Home Blog Page 3

জনপ্রিয় ১৫ টা হরর মুভি এবং সিরিজ

0

রোমান্স, কমেডি, থ্রিলার সব কিছুকে পিছনে ফেলে আজও ভূতের চর্চা জিতে যায় বারংবার। সে গল্পের বই হোক বা সিনেমা, ভূতের সাক্ষাৎ পেলে যেন লাগে না আর কিছুই।

আট থেকে আশি সব্বার কাছে ভৌতিক ব্যাপারটা নিয়ে একটু হলেও কৌতুহল থাকবেই। আর বাইরে হালকা বৃষ্টি সঙ্গে যদি রাতের আধারে সাথে থাকে একটা ভূতের সিনেমা ব্যাস কাজ হয়ে গেছে। তাই আজ আসলাম এখন অব্ধি বিশ্বের সকল হরর মুভি/সিরিজ থেকে বাছাই করা এমন কিছু হরর সিরিজ এর ব্যাপারে লিখতে যা সারাবিশ্বের সকল হরর প্রেমিদের কাছে বহুল আলোচিত।

ওয়েল আমি জানি আজকের ম্যাক্সিমাম মুভি সিরিজগুলো অনেকেই দেখে ফেলেছেন, পোষ্ট টা করার কারন হলো আমি চাচ্ছি এর পর থেকে এমন এমন সব হরর মুভি নিয়ে কয়েকদিন রেগুলার পোষ্ট করবো যা আপনারা হয়তো অনেকেই মিস করে গিয়েছেন। তবে তার আগে জনপ্রিয় হরর মুভিগুলো কিভাবে বাদ রাখি তাই আর কি আজকের তালিকা। ওয়েল মুভিগুলো সম্পর্কে ডিটেলস নিয়ে একটা হরর ভৌতিক মুভি কালেকসন পর্বের মত তালিকা করার চেষ্টা করছি, যাতে কয়েক পর্বের মাধ্যমে বেশ কিছু সেরা মানের মুভির তালিকা দিতে পারি।

1. Ouija

এই মুভিটির এখন অব্ধি দুইটা সিকুয়েল বের হয়েছে। ১ম টি Ouija যেটা ২০১৪ সালে আর দ্বিতীয়টি ২০১৬ সালে Ouija Origin of Evil নামে রিলিজ দেওয়া হয়। ওয়েল মুভিটার গল্পের কথা যদি বলি। মুভিতে দেখানো হয় এমন কিছু ধরনের গেম এর ব্যাপারে যেটার মাধ্যমে অন্য এক জগতের সাথে কানেক্টেড হওয়া, বা অন্য এক জগতের ব্যপারে জানা যায় তা নিয়ে। যেখানে অবশ্যই বাস করছে প্রেতাত্মারা।

2. Anabelle

হরর প্রেমি আর এনাবেললা এই মুভি সিরিজ এর কথা আপনি শুনেন নি আমার অন্তত বিশ্বাস হবেনা। এনাবেললা এই মুভিটির এখন অব্দি ৩ টা সিকুয়েল বের হয়েছে, প্রথমটি ২০১৪ সালে এনাবেললা নামে আর দ্বিতীয়টি ২০১৭ সালে এনাবেললা ক্রিয়েশন এবং তৃতীয়টি ২০১৯ সালে এনাবেললা কামস হোম নামে রিলিজ পায়। ওয়েল মুভিগুলোর নাম বা মেইন যেই বিষয় টা কে কেন্দ্র করে নির্মান করা হয়েছে তা হল Anabella নামের একটা অভিশপ্ত পুতুল। আপনি জানলে অবাক হবেন বাস্তবিক অর্থেও এই অভিশপ্ত পুতুলের কিন্ত স্থান আছে। জানা গেছে ১৯৭০ সালে এক পরিবারে এই এনাবেললা ডল টার অভিশপ্ততার আভির্ভাব ঘটে। বর্তমানে এই ডলটা একটা মিউজিয়ামে সংরক্ষিত রয়েছে।

3. Conjuring

হলিউডের সবচেয়ে সেরা হরর মুভি যদি খুজতে যাই সবার আগে যে সিরিজগুলোর কথা মনে পরবে বা যে সিরিজটা মুলত হলিউডের জনপ্রিয় হরর মুভিগুলোর কেন্দ্রবিন্দু সেটা হল এই মুভিটি। Conjuring একটি হরর, থ্রিলার এবং মিস্ট্রি মুভি সিরিজ। আর হ্যা এর সবগুলো মুভিতে সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি। এই সিরিজের প্রথম মুভিটি রিলিজ পায় ২০১৩ সালে আর দ্বিতীয় কিস্তি রিলিজ পায় ২০১৬ সালে এবং তৃতীয় সিকুয়েলটি ২০২০ সালে ৯ সেপ্টেম্বর রিলিজ দেওয়ার কথা রয়েছে, এই হরর সিরিজটি মুলত ২টা পরিবারে ঘটে যাওয়া হরর কিছু প্যারানরমাল ঘটনা কে নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

4. Insidious

এই হরর সিরিজটি মুলতো এক পরিবার কে নিয়ে যে পরিবারে বড় ছেলেকে নিয়েই কাহিনির সূত্রপাত। বড় ছেলে যার নাম ডাল্টন তার একটু অন্য রকম ক্ষমতা থাকে ছোটবেলা থেকেই। সেটি হচ্ছে সে ঘুমের মধ্যে তার দেহ থেকে বেরহয়ে অন্যস্থানে আই মিন একধরনের স্পিরিট জগতে যেতে পারে যা মুভিটির মতে Spiritual Journey. কিন্তু ঘটনা তখন শুরু যখন একরাতে সে এই স্পিরিট জগৎ থেকে বেরোতে পারে না। ফলে পৃথিবী তে শুধু তার দেহটাই থাকে এবং তার soul থাকে sprit জগতে। এই ভাবেই কাহিনির সূত্রপাত ঘটে, আর তারপর তাকে সেই জগত থেকে আনা নিয়ে যত সকল প্যারানরমাল একটিভি ঘিরে এই মুভিটি। আমার মতে Insidious মুভিটি সব হরর প্রেমীদের একবার অন্তত দেখা উচিৎ। আর এই সিরিজের শেষ মুভিটিতে সকল কাহিনীর সুন্দর বিবরণ যে কেনো এসব কিছু ঘটেছে? তা খুবই সুন্দর এবং রহস্যজনক ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন মুভির ডিরেক্টর। আর এর হটাৎ লোম দাড়া করানো সিন গুলো দেখে আপনি কেপে উঠতে বাধ্য হবেন। হতে পারে মোবাইল বা ল্যাপটপ এ দেখলে নিশ্চয় হাত থেকে মোবাইল বা ল্যাপটপ পরে যাবে।

5. A Quiet Place

এই হরর সিরিজ এ দেখতে পাবেন এক ভিন্ন ধর্মী হরর ব্যাপার। কোন রকম কথা ছাড়াও যে ভয় ধরানো যায় A Quiet Place দেখে কিছুটা হলেও বুঝেছিলাম আমি। ওয়েল এই মুভিটির এখন অব্দি দুইটা সিকুয়েল বের হয়েছে যা ২০১৮ সালে A Quiet Place আর দ্বিতীয়টি ২০২০ সালে A Quiet Place Part 2 নামে রিলিজ হয়েছে।

6. Dabbe

অনেকের মতে হরর মুভি মানেই তুর্কিস মুভি। আর তুর্কির হরর মুভির কথা বলতে গেলে আমার প্রথমেই যে মুভি সিরিজটার কথা মনেে পড়ে তার নাম এই দাব্বে। এই সিরিজের সবকটা মুভি করা হয়েছে জ্বীনদের এবং নানান কালোজাদু নিয়ে সত্যিকারের তথ্যের উপর ভিত্তি করে। জ্বী ঠিক শুনেছেন এটা জ্বীনদের নিয়ে একদম বাস্তব তথ্য নিয়ে তৈরি এক সিরিজ, সিরিজটির টোটাল এখন অব্দি ৬টা পার্ট রিলিজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও একটা কথা না বললেই নয় এই সিরিজের ৬ নম্বর পার্ট করার সময় পরিচালক নিজে বলেছেন যে মুভিটির কিছু অংশে বাস্তব জ্বীনের সাউন্ড ও নাকি নেওয়া হয়েছে। বুঝতেই পারছেন কিরকম হতে পারে মুভিটা।

7. Siccin

দাব্বে সিরিজের পরই যে সিরিজের কথা না বললেই নয় সেটা হল সিজ্জিন। সিজ্জিন মুভির টোটাল ৬টা সিকুয়েল বের হয়েছে। দাব্বের মত এই সিরিজটাও ব্ল্যাকম্যাজিক নিয়ে বাস্তব তথ্যকে ঘিরে নির্মান করা হয়েছে। মুভিটা সম্পর্কে একটা বিশেষ কথা যদি বলি সিরিজটির ৬ নাম্বার পার্টের ক্ষেত্রে মুভি দর্শকদের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল মুভিটির নির্মাতারা। তাদের দাবি এই মুভিটি আপনাকে ভয় দিয়েই ছাড়বে। আর আপনি যদি ভয় না পান তাহলে আপনার জন্য বিশেষ পুরস্কার অপেক্ষা করছে। তাদের এই পুরস্কার মূল্য ছিল ৯৫ হাজার তুর্কিশ লিরা যা বাংলাদেশী সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকার সমান! মুভিতে ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড এবং হরর লুকের সাথে ভয়ানক লোকেশন দিয়ে আপনাকে বাস্তবিক ভয়াবহতা কি জিনিস তা ফুটিয়ে তুলবে। সাথে কালো জাদু কি ভয়ংকর তা এই মুভিতে দেখতে পাবেন।
যাই হোক এছাড়াও আজকের লিস্টে আমি আরও রেখেছি যে মুভিগুলো তার নাম গুলো হল..

