞ্জ করে। প্রত্যেককে অনুরোধ করবো এটাতে জয়েন করার জন্য এখান থেকে ভালো পরিমাণ ইনকামের সুযোগ রয়েছে।
কিভাবে জয়েন করবেন?
জয়েন করার জন্য প্রথমে এখানে ক্লিক করুন
ক্লিক করার পর আপনাকে এরকম সাইটে নিয়ে আসবে। এখান থেকে আপনাকে এই Promo কোডটা কপি করতে হবে কপি বা নোট করে রাখুন একটা জায়গায়।
atomic wallet promo code

তারপর এখান থেকে Play Store এ ক্লিক করে অ্যাপসটা ডাউনলোড করে নিবেন।
atomic wallet

ইন্সটল হয়ে গেলে অ্যাপসটি ওপেন করবেন ওপেন করার পর এরকম আসবে।
atomic wallet

তারপর এখান থেকে Create New Wallet এর উপর ক্লিক করুন।
atomic wallet

তারপর এখানে আপনাকে পাসওয়ার্ড দেয়ার জন্য বলবে তো আপনি পাসওয়ার্ড দিয়ে দিন 8 ডিজিটের।
atomic wallet

পাসওয়ার্ড দেয়ার পর এখান থেকে Set এর উপর ক্লিক করুন।
atomic wallet

তারপর এখানে আপনাকে আবার পাসওয়ার্ড দেওয়ার জন্য বলবে আপনি আগে যে পাসওয়ার্ডটা দিয়েছেন একই দেওয়ার পর Confirm এর উপর ক্লিক করুন।
atomic wallet

তারপর এখানে আপনাকে কিছু Security Phrases দেবে এগুলো আপনি কপি করে ভালো করে সুরক্ষিত জায়গায় রাখবেন ভবিষ্যতে এটা কাজে লাগবে কোন কিছু ভুলে গেলে।
atomic wallet

তারপর এখান থেকে Start Using Atomic এর উপর ক্লিক করুন।
atomic wallet

এখন আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেল।
atomic wallet

তো এখন আপনাকে 15 AWC বোনাস নেয়ার জন্য Setting আইকনে ক্লিক করতে হবে।
atomic wallet

তারপর এখান থেকে Airdrop এর উপর ক্লিক করুন।
atomic wallet

তারপর এখানে আপনার ইমেইল দিন।
atomic wallet

তারপর এখানে আপনাকে Promo কোড দেয়ার জন্য বলবে এখানে 19YCHC দিন দিলে আপনি Extra 5 AWC ($2) টোকেন পাবেন।
atomic wallet

তারপর এখান থেকে Sign Up এর উপর ক্লিক করুন।
atomic wallet

তারপর এখান থেকে Back এর উপর ক্লিক করুন।
atomic wallet

তারপর এখান থেকে Okay এর উপর ক্লিক করুন।
atomic wallet

তারপর আপনার অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করার জন্য ইমেইলে একটা মেইল পাঠানো হবে আপনি মেইলটি ওপেন করুন এখান থেকে Verify me তে ক্লিক করুন।
atomic wallet

তারপর আপনার একাউন্টি ভেরিফাই হয়ে যাবে।
atomic wallet

আপনি যদি কাউকে রেফার করতে চান তাহলে আপনাকে এরকম একটা রেফার কোড দেয়া হবে প্রতি রেফারে দুজনেই 5 AWC টোকেন পাবেন।
atomic wallet

কখন পেমেন্ট পাবেন দেখুন,+ তারা প্রতি মাসের 10 থেকে 15 তারিখের মধ্যে পেমেন্ট করে। ইমেইলে আপনাকে সকল কিছু বলে দেয়া হবে।
atomic wallet