8. Paranormal Activity
9. IT
10. UC Halfliler
11. The Nun
12. Friday The 13
13. The Ring
14. Halloween
15. Psycho

এই সবগুলো হরর মুভিই কিন্ত খুবই জনপ্রিয় মুভি, যারা এখন অব্দি দেখেন নি দেখে নিবেন. আর যারা যারা দেখেছেন আপনারা অবশ্যই জানাবেন কমেন্টে যে আপনার কাছে কোনটা সেরা মনে হয়েছে, আর কোনটা বেশ ভয় দেখাতে সক্ষম হয়েছে এই লিস্টের মধ্য থেকে?

ওয়েল এই মুভিগুলো তো ম্যাক্সিমাম এ দেখা সবার, তবে ইচ্ছে আছে আমি আরও এমন কিছু অসাধারন হরর মুভি তালিকা সেয়ার করবো যা হয়তো আপনি মিস করে যাচ্ছেন। অন্তত সপ্তাহে একদিন পোষ্টে নয় ইনবক্সে মেসেজ দিবেন যার প্রয়োজন হবে। আমি দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবো। ভালো থাকবেন সবাই। হ্যাপি ওয়াচিং।

লেখকঃ আর এম প্রান্ত

ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে প্রচলিত ৫টি ভুল ধারণা, যেগুলো এক্ষুনি দূর করা প্রয়োজন

0
যেটা যতোবেশি জনপ্রিয় হবে বিপরীতে সেটার ততোবেশি ভুল ধারণা ও তৈরি হবে এটা একেবারেই স্বাভাবিক, ওয়ার্ডপ্রেস নিজেও তার ব্যাতিক্রম নয়। তবে ওয়ার্ডপ্রেস এর মতো টপিকটা একটু বেশি গুরুত্বপূর্ণ, এতে ভুল ধারণা জন্মালে ইউজাররা বিভ্রান্তির মধ্যে পরবে এতে তারা ভুল প্ল্যাটফর্মে চলে যেতে পারে। এই আর্টিকেলে ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে প্রচলিত এমনই কিছু ভুল ধারণা মাটি খুঁড়ে বের করার চেষ্টা করবো, এতে আপনি পরিষ্কার ধারণা পেতে পারবেন, ওয়ার্ডপ্রেস আপনার জন্য বা নির্দিষ্ট কাজের জন্য কতোটা উপযোগী!
ওয়ার্ডপ্রেস জাস্ট একটি ব্লগিং টুল
এক সময়ের অনেক জনপ্রিয় একটি ভুল ধারণা হচ্ছে, ওয়ার্ডপ্রেস কেবল একটি ব্লগিং টুল, এখনো অনেকেই এই ধারণাটি পুষে রেখেছেন। আপনি ও যদি এই ধারণা বাঁচিয়ে রাখার একজন হোন, তো ঝেড়ে ফেলুন। বোল্ড অক্ষরে লিখলাম, “না ওয়ার্ডপ্রেস শুধুই আর ব্লগিং টুল নেই” — ওয়ার্ডপ্রেস ইউজ করে ভার্চুয়ালি যেকোনো ওয়েবসাইট বানানো যেতে পারে; হতে পারে সেটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট, হতে পারে কোন কমিউনিটি সাইট, বা হতে পারে আপনার বিজনেস ওয়েবসাইট। এক কথায়, আপনার কল্পনায় যেরকম আসতে পারে, ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ঠিক সেই রকমের ওয়েবসাইটই বানানো সম্ভব!
ওয়ার্ডপ্রেস বর্তমানে একটি পাওয়ারফুল ওয়েবসাইট বিল্ডার, আর ভুলে গেলে চলবে না, এই আর্টিকেল লেখার সময় সম্পূর্ণ ইন্টারনেটের প্রায় ৩১% ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা পরিচালিত। তো এখন নিজেই বোঝেন, এটা কতোটা পাওয়ারফুল ও বিশ্বস্ত! আপনি জানেন কি? ওয়ার্ডপ্রেসের জনপ্রিয় উ-কমার্স প্লাগইন দুনিয়ার সবচাইতে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম! এটা আলাদা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যেমন- শপিফাই বা ম্যাজেন্টো থেকেও অনেক বড়। তো ছোট বিজনেস ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে, বড় বিজনেস ওয়েবসাইট, মেম্বারশিপ ওয়েবসাইট, ব্লগ, ফোরাম, সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট, অনলাইন শপ — সবকিছুই ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা নির্মাণ করা সম্ভব। আপনার শুধু সঠিক প্লাগইনস অ্যান্ড থিমের দরকার পরবে!
ওয়ার্ডপ্রেস ফ্রী, তাই এটা নিশ্চয় লো কোয়ালিটি
বাংলায় একটা প্রবাদ চালু রয়েছে, অনেকেই মনে করেন, “এক সস্তার তিন অবস্থা” — অবশ্য তাদের ভুল বলাও যায়না, সত্যিই সস্তা বা ফ্রী জিনিষ গুলো তেমন ভালো হয় না, কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেসের ক্ষেত্রে এটা মোটেও প্রযোজ্য নয়। অনেকেই নিজেদের বড় বিজনেস ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে বানাতে চাননা, বরং লাখো টাকা খরচ করে কাস্টম সিএমএস ইউজ করেন। হয়তো তারা মনে মনে ভাবেন, ফ্রী টুল দিয়ে ওয়েবসাইট বানালে হয়তো প্রফেশনাল মনে হবে না।
পরিষ্কার করে বলে রাখছি, আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেসকে লো কোয়ালিটি আর অনিরাপদ ভেবে থাকেন তাহলে আপনি এখনো মায়ের গর্ভে। অনেকেই প্রশ্ন করবেন, ওয়ার্ডপ্রেস এতোই প্রিমিয়াম জিনিষ, তো ডেভেলপার কেন এটাকে বিনামূল্যে দিয়ে দিচ্ছে? — দেখুন, ওয়ার্ডপ্রেস কোন সিঙ্গেল ডেভেলপার দ্বারা নির্মিত নয়, বরং সম্পূর্ণ দুনিয়া জুড়ে লাখো ডেভেলপার দ্বারা ওয়ার্ডপ্রেস নির্মিত। এর কোড সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স, মানে যে কেউ চাইলে এর কোডের কোয়ালিটি টেস্ট করতে পারেন!
ওয়ার্ডপ্রেস তৈরিতে ব্যবহৃত কোড পাঁথরের মতোই মজবুত, ডেভেলপার ফ্রেন্ডলি, সকলের জন্য উন্মুক্ত, এবং ফ্রী! অনেকেই বলবেন, এর কোড ওপেন সোর্স, মানে যেকোনো হ্যাকার এর কোড স্টাডি করতে পারবে তারপরে ট্রুটি খুঁজে বের করে হ্যাক অ্যাটাক চালাতে পারবে। এক্ষেত্রে কিছু জিনিষ আপনাকে মনে রাখতে হবে; শুধু ওয়ার্ডপ্রেস নয় দুনিয়ার যেকোনো ওয়েবসাইটের উপরে ম্যালওয়্যার বা ব্রুটফোর্স অ্যাটাক চলতে পারে। আর এর জন্য ওয়ার্ডপ্রেসের অনেক সিকিউরিটি প্লাগইন ও তৃতীয়পক্ষ ফায়ারওয়াল সার্ভিস রয়েছে। যারা আপনার ওয়েবসাইটের নানান অ্যাটাক মনিটর করবে সর্বদা। আপনি ওয়ার্ডপ্রেসে সাইট রান করান বা নাই করান, আপনাকে তো আলাদা সিকিউরিটি ব্যাবস্থা রাখতেই হবে, যেমন- ক্লাউডফ্লেয়ার বা সিকিউরি সার্ভিস ইউজ করা!
আরেকদিকে যারা বিজনেস ওয়েবসাইটে ওয়ার্ডপ্রেস ইউজ করতে চান না, নিজেদের আরো বেশি প্রফেশনাল ফিল করানোর জন্য, বলে রাখছি; নানান ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ড যেমন- CNN, Microsoft, Adobe, The New York Times — এরা নিজেরাও ওয়ার্ডপ্রেস ইউজ করতে দ্বিধা বোধ করে না। তো বাকিটা আপনি নিজেই ভেবে দেখুন এবার, ওয়ার্ডপ্রেস কতোটা লো নাকি হাই কোয়ালিটির জিনিষ!
ওয়ার্ডপ্রেস নতুনদের জন্য
ওয়ার্ডপ্রেস অনেক সহজ একটি ওয়েবসাইট বিল্ডার, এর জন্য অনেকে মনে করতে পারেন এটা বাচ্চাদের জন্য, মানে যারা কেবল ওয়েবসাইট বিল্ড করতে শিখছেন তাদের জন্য। নিজেকে অনেক বড় মনে করা ডেভেলপাররা অনেকেই ওয়ার্ডপ্রেসকে বিগেনার টুল বলে আখ্যায়িত করে থাকেন। কেনোনা ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা ওয়েবসাইট বানাতে আপনাকে এইচটিএমএল, জাভা স্ক্রিপ্ট, সিএসএস, ইত্যাদি কিছুই শিখতে হয় না।
ব্যাপারটা কিন্তু সম্পূর্ণ এরকম নয়, হ্যাঁ, ওয়ার্ডপ্রেস মারাত্মক পরিমাণে বিগেইনার ফ্রেন্ডলি, কিন্তু পাশাপাশি এটাকে কর্পোরেশন, বিজনেস, এবং ডেভেলপার’রা ইউজ করেন। ওয়ার্ডপ্রেস যেমন বিগেনারদের জন্য স্বর্গরাজ্য, ঠিক তেমনি অ্যাডভান্স লেভেল ইউজারদের জন্যও এতে রয়েছে অনেক কিছু। নতুন ইউজাররা কোন ঝামেলা ছাড়ায় প্রথম ওয়েবসাইট নিজে থেকে তৈরি করতে পারেন, অপরদিকে অ্যাডভান্স ইউজারগন সাইট আরো ফ্লেক্সিবল তৈরি করেন, থিম ও প্লাগইন ডেভেলপ করেন!
সব ওয়ার্ডপ্রেস সাইট দেখতে একই, কোনই পার্থক্য নেই!
অনেকের মতে সকল ওয়ার্ডপ্রেস সাইট দেখতে একই রকমের। ওয়ার্ডপ্রেস সাইটটির ফ্রন্টএন্ড দেখতে কেমন হবে সেটা নির্ভর করে সাইটের থিমের উপরে। ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য অনেক ফ্রী থিম রয়েছে, এদের মধ্যে কিছু ফ্রী থিম মারাত্মক জনপ্রিয় আর সেই ধরণের কোন থিম ইউজ করলে, হ্যাঁ আপনার সাইটের ডিজাইন বাকিদের মতোই দেখতে লাগতে পারে।
কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, ওয়ার্ডপ্রেসের প্রিমিয়াম থিমের বিশাল ভান্ডার ও রয়েছে। অনেক প্রিমিয়াম থিম শপ StudioPress, CSSIgniter, Themify, Themeforest — এদের কাছে যেকোনো টাইপের ওয়েবসাইটের জন্য অসাধারণ থিম কালেকশন রয়েছে। প্রত্যেকটি থিম নিজস্ব কাস্টমাইজেশনের সাথে আসে, এতে একই থিম ইউজ করার পরেও আপনার থিমটিকে আলাদা ফ্লেভার যুক্ত করতে পারবেন।
তাছাড়া ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য অনেক ভিজুয়াল পেজ বিল্ডার প্লাগইন রয়েছে, যেগুলো ইউজ করে সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছা মতো আপনার সাইট ডিজাইন করতে পারবেন, আর মজার ব্যাপার হচ্ছে এর জন্য আপনাকে এক লাইন ও কোড জানতে হবে না!
ওয়ার্ডপ্রেস যদি হঠাৎ করে গায়েব হয়ে যায়?
অনেকেই ওয়ার্ডপ্রেসের ফিউচার নিয়ে আশঙ্কিত, তারা ওপেন সোর্স সফটওয়্যার কিভাবে কাজ করে এই ব্যাপারে আইডিয়া রাখেন না, কিন্তু মনে মনে ভয় পুষে রেখেছেন, যদি ওয়ার্ডপ্রেস হঠাৎ করে উধাও হয়ে যায় কোন দিন? — ওয়ার্ডপ্রেস কোন সিঙ্গেল ডেভেলপার দ্বারা নির্মিত নয়, এটা সম্পূর্ণ দুনিয়ার বিশাল এক প্যাশনেট ডেভেলপার গ্রুপ দ্বারা নির্মিত। এর ট্রেডমার্ক প্রটেক্টেড এবং ওয়ার্ডপ্রেস ফাউন্ডেশন নামক এক নন-প্রফিট অর্গানাইজেশন হচ্ছে এর মালিক।
হাজারো এবং লাখো কোম্পানি রয়েছে যারা ওয়ার্ডপ্রেস রিলেটেড প্রোডাক্ট সেল করে। অনেক কোম্পানি সরাসরি ওয়ার্ডপ্রেস কমিউনিটির সাথে সম্পর্ক যুক্ত। ওয়ার্ডপ্রেস কোন এক কোম্পানি বা পারসন বা গ্রুপের উপরে নির্ভর করেনা যে হঠাৎ করে এটা গায়েব হয়ে যাবে কোন এক দিন! এটা গোটা দুনিয়ার লাখো, কোটি মানুষের উপরে নির্ভরশীল।
ওয়ার্ডপ্রেস নিজে থেকে ফ্রী প্ল্যাটফর্ম হলেও, প্রত্যেক মাসে এটা থেকে নানান কোম্পানি মিলিয়ন ও বিলিয়ন ইউএস ডলার রেভিনিউ জেনারেট করে। তো কেউ নিজের সোনার ডিম পারা হাঁসকে কেন হারিয়ে যেতে দেবে বলুন। যদি চিন্তা করেন আলাদা প্ল্যাটফর্মের কথা, যেমন- গুগল ব্লগার — হ্যাঁ, গুগল যেকোনো মুহূর্তে চাইলে এটাকে বন্ধ করে দিতে পারে। কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেসে এমন কোনই ঝুঁকি নেই।
ক্রেডিটঃ তাহমিদ বোরহান
সোর্সঃ সহজে শিখি
© TrickBuzz.Net 2015-2020

API আসলে কি? বিস্তারিত দেখে নিন [উদাহরণ সহ]

0
আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সকলে ভালো আছেন। আজকে আমি আলোচনা করব API এর উপর এবং এর ব্যবহার এবং কিছু উদাহরণ দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করব।
একনজরে টপিক সমূহঃ
API কি ?
API এর কয়েকটি উদাহরণ
API এর ব্যবহার
প্রোগ্রামিংয়ে আমরা এখন অনেক এগিয়ে গেছি। কিন্তু এপিআই কি জিনিস তা অনেকের কাছেই ক্লিয়ার না। আর এপিআই ডেভেলপমেন্টের কথা যদি বলা হয় তাহলে অনেকেই গুগল বা ফেসবুক এপিআই এর উদাহরন দিয়ে ইতি টেনে দেয়। বাংলাদেশের সফ্টওয়্যার ফার্মগুলোর মধ্যে এপিআই এর আগ্রহ চোখে পড়ার মত, তবে এপিআই ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ভার্সিটি পর্যায়ে তেমন কোন সাড়া পাওয়া যায় না। আর তাই নতুনদের এপিআই ডেভেলপমেন্ট সর্ম্পকে কিছু ধারনা দেয়ার উদ্দেশ্যই আমার আজকের এই পোস্ট।
এপিআই কি?
এপিআই হল Application Program Interface (API) যার মাধ্যমে একটি প্রোগ্রাম আরেকটি প্রোগ্রামের সাথে  কিছু কথা (ডাটা) শেয়ার করতে পারে।
An application program interface (API) is a set of routines, protocols, and tools for building software applications. Basically, an API specifies how software components should interact. Additionally, APIs are used when programming graphical user interface (GUI) components.
তো কেন দরকার এত কথা, প্রোগ্রামদের মধ্যে এত প্রেম কেন দরকার? আমার প্রোগ্রামের ডাটা বা রিসোর্স আমি অন্য প্রোগ্রামের সাথে কেন শেয়ার করব? উদাহরনের মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করে দেখি বুঝতে পারি কি নাঃ
MS Word to API to Printer
এপিআই উদাহরন ১ :
ধরুন Canon কোম্পানি প্রিন্ট করার জন্য প্রিন্টার বানিয়েছে কিন্তু তারা তো মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা টেক্স এডিটর বানায়নি। তাহলে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড কিভাবে ঐ প্রিন্টারে প্রিন্ট দিবে?
নিশ্চই Microsoft আর Canon এর মাঝে কোন গোপন ব্যাপার-স্যাপার আছে? ধরে নিলাম আছে, তাহলে অপেন অফিস বা অন্যন্য এডিটর, গুগল ক্রোম বা অন্যান্য প্রোগ্রাম গুলো কি করবে? কিংবা আপনি যদি কোন এডিটর বানান তবে আপনি কি করবেন? তাছাড়া Canon ছাড়াও আরো অনেক প্রিন্টার আছে, আর হাজার হাজার এ্যাপ্লিকেশন আছে যেগুলো থেকে প্রিন্ট করা যায়।
তাহলে এসব প্রোগ্রাম কিভাবে প্রিন্টারের সাথে তথ্য বা ফাংশন আদান প্রদান করে? কিভাবে একটি প্রোগ্রাম প্রিন্টারকে বলবে তার ডকুমেন্টটি প্রিন্ট করে দিতে?
এ.পি.আই আসলে নতুন কিছু না। Canon বা অন্য যে কোন প্রিন্টারের সাথে কোন এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়ারের কোন সম্পর্ক নেই। দুটো প্রোগ্রামই একটি ইন্টারফেস বা মাধ্যম ব্যবহার করে যোগাযোগ করে থাকে। এই মাধ্যমকেই এপিআই বলে। মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডে প্রিন্ট কমান্ড দিলে সে এপিআই এর কাছে প্রিন্টার স্ট্যাটাস রিকোয়েস্ট করে, এবং সব ঠিক থাকলে এপিআইকে ডকুমেন্ট প্রিন্ট করতে দেয়। এপিআই প্রিন্টার কে ঐ ডকুমেন্ট টি প্রিন্ট করতে বলে। প্রিন্টারের আসলে জানার দরকার সেই কোন প্রোগ্রাম প্রিন্ট করতে বলছে , তার কাছে এটা ডকুমেন্ট আসছে সে এটা রিড করে প্রিন্ট করবে।
এপিআই উদাহরন ২ঃ
এবার একটি ছোট প্রোগ্রাম এর উদাহারন দেখা যাক !
# Open a file file = open (‘api.txt’ , ‘r’ ) # Read line line = file .readline() print line
উপরের প্রোগামটি একটি টেক্স ফাইলের [api.txt] প্রথম লাইন প্রিন্ট করবে। কিন্তু সেটা কিভাবে? আমি কি সরাসরি হার্ডডিস্ক থেকে বাইনারী ডাটা রিড করছি নাকি আমি কারো ভায়া হয়ে ডাটা পাচ্ছি?
অথবা আপনি একটি ওয়ার্ড ফাইল ওপেন করলেন, মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড প্রো.
প্রত্যেক অপারেটিং সিস্টেমের ই ফাইল হ্যান্ডেল করার জন্য ফাইল সিস্টেস এপিআই [File System API] থাকে। উইন্ডোজে NTFS এবং FAT ফাইল সিস্টেম অপারেশন হ্যান্ডেল করার জন্য এপিআই প্রদান করে থাকে , তেমনি লিনাক্সে ex2,ex3 সহ বিভিন্ন ফাইল সিস্টেম এপিআই থাকতে পারে। আমাদের প্রোগ্রামটি প্রথমে অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল সিস্টেম এপিআই’র কাছে api.txt ফাইলটি রিড করার জন্য রিকোয়েস্ট করবে। ফাইল সিস্টেম এপিআই রিকোয়েস্ট ভেরিফাই করে ডাটা রিটার্ন করবে। অনুরুপভাবে রাইট করার জন্যও একইভাবে এপিআই এর মাধ্যমে এক্সেস করতে হবে। সুতরাং এপিআই হল একটা কন্টেন্ট প্রোভাইডার বা হেন্ডেলার। তবে এই প্রোভাইডার কিছু নির্দিষ্ট শর্তে ডাটা এক্সেস দেয় আর সেই শর্তগুলোই বিভিন্ন ফাংশনে বিভক্ত থাকে। তাহলে আমরা বলতে পারি, এপিআই হল বিভিন্ন ফাংশনের সমষ্টি যা দুটো সিস্টেমের মধ্যে ডাটা আদান প্রদানের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
মি. এক্সঃ বুঝলাম এপিআই অনেক হাই লেভেলের সাবজেক্ট! অপারেটিং সিস্টেম, ডিভাইস কিংবা বড় বড় সিস্টেম বানানোর জন্য এপিআই এর প্রয়োজন! ভাই আমি অত্যন্ত সাধারন প্রোগামার, আমি এসব জেনে কি করব, ঘুমোতে গেলাম!
এপিআই কথনঃ আপনি যে টাইপের বা যে লেভের প্রোগ্রামারই হোন না কেন এপিআই কি এবং সেটা আপনার লাইফ কতটা সহজ করে দিচ্ছে তা পুরো টিউটোরিয়াল জুড়ে বিভিন্ন উদাহরনের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে।
আমি প্রোগ্রামার নই! এপিআই কি তা জেনে আমি কি করব?
আপনি যদি কোন সফ্টওয়্যার বা ওয়েব সার্ভিস বা মোবাইল এ্যাপ অথবা কোন হার্ডওয়্যার সলুশন তৈরী করতে চান কিংবা আপনি একজন ডিসিশন মেকার হন তবে API আপনার কাজে দিতে পারে।
এপিআই এর সার্বজননীন ব্যবহার
একেক রকমের ব্যবহারকারীর কাছে একেক প্লাটফর্ম বেশি পছন্দের। কেউ স্মার্ট ফোনেই তাদের বেশিরভাগ কাজ করতে পছন্দ করে কেউ পিসিতে। কেউ এন্ড্রয়েড ব্যবহার করে কেউ বা আইফোন অথবা উইন্ডোজ, ফায়ারফক্স, লিনাক্স। প্রতিনিয়ত স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়ছে, সেই সাথে বাড়ছে নতুন নতুন ও.এস। এখন আপনি যদি চান আপনি যে সিস্টেম তৈরী করবেন তা সর্বাপেক্ষা বেশি মানুষকে অফার করতে, তাহলে অবশ্যই আপনার সিস্টেমকে মাল্টিপ্লাটফর্মের জন্য উপযুক্ত করে তৈরী করতে হবে।
উদাহরনঃ আপনি প্রাত্যহিক হিসাব রাখার একটা প্রোগ্রাম বানাবেন যেটা ল্যাপটপে, এন্ড্রয়েডে, আইফোনে ইত্যাদিতে চলবে এবং সব ডিভাইসে হিসাব নিকাশ সবসময় আপডেটেড থাকবে।
সাথে সাথে আপনি চাইবেন, অদূর ভবিষ্যতে আপনি নতুন কোন অপারেটিং সিস্টেম আসলে সেটাতে যেন সহজেই ইন্টগ্রেট করতে পারেন কিংবা আপনার পিএইচপি তে করা ওয়েব এ্যাপটি এঙ্গুলার জে.এস বা এ.এস.পি তে রি-ডেভেলপ করবেন।
এক্ষেত্রে আপনি সহজেই নতুন কোন ফ্রন্টএন্ড এপিআই এর সাথে জুড়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবেন। এপিআই অনেক টা আপনার শরীর এবং শরীরে বিভিন্ন ফাংশন যেমন, হাটা, কথা বলা, অনুভুতি, ঘুমানো ইত্যাদি। আপনাকে একেক ড্রেসে একেক সময় একেক রকম লাগে। আপনার বেশভূষন বা স্টাইল যাই হোক আপনার দেহের অভ্যন্তরীন কাজ একই।
যেহেতু আপনার সিস্টেম এন্ড্রয়েড, আইফোন, পিসি সব যায়গায় একই কাজ করবে তাহলে প্রত্যেকটার জন্য আলাদা আলাদা কোড না লিখে সবগুলোর জন্য একটি ব্রেইন তৈরী করলেন যার টেকনিক্যাল নাম এপিআই।
অনেকটা আপনি আপনার মাথা কেটে কয়েকটা বিভিন্ন স্টাইলের বডিতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত করে দিলেন। এখন আপনি যদি এই ব্রেইনে কোন পরিবর্তন আনেন সাথে সাথে সব প্লাটর্ফমে কিংবা আপনার নির্ধারিত প্লাটফর্মে সেই আপডেট টা চলে যাচ্ছে ।
সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে এপিআই শুধু বিগবস-রাই ব্যবহার করে না, কারণ এটি প্রতিনিয়তই ব্যবহার করতে হচ্ছে ডেভেলোপারদেরকে, আর এর ব্যবহার শুধু হার্ডওয়্যার এবং ওএস এর মধ্যে সিমাবদ্ধ না। নিচে কয়েক প্রকার এপিআই এর উদাহরন দেয়া হলঃ
Web Service APIs, OS Functional APIs, Hardware APIs, SOAP XML-RPC JSON-RPC REST, Access to file system, Access to User Interface, Video Acceleration, Hard Disk Drivers, PCI Busses ইত্যাদি।
তো বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই, জানিনা পোস্টটা কেমন হয়েছে, এটা আমার প্রথম পোস্ট, হয়ত কিছু এলোমেলো হয়ে থাকতে পারে। আজ থেকে লেখা শুরু করলাম, সুতরাং ভুলত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন, আর হ্যাঁ, পোস্টের কিছু তথ্য ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে ।
API সম্পর্কে আরো জানতে চাইলে Google তো আছেই ! Just Search and read !
দোয়া করি সবাই ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন।
আল্লাহ হাফেজ।
লেখকঃ সিফাত
© TrickBuzz.Net 2015-2020

গুগলে যেকোনো সাইটের পোস্ট বা কন্টেন্ট ইনডেক্স করুন খুব সহজেই

0
গুগলে যেকোনো সাইটের পোস্ট বা কন্টেন্ট ইনডেক্স করুন খুব সহজেই

সার্চ কনসোল নামটা যারা গুগলের সঙ্গে পরিচিত তারা একবার হলেও হয়তো শুনেছেন? সার্চ কনসোল গুগলের একটি অংশ, ঠিক গুগল ম্যাপ, গুগল এডসেন্স, গুগল এডমোবের মতোই।

গুগলের নানান জিনিসের নানান কাজ তাহলে এই সার্চ কন্সোলের কাজ কি?

আমি একটি বাস্তব উদাহরণ দেইঃ
“মনে করুন আপনি একজন মানুষের কাছে প্রিয় হতে চান? আর সে সকলের কাছে প্রিয় আর আপনি তার কাছে প্রিয় হতে চান! তাহলে নিশ্চয় আপনাকে এমন কিছু করতে হবে যা দেখলে সে আপনাকে সবার থেকে আলাদা ভাবে দেখবে?”
ঠিক তেমনই গুগল বিশ্বের সবথেকে বড় সার্চ ইন্জিন, বেশিরভাগ ওয়েবসাইট গুলোতে গুগল সার্চ থেকে ভিজিটরস আসে। এখন আপনি যদি আপনার সাইটের কন্টেন্ট গুলো গুগলে ইনডেক্স করাতে পারেন তাহলে প্রতিদিন গুগল থেকে আপনিও ভালো পরিমাণ ট্রাফিক পাবেন। তবে এর জন্য আপনাকে ঠিক উদাহরণের মানুষটার মতো গুগলের কাছে আপনার সাইটটাকে আলাদাভাবে দেখাতে হবে।
আপনি যদি শুধু মনে মনে আশা করেন যে, না আমি কিছু করব তার মনে আমার জনয় এমনিই আলাদা ফিলিংস হবে, তাহলে আমি বলব আপনার ভাবনা ভূল!  ঠিক তেমনই গুগলের কাছে আপনার সাইটটকে একটু আলাদা না দেখালে গুগল আপনার কন্টেন্ট আপনার সাইটে গিয়ে ইনডেক্স করবে না! তার কোনো দায়বদ্ধতা নেই।
এখন সেই উদাহরণের মানুষটার কাছে আপনাকে প্রধান্য করতে কারো সাহায্য নিতে হবে তার সাথে কথা বলতে হবে, বন্ধু হতে হবে।  তাহলেই সে কিছুটা হলেও আপনাকে মনে রাখবে!
ঠিক তেমনই গুগলের কাছে আপনার সাইটকে প্রধান্য দিতে আপনাকে সার্চ কন্সোলের সাহায্য নিতে হবে, আপনার সাইটকে গুগলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে, তার সাথে সবসময় বন্ধুত্ব রাখতে হবে!
আপনি কি জানেন? আপনার সাইটের এস.ই.ও নির্ভর করে আপনার ডোমেইনের উপর, ডোমেইনের বয়স যতো বেশি হবে গুগল সেই সাইটটাকে আরো বেশি প্রধাণ্য দিবে। প্রমাণ হিসাবে নানান সাইট দেখুন এমনকি ট্রিকবিডি দেখুন 2013-01-07 তারিখে TrickBD.Com রেজিষ্ট্রেশন করা হয়। তাহলে ৭বছর আপনার ডোমেইনও ৭বছর বয়স করুন আর একটু এসইও করুন ট্রিকবিডির থেকে ফাস্ট গুগল ইনডেক্স হবে।
আর আজকে আমি ছোট্ট গোপনীয় ৫০০০৳ মূল্যোর একটি টিপস শেখবো। এই টিপস ব্যবহার করে যেকোনো পোস্ট ২মিনিটে গুগলে ইনডেক্স করাতে পারবেন। আমি নতুন করে এস.ই.ও শেখাবো না, সময় পেলে আরেকদিন।

আর আজকে আপনাকে আপনার সাইটের পোস্ট গুগলে দুমিনিটে ইনডেক্স করাতেঃ

১. আপনার সাইট সার্চ কনসোল এড করা থাকতে হবে অথবা করে নিতে হবে।
২. সার্চ কন্সল ওয়ানারশীপ ভেরিফাই করে নিতে হবে।
৩. আপনার সাইটের সাইটম্যাপ সার্চ কনসোলে এড করতে হবে।
এই দুইটা হলেই হবে এবার আসুন কাজ শুরু করিঃ
প্রথমে নিচের লিংক থেকে সার্চ কন্সলে যানঃ
https://search.google.com/search-console/welcome
এবার আপনার জিমেইল দিয়ে লগইন করুন।

 

এবার মেনুতে ক্লিক করুন।

 

এবার উপরে দেখানো জায়গায় ক্লিক করুন।

 

আপনার সাইট সিলেক্ট করুন।

 

আবারও মেনুতে ক্লিক করুন।

 

এবার URL Inspection এ ক্লিক দিন।

 

এবার উপরে দেখানে ফাকা স্থানে আপনার কন্টেন্ট লিংক দিন যেটি আপনি গুগলে ইনডেক্স করাতে চান।

 

তবে যেটা ইনডেক্স করাতে চান সেটা-
১. সার্চ কন্সলে যোগ করা সাইটের অংশ হতে হবে।
২. অবশ্যই লিংকটা সাইটম্যাপে থাকতে হবে।
এবার লিংকটা দিয়ে ইনটার করুন।

 

কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।
এবার Request Indexing এ ক্লিক করুন।

 

হয়ে গেছে।

 

 

আমার একটি পোস্ট, ৪ঘন্টাই ইনডেক্স।
ধন্যবাদ!
লেখকঃ Md Baijit Bustami

নিজেই বানান নিজের জন্য অনলাইন ভিপিএন বা প্রক্সি সাইট

0
এখন আপনিই বানিয়ে নিতে পারবেন আপনার নিজের অনলাইন ভিপিএন বা ওয়েবসাইট আনব্লকার।
যা দিয়ে আপনি আপনার আইপি এবং লোকেশান লুকিয়ে সকল সাইটে ভিজিটিং করতে পারবেন। এবং আমাদের দেশে যেসকল সাইট ব্লক বা এক্সেস পাওয়া যায় না সেই সব সাইট সহজেই ভিজিটিং এবং ডাউনলোড করতে পারবেন। এর জন্য বিরক্তিকর এড দেখা লাগবে না। নিজেই নিজের সাইট দিয়ে সকল কাজ করতে পারবেন।
জেনে নিন কিভাবে আপনি এমন সাইট বানাবেনঃ
১. প্রথমে উপর থেকে স্ক্রিপ্ট ডাউনলোড করার পর আপনার হোস্টিং এ আপলোড করে আনজিপ করুন
2. এবার আপনার মূল কাজ সেস।আপনি আপনার সাইটে যেয়ে দেখবেন সেটি কাজ করা শুরু করে দিয়েছ।
আপনার সাইট নিচের মতো কাজ করবেঃ
দেখুন কত সহজে নিজের আইপি লুকিয়ে গুগুল,ইউটিউব এ ব্রাউজিং করছি। আপনার সাইটও একই ভাবে কাজ করবে। আর সাইটের যা ডিজাইন দেখছেন,তা আপনি আপনার ইচ্ছা মত করতে পারবেন।আপনার মননবোধ দিয়ে তা আরো সুন্দর করতে পারবেন। আর এধরনের সাইট খুব সহজেই এডসেন্স পাওয়া যায়।
যেমনঃ proxysite.com, ninjaweb.Xyz, unblockvideos.com
এই সবগুলো সাইট একই স্ক্রিপ্ট এ কাজ করে। শুধু তাদের ডিজাইন ভিন্ন।
তাই দেরি না করে আপনিও বানিয়ে ফেলুন নিজের প্রক্সি ভিপএন সাইট।
লেখকঃ Zox Loop
© TrickBuzz.Net 2015-2020

ডট বিডি ডোমেইন কিনলে ‘ডট বাংলা’ ফ্রি দেবে সরকার

0
দেশের রাষ্ট্রীয় ডোমেইন নাম ‘ডট বিডি’ কিনলে উপহার হিসেবে পাওয়া যাবে টপ লেভেল কান্ট্রি ডোমেইন ডট বাংলা। ডট বাংলার জনপ্রিয়তা এবং বহুল ব্যবহার বাড়াতে ডট বাংলা বিনামূল্যে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরইমধ্যে প্রস্তাবনা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিষয়টির অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, ডট বাংলা দেশের টপ লেভেল কান্ট্রি ডোমেইন। যেসব ওয়েবসাইট ডট বাংলায় নিবন্ধন করবে, সেসব সাইটে ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি বাংলায় ইউআরএল ঠিকানা লিখেও প্রবেশ করা যাবে। চালুর পর থেকে প্রায় হাজারের মতো প্রতিষ্ঠান ডট বাংলায় নিবন্ধন করেছে। ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডট বাংলা ডোমেইন উদ্বোধন করেন। বর্তমানে বাংলায় বিটিসিএল.বাংলা, আনন্দপত্র.বাংলা ইত্যাদি সাইটগুলোতে ঠিকানা লিখে প্রবেশ করা যাচ্ছে। চোখের সামনে পর্দায় ভেসে উঠছে বাংলা সাইট।
রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ডট বাংলা ও ডট বিডির নিবন্ধনকারী প্রতিষ্ঠান। শুরুতে ডট বিডির নিবন্ধন চার্জ ছিল ৮০০ টাকা (ভ্যাট ছাড়া)। অন্যদিকে ডট বাংলা নিবন্ধন চার্জ ছিল ভ্যাট ছাড়া ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া কিছু ডোমেইন রিজার্ভ (সংরক্ষিত) রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল ডট ওআরজি। চাইলেই এগুলো সবাইকে নিবন্ধন করতে দেওয়া হতো না। ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার প্রথমবার দায়িত্ব নিয়ে ২০১৮ সালে ডট বাংলা ও ডট বিডির নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে সহজ করেন এবং চার্জও কমিয়ে দেন। অন্যদিকে রিজার্ভ থাকা ডট ওআরজিকেও উন্মুক্ত করে দেন।
জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘ডোমেইন নাম খাত সংশ্লিষ্টদের সবারই প্রয়োজন। কিন্তু সাধারণ মানুষ তা পাচ্ছিল না। আমি দায়িত্ব নিয়ে বিষয়টি সহজ করার চেষ্টা করেছি। দাম কমিয়েছি ডট বাংলার।’ দাম বেশি হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমি তখন জানিয়ে দিই— ডট বিডির ডোমেইন চার্জ ৮০০ টাকার মধ্যে হতে হবে ভ্যাটসহ। অন্যদিকে ডট বাংলার নিবন্ধন চার্জ ২৫ হাজার থেকে কমিয়ে ৮০০ টাকায় নিয়ে আসি। আমরা চাই, সবাই এটা ব্যবহার করুক। সবার সাধ্যের মধ্যে থাকুক।’
ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমরা চাই, ডট বাংলাকে জনপ্রিয় করতে। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ডট বাংলার দাম কমিয়েছি। এজন্য আমাদের অনেক হিসাব-নিকাশ করতে হয়েছে। বিটিসিএলের সঙ্গে বসে হিসাব করে দেখেছি, ডট বিডির সঙ্গে যদি ডট বাংলা ফ্রি দেওয়া যায়, তাহলে বেশিরভাগ মানুষই ডট বিডি ডোমেইন কিনতে উৎসাহী হবেন। আমরা প্রচুর ডট বাংলা সাইট পাবো।’ তিনি বলেন, ‘কান্ট্রি ডোমেইন হলো সেই দেশের ভার্চুয়াল পতাকা। কোনও ইউআরএল ঠিকানার শেষে ডট বিডি থাকা মানে বিশ্বের যেকোনও প্রান্তের মানুষ বুঝতে পারবেন, এটা বাংলাদেশের সাইট। ডট বিডি থাকা মানে সাইটের সঙ্গে দেশের পতাকাটাও জুড়ে থাকা।’
তিনি বলেন, ‘এখন সব বন্ধ। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরে অফিস খুললে এটার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে। আমরা দেখেছি সর্বস্তরে বাংলার ব্যবহার বাড়ছে। এ দেশের জনগণ নিজের ভাষায় পড়তে চায়। ফলে বাংলাতে আমাদের আসতেই হবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, আইকানের সঙ্গে ‘ড়,’ ‘ঢ়’ ‘য়’ বর্ণ নিয়ে যে সমস্যা ছিল, তা দূর হয়েছে। বর্ণগুলোকে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। নোকতাকে অপসারণ করা হয়েছে। ফলে বাংলায় সাইট করতে আর কোনও সমস্যা থাকলো না।’
তো আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং ট্রিকবাজের সাথে থাকবেন, ধন্যবাদ।
লেখকঃ 
© TrickBuzz.Net 2015-2020

মৃত্যুর সময় মানুষের ঈমান নষ্টে শয়তানের কৌশলসমূহ

0
মৃত্যুর সময় মানুষের ঈমান নষ্টে শয়তানের কৌশলসমূহ

শয়তান কিয়ামত পর্যন্ত মানুষকে পথভ্রষ্ট করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাবে। মানুষের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শয়তান চেষ্টা করে মানুষকে পথভ্রষ্ট করতে। হাদিসে এসেছে, জান কবজের সময় শয়তান মৃত্যুর পদযাত্রীকে সম্বোধন করে বলে, ”হে বান্দা! তুমি যদি এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে চাও, তবে ইসলাম ধর্ম পরিত্যাগ করে দুইজন খোদার অস্তিত্ব স্বীকার করে নাও।”
মৃত্যুর কষ্ট এবং যন্ত্রণা অনেক ভয়ানক। এই ভয়ানক এবং সংকটময় মুহূর্তে ঈমান রক্ষা করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশী কঠিন হয়ে পড়ে দুনিয়ার জীবনে যারা কম নেকী অর্জন করেছে।
হাদিসে এসেছে, জান কবজের সময় মুমূর্ষু ব্যক্তি পিপাসায় ও হৃৎপিণ্ডের যন্ত্রণায় কাতর ও অস্থির হয়ে যায়। তখন সে পানির তৃষ্ণায় কাতর হয়ে যায়। এমন সময় বান্দা যখন পিপাসায় কাতর হয়ে যায়, তখন শয়তান এক পেয়ালা বরফ পানি নিয়ে বান্দার সামনে উপস্থিত হয় এবং পেয়ালাটি আন্দোলিত করতে থাকে। অধিকাংশ সময় তখন কাতর বান্দা ভুল বশত: শয়তানের নিকট পানি চায়।
শয়তানের কৌশল
উত্তরে শয়তান বলে, “হে বান্দা! তুমি যদি এই কথা বল যে, এই বিশ্ব জগতের কোন প্রতিপালক নাই, তাহলে তোমাকে আমি এই পানি পান করতে দিব।” এতে বান্দা যদি কোন উত্তর না দেয়, তবে শয়তান পুনরায় তার নিকট বসিয়া পানির পেয়ালা নাড়াচাড়া করতে থাকে।
তখন অনেক বান্দা বলে, “আমাকে কিছু পানি দাও।” উত্তরে শয়তান বলে, “হে বান্দা! তুমি যদি বলতে পার যে, রসূলগণ মিথ্যা কথা প্রচার করে গেছে, তাহলে তোমাকে পানি পান করতে দিব। এমতাবস্থায় যাদের ভাগ্য খারাপ এবং দুনিয়ার জীবনে ঠিকমত ইসলাম পালন করেনি তারা পিপাসার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে শয়তানের  ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করে বেঈমান হয়ে মৃত্যুবরণ করে।
অপর দিকে ধর্ম-ভীরু ও আল্লাহ ভক্ত ব্যক্তি ঈমানী শক্তির প্রভাবে শয়তানের কূটকৌশল থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে সক্ষম হয় এবং ঈমানের সহিত মৃত্যুবরণ করার সৌভাগ্য হয়।
বিখ্যাত সুফি আবু জাকারিয়া রহ. এর জান কবজের সময় তার এক প্রিয়তম বন্ধু তাকে কালেমায় শাহাদাত পড়তে বলেন; কিন্তু আবু জাকারিয়া রহ. কিছু বললেন না এবং মুখ অন্যদিকে ফিরেয়ে নিলেন। দ্বিতীয়বারও তিনি একই কাজ করলেন। তৃতীয়বারের সময় বললেন, “আমি এটা বলবো না।”
ফলে তাঁর বন্ধু কিছুটা বিচলিত ও চিন্তিত হয়ে গেলেন। এইভাবে কিছুক্ষণ অতিবাহিত হওয়ার পর আবু জাকারিয়া রহ. এর যন্ত্রণার তীব্রতা কিছুটা কম অনুভব করার পর চোখ খুলে বললেন,”হ্যাঁ বন্ধু! তুমি কি আমাকে কোন কথা জিজ্ঞাসা করেছিলে?” তার বন্ধু বললেন,”হ্যাঁ আমরা আপনাকে তিনবার কালিমায় শাহাদাত পড়তে বলেছিলাম আপনি দুইবার মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন এবং তৃতীয়বারের সময় বলেছিলেন, আমি এটা বলবো না।”
তখন সুফি জাকারিয়া রহ. বললেন,”বিতাড়িত ইবলিশ শয়তান এক পেয়ালা পানিসহ আমার ডানদিকে দাঁড়িয়ে পানির পাত্রটি নাড়াচাড়া করে আমাকে জিজ্ঞাসা করলো,”হে বান্দা! তুমি কি পানি পান করবে?” আমি উত্তর দিলাম,”হ্যাঁ পান করবো।” তখন শয়তান বলল,”যদি তুমি বল যে, হযরত ঈসা আঃ আল্লাহর পুত্র ছিলেন, তাহলে আমি তোমাকে পানি পান করতে দিব।”
একথা শোনার পর আমি মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলাম। তারপর শয়তান পায়ের নিকট এসে সেই একই কথা বলল, তখনও আমি মুখ ফিরিয়ে নিলাম। তৃতীয়বার যখন শয়তান এসে আমাকে বলিল-”তুমি অন্তত বল, লা-ইলাহা অর্থাৎ কোন উপাস্য নেই।” এর উত্তরে আমি বললাম, আমি কখনও এই কথা বলবো না।
এই কথা শুনে শয়তান পানির পাত্র মাটিতে নিক্ষেপ করে চলে গেল। আমি শয়তানের কথার উত্তর দিয়েছি মাত্র। আমি তোমাদের কথার উত্তর দেই নাই। আমি এখন সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, “আল্লাহ তায়ালা ব্যতীত আর কোন উপাস্য নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হযরত মুহাম্মদ সাঃ আল্লাহর বান্দা এবং রাসূল।[১]
শয়তানের চক্রান্ত থেকে মুক্তির উপায়
মৃত্যুর সময় শয়তানের চক্রান্ত থেকে মুক্তির উপায় হলো দুনিয়ার জীবনে মুমিন থাকা। আল্লাহর নিকট অধিক পরিমাণে অশ্রু বর্ষণ এবং রাত্রি জাগরণ করে আল্লাহর নিকট রুকু সিজদায় মশগুল থাকা জরুরি। আল্লাহর হুকুম সূমহ সঠিকভাবে পালন করা। হযরত ইমাম আবু হানিফা রহ. কে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, “হুজুর! কোন কাজে ঈমান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশী?” প্রত্যুত্তরে তিনি বললেন, 
ঈমানের শুকরিয়া আদায় না করলে।জীবনের শেষ মুহূর্তকে ভয় না করলে।আল্লাহ তায়ালার বান্দাদের উপর জুলুম ও অত্যাচার করলে।
এসব কাজের দ্বারা ঈমান নষ্টের সম্ভাবনা থাকে। যাদের মধ্যে এই তিনটি দোষ বিদ্যমান, ইমাম আবু হানিফা রহ. মতে তারা সকলেই বেঈমান হয়ে মৃত্যুবরণ করতে পারে। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা যদি কারও ভাগ্যবলে ঈমান নষ্ট না করে তবে সে ঠিক থাকবে।[১]
শেষ কথা
ঈমানের সাথে মৃত্যুবরণ করাই একজন মুমিনের লক্ষ্য হওয়া উচিত। মৃত্যুকালে মানুষের অবস্থা অনেক গুলো ভাগে বিভক্ত। হযরত মানসুর ইবনে আম্মার রাঃ বলেন, মুমূর্ষু ব্যক্তির অবস্থাকে মোটামুটি ৫ ভাগে ভাগ করা যায়-
১. তার ধন সম্পদ উত্তরাধিকারের মধ্যে বণ্টন করে দেয়া হয়।
২. মালাকাল মউত রূহ নিয়ে নেয়।
৩. দেহের মাংস কীট পতঙ্গে খেয়ে ফেলে।
৪. হাড় অস্থি মাটির সাথে মিশে যায়।
৫. সৎ কাজ গুলো তার হকদাররা নিয়ে যায়।
কেউ ধন সম্পদ হারালে কোন ক্ষতি নেই বরং ক্ষতি নিজের দামী ঈমান হারালে।
সূত্র:
১. দাকায়েকুল আখবার: ইমাম গাযযালী রহ.
লেখকঃ MD Shakib Hasan
© TrickBuzz.Net 2015-2020

যে অ্যাপ ও ওয়েবসাইটগুলো চীনে নিষিদ্ধ

0
blocked website in china

ভারত ৫৯ চীনা অ্যাপ ব্লক করে সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে। তবে চীনও কম যায় না। বহু আগে থেকেই বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ ও ওয়েবসাইটগুলো ব্লক করে রেখেছে তারা। তাদের ইন্টারনেট সেন্সরশিপ বেশ কঠোর বলে তা চীনের দ্য গ্রেট ফায়ার ওয়াল নামেও পরিচিত।
চীনে কোন কোন অ্যাপ ও ওয়েবসাইট নিষিদ্ধ তার একটি তালিকা দেওয়া হলো-
১. গুগল
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনটি চীনে ২০১০ সাল থেকে ব্যবহার করা যায় না। দেশটিতে গুগলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয় বাইদু।
২. ফেইসবুক
২০০৯ সালেই ফেইসবুক বন্ধ করে দিয়েছে চীন সরকার। ফলে দেশটির বাসিন্দারা ফেইসবুকের বিকল্প হিসেবে উইচ্যাট ব্যবহার করেন। তবে কেউ ভিপিএন দিয়ে ফেইসবুক চালালে তা অবৈধ বলে গণ্য হয় না।
৩. টুইটার
মাইক্রোব্লগিং সাইটটি ২০০৯ সাল থেকেই ব্লক। চীনে টুইটারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয় উইবো।
৪. ইউটিউব
সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে ৫ মাসের জন্য বন্ধ রাখা হয় ইউটিউব। এর পরে ২০০৯ সালে আবারও বন্ধ করা হয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মটি। চীনে ইউটিউবের চাহিদা পূরণে রয়েছে ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার তৈরি ইউকো ডটকম ও টেনসেন্ট ভিডিও।
৫. ইনস্টাগ্রাম 
ফেইসবুক মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রাম চীনে ব্লক ২০১৪ সাল থেকে। চীনা প্রযুক্তি কোম্পানি টেনসেন্টের উইচ্যাটই সেখানে ইনস্টাগ্রামের বিকল্প।
৬. জিমেইল
গুগলের ইমেইলে সেবাটি চীনের কোনো এলাকা থেকেই ব্যবহার করা যায় না।
৭. হোয়াটসঅ্যাপ
চীনে হোয়াটসঅ্যাপও নিষিদ্ধ। ২০১৭ সাল থেকে সেখানে হোয়াটস অ্যাপ বন্ধ। দেশটিতে হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প হিসেবে কিউকিউ ব্যবহৃত হয়।
৮. গুগল ম্যাপস
গুগলের অন্যান্য সেবার মতো গুগল ম্যাপসও চীনে বন্ধ। বাইদু সার্চ ইঞ্জিনের তৈরি ম্যাপই ব্যবহৃত হয় দেশটিতে।
৯. কোরা
বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানানোর সাইট কোরাও বন্ধ করেছে চীন সরকার। এর বদলে সেখানে ব্যবহৃত হয় ঝিহু।
১০. টিন্ডার
চীন থেকে ডেটিং সাইট টিন্ডারেও প্রবেশ করা যায় না। চীন এর বিকল্প হিসেবে তৈরি করেছে মমো অ্যাপ।
লেখকঃ সজিব
ফটোঃ vpnMentor
সূত্রঃ TechShohor.Com
© TrickBuzz.Net 2015-2020

Symphony Z30 স্মার্টফোনের বাংলা রিভিউ

0
প্রায় বছর খানেক বিরতির পর আমাদের স্টুডিওতে চলে এসেছে সিম্ফনির একটি স্মার্ট ফোন, ভেরি স্টাইলিশ গর্জিয়াস লুকের এবং এই ফোনটি নিয়ে বাজেট স্মার্টফোন ইউজারদের মধ্যে এক ধরনের হাইপো তৈরি হয়েছে।
হ্যাঁ বলছিলাম symphony z30 এর কথা ফোনটা আমি প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে ইউজ করছি ভালো-মন্দ অনেককিছুই লক্ষ্য করলাম। এবং সেসব কথাই আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে।
শুরুতেই চলুন জেনে নেয়া যাক এর বক্সে কি কি থাকছে
Z30 এর বক্সটি একদম সিম্পল এবং একই সাথে অনেক স্লিম ফোনটার রেয়ার সাইডে ফোনটি সম্পর্কে যাবতীয় ইনফরমেশন পেয়ে যাবেন।
তো বক্সের ভিতরে থাকছে সিম্ফোনি জেড থার্টি স্মার্টফোনটি একটি ১০ ওয়াট এর চার্জার মাইক্রো ইউএসবি চার্জিং কেবল , একটি ইয়ারফোন, ওয়ারেন্টি পেপার, এবং একটি ব্যাক কভার।
পোস্টের শুরুতে বলেছিলাম ফোনটির লুকের দিক থেকে বেশ আই ক্যাচি রেয়ার পার্ট টি খুবই সায়নী, যা দেখতে বেশ ভালো লাগে।এটা দেখতে অনেকটাই গ্লাসের মত কিন্তু আমার এক্সপিরিয়েন্স এ মনে হয়েছে এটা প্লাস্টিক বা ডিফারেন্ট কোন মেটেরিয়াল।
তো মেটেরিয়াল যেটাই হোক এই ব্যাকপাট এর কারণে ফোনটা দেখতে বেশ প্রিমিয়াম লেগেছে আমার কাছে।
এর ফেম হিসেবে থাকছে প্লাস্টিক উপর থেকে নিচের দিকে একটা কালার দেখা যায় যেটা অনেকের কাছে ভালো লাগতে পারে।
এবার দেখে নেয়া যাক এর ইন এন্ড আউট এর ক্ষেত্রে কি কি থাকছে
এর রিয়ারে থাকছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার পজিশন ওকে আনলক রকেট গতিতে হয়ে যাচ্ছিল, ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর পাশাপাশি ফেস আনলক এর মত ফিচারও পাচ্ছেন যা দিনের আলোতে বেশ ভালই কাজ করে।
তবে এটি কিছুটা স্লো মনে হয়েছে আমার কাছে ‌!
ফোনটির নিচের দিকে থাকছে মাইক্রো ইউএসবি চার্জিং পোর্ট মাইক্রোফোন এবং স্পিকার এটার সাউন্ড কোয়ালিটি খুব বেশি লাউড না তবে ইনডোর ইউজের জন্য ঠিক আছে।
টপে থাকছে একটি 3.5 এমএম হেডফোন জ্যাক এবং তার পাশেই থাকতে সেকেন্ডারি নয়েজ ক্যান্সলেশন মাইক্রোফোন যা দেখে আমি রীতিমত টাশকি খেয়ে গেছি। কারণ বাজেট ফোনে সেকেন্ডারি মাইক্রোফোন খুব একটা দেখতে পাওয়া যায় না।
এর ডানদিকে থাকছে পাওয়ার বাটন ভলিয়ম রকার্স এবং বামদিকে থাকছে ট্রিপল সিম কার্ড ট্রে এবং একটি ডেডিকেটেড গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট বাটন যেটা প্রেস করলেই গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু হয়ে যায়।
আর এই ফোনে এখনো নোটিফিকেশন এলইডি থাকছে সো এই ব্যাপারটা বেশ ভালো লাগলো!
তো পার্ট এন্ড বাটন এর ক্ষেত্রে এটি মোটামুটি সবকিছুই থাকছে, এবার কথা বলা যাক এর ডিসপ্লে নিয়ে।
এর ডিসপ্লেটি বেশ বড় সড় সাইজের আকারে যা ৬.৫২ ইঞ্চির বড়োসড়ো ডিসপ্লে যারা পছন্দ করেন তাদের জন্য আনন্দের খবর! তবে যারা ডিসপ্লের ক্লিয়ারিটি কে অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন তাদের জন্য কিছুটা খারাপ খবর হতে পারে। এটি ইন সেল এইচডি প্লাস প্যানেল তাই সার্ফনেচ অতটা বেটার না! তবে রিয়েলিটি হচ্ছে বাজেট ফোনে এর থেকে হাই রেজুলেশনের ডিসপ্লে কেউ আসলে দেয় না।
এর পিক্সেল ডেনসিটি ২৬৯ এবং রেজুলেশন 720×1600 তো সার্ফ নেচের এই ব্যাপারটা ছাড়া এই ডিসপ্লেটি অনেক ভালোই ছিল!
এটি যথেষ্ট রেস্পন্সিভ প্যানেল ভিউ অ্যাঙ্গেলে নেগেটিভিটি নেই এবং কালার ও এনাফ ছিল।
এর ডিসপ্লের উপরের দিকে একটি ছোট্ট কিউট নস থাকছে কিন্তু এর লোআর চীন অনেকটাই বেশি ছিল যা ২০২০ তে কিছুটা বেমানান! আরেকটি বিষয় হলো ডিরেক্ট সানলাইট এ ডিসপ্লের ব্রাইটনেস আমার কাছে কিছুটা কম মনে হয়েছে।
এবার এই ফোনের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলা যাক!
রেম হিসাবে থাকছে ৩ গিগাবাইট এবং রম হিসেবে থাকছে ৩২ গিগাবাইট ৬৪ হলে অবশ্যই বেটার হতো কিন্তু বাজেট বিবেচনা এটাই মেনে নিতে হচ্ছে।
তবে এতে আলাদা এইচডি কার্ড ব্যবহার করে ষ্টোরেজ ১২৮ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
প্রসেসর এর ক্ষেত্রে ফোনটির মধ্যে থাকছে মিডিয়াটেক হেলিও A22 যেটি একটি অক্টাকোর প্রসেসর! এবং এর ক্লক স্পিড ম্যাক্সিমাম ১.৮ গিগাহার্জ,
জিপিইউ হিসেবে এর সঙ্গে থাকছে PowerVR GE8320 এবং এই সাপটি একদমই এন্ট্রি লেভেলের।
রেগুলার ইউজে আমার এক্সপেরিয়েন্স এ এই ফোনটি বেশ ভালো পারফর্ম করছে এতে অ্যান্ড্রয়েড ১০ থাকছে এবং এর ইউ আই অনেকটাই স্টক এন্ড্রয়েডের মত! তাই অ্যাপ ওপেনিং টুকটাক মাল্টিটাস্কিং এ আমি কোন ইস্যু পাইনি। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে এর স্টোরেজ যতটা ফাঁকা থাকবে ততটা পারফরম্যান্স ভালো পাবেন।
গেমিং এর ক্ষেত্রে এতে আমি বেশ কয়েকটি বড় গেম প্লে করেছিলাম লাইক মিডিয়াম গ্রাফিক্স এ সেটিংসে পাবজি প্লে করেছি যা বেশ ভালই পারফর্ম করেছে! সেকন্ডলি ট্রাই করেছি কল অফ ডিউটি এই গেমটি মোটামুটি লো বাজেটে ফোনেও প্লে করা যায় এবং কল অফ ডিউটি প্লে ইং মাস্ট বেটার।
ফেম ড্রপ খুব একটা ছিল না ওভারঅল এতে বেটার গেমিং এক্সপেরিয়েন্স পেয়েছি। অন্যদিকে ফ্রী ফায়ার এ ফ্রেম ড্রপ একদমই ছিলনা তবে এই গেমটি প্লে করার সময় ডিসপ্লে তে খুব একটা রেস্পন্সিভ ছিলনা,
তবে অভেরাল আমি বলব জেড থার্টি গেমিং কোন ডিভাইস না হলেও বাজেট বিবেচনায় এর গেমিং পারফর্মেন্স ছিল অস্থির! হিটিং এর ব্যাপারে বলা যায় দু-একটা পাবজি ম্যাচ খেলার পরেও এতে খুব একটা হিট আমি পাইনি।
বাট কন্টিনিয়াসলি প্লে করলে এক পর্যায়ে ফোনটি অবশ্যই কিছুটা হিট হয়ে যাবে এবং পারফরম্যান্স ও ড্রপ করবে। তবে রেগুলার ইউজের ক্ষেত্রে এই ফোনের হিটিং ইস্যুর কোন ব্যাপারই ছিল না।
এবার একটু অন্যান্য সেগমেন্ট নিয়ে কথা বলা যাক!
যেমন সেন্সরের ক্ষেত্রে সিম্ফোনি আমাকে বরাবরই হতাশ করেছে এবারও তার ব্যতিক্রম কিছু না, এতে মস্ট এসেনশিয়াল একটি সেন্সর মানে জায়রোস্কোপ সেন্সর থাকছে না। তাই এটি কোন ধরনের কম্পাস ব্যবহার করতে পারবেন না!
তবে এতে প্রক্সিমিটি এবং লাইট সেনসর থাকছে। built-in এফএম রেডিও পাচ্ছেন সো জারা রেডিও শুনতে পছন্দ করেন তাদের জন্য প্লাস পয়েন্ট।
এর কল কোয়ালিটি বেশ ভালো ছিল ভোল্টি সাপোর্ট এতে এয়ার পিস মোটামুটি লাউড ছিল এবং কল রেকর্ডিং এর ও অপশন থাকছে।
এই স্মার্টফোনের ইম্প্রেসিভ একটি ব্যাপার ছিল এর বিগ ব্যাটারি এতে ৫০০০ মিলি এম্পিয়ার এর ব্যাটারী থাকছেতাই যেকোনো ধরনের ইউজারই ফোনটি থেকে একদিনের বেশি ব্যাকআপ পাবেন।
তবে এর সাথে থাকা চার্জারটি ১০ ওয়ার্ডের তাই ফোনটি ফুল চার্জ হতে প্রায় ৩ ঘন্টার মতো লেগে যাচ্ছিল আমার মনে হয় বিগ বেটারি দিলে ফাস্ট চার্জিং এর ব্যাপারটা ও মাথায় রাখা উচিত।
এবার লাস্ট সেগমেন্টে মানে ক্যামেরা নিয়ে কথা বলছি!
সিম্ফোনি z৩০ তে ইন টোটাল চারটি ক্যামেরা থাকছে রিয়ার এ ক্যামেরা হিসেবে থাকছে ১৩ মেগা পিক্সেলের এবং তার সাথে থাকছে ৫ মেগা পিক্সেলের আল্ট্রা হোয়াইট এবং ২ মেগাপিক্সেল ডিপ সেন্সর!
আর সেলফি তোলার জন্য ফ্রন্টে থাকছে ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা!
এক কথায় বলব এই ফোনটির ক্যামেরায় যা রেজাল্ট দিয়েছে যা আমার এক্সপেক্টেশন এর থেকেও কিছুটা বেটার ছিল এটলিস্ট ডেলাইট ছবিগুলোর ক্ষেত্রে,
ডেলাইট এ তোলা ছবির কালার অলমোস্ট ন্যাচারাল ডিটেল ডিসেন্ট এবং সার্ফনেচ ও বেটার ছিল। তবে এই ক্যামেরায় উইকনেস হচ্ছে ডাইনামিক রেঞ্জ যদিও এতে এইচডিআর অপশন থাকছে কিন্তু সেটা খুব একটা হেল্প ফুল ছিল না!
এতে তোলা পোর্ট্রেট মোড এ তোলা ছবিগুলোও ন্যাচারাল ছিল বুকে এমন অ্যাডজাস্ট করে নিতে পারবেন তবে S ডিটেকশন সবসময় পার্ফেক্ট থাকেনা।
মেন ক্যামেরার মত এর ৫ মেগা