আমি গতকালকে 30 AWC টোকেন পেয়েছি আমার পেমেন্ট প্রফ দেখুন।
atomic wallet

আশা করি পোস্টটি আপনাদের কাছে ভাল লেগেছে। যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই পোস্টটিতে একটি লাইক দিবেন এবং কমেন্ট করে আপনার মতামত জানাবেন।
সকল ধরনের আর্নিং এর আপডেট পেতে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটি তে জয়েন করতে পারেন এখানে প্রতিদিন নতুন নতুন ইনকামের এর আপডেট শেয়ার করা হয়।
অনেক অনেক ধন্যবাদ সবাইকে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য। সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন ট্রিকবাজের সাথেই থাকবেন।
ধন্যবাদ।
লেখকঃ Ismail Hossain
© TrickBuzz.Net 2015-2020

Atomic Wallet এর ফ্রি (15 AWC) 900 টাকা অফারের নতুন আপডেট

0
আসসালামু আলাইকুম।
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন আল্লাহর রহমতে। কারণ ট্রিকবাজের সাথে থাকলে সবাই ভালই থাকে। আর আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।
Atomic Wallet 15 AWC Free

আমি 15 থেকে 20 দিন আগে আপনাদের মাঝে একটা পোস্ট করেছিলাম Atomic Wallet অ্যাপের একটা অফার নিয়ে। সেই পোস্টে আমি বলেছিলাম যারা জয়েন করবেন তাদের প্রত্যেককে ফ্রিতে 15 AWC টোকেন দেওয়া হবে। কিন্তু তারা কয়েকদিন আগে নতুন একটা আপডেট দিয়েছে যেখানে তারা বলে দিয়েছে Mandatory Deposit মানে আপনাকে অবশ্যই ডিপোজিট করতে হবে।
আর এই আপডেটটা কেন দিয়েছে তা হয়তো অনেকেই জানেন না। এই আপডেটটা মূলত কিছু চোর বাটপারের কারণে দেওয়া হয়েছে। যারা বাটপারি করে তাদের টোকেন গুলো হাতিয়ে নিচ্ছে এই চোর বাটপার গুলো বিভিন্ন কৌশলে তাদের টোকেন হ্যাক করে আনলিমিটেড ইনকাম করছিল সেজন্য তারা এই আপডেট টা দিয়েছে। এখন আপনাকে এই অফারে জয়েন করতে হলে অবশ্যই $10 ডলার ডিপোজিট করতে হবে তারপর আপনি বোনাস পেমেন্ট পাবেন।
তবে যারা আগে জয়েন করছিল তাদেরও ডিপোজিট করতে হবে কিনা সে বিষয়টি আমি ক্লিয়ার বলতে পারছি না। তবে আমার মনে হয় যারা আগে জয়েন করছেন তারাও ডিপোজিট করে রাখেন। করলে সবচেয়ে ভালো হবে আরকি। আমি নিজেও কিন্তু $10 ডলার ডিপোজিট করেছি। এই ডিপোজিট এর টাকা আপনি যেকোনো সময় আবার তুলে নিতে পারবেন।
এখান থেকে আপনারা প্রত্যেকেই ফ্রিতে $10 ডলার ইনকাম করতে পারবেন। এই AWC টোকেনের দাম দিন দিন বাড়তেছে, তো এখন বর্তমানে 15 AWC টোকেন এর দাম বাংলাদেশি টাকায় 900 টাকার মত। যারা জয়েন করেন নাই তারা চাইলে জয়েন করতে পারেন। জয়েন করলে অবশ্যই আপনাকে ডিপোজিট করতে হবে। এখানে আপনি LTC, BTC, ETH, BNB, USDT, XLM ইত্যাদি ডিপোজিট করতে পারবেন।
যারা নতুন জয়েন করতে চান তারা নিচ থেকে আগের পোস্টটি দেখে নিন।
অনেক অনেক ধন্যবাদ সবাইকে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য। সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন ট্রিকবাজের সাথেই থাকবেন।
ধন্যবাদ।
লেখকঃ Ismail Hossain
© TrickBuzz.Net 2015-2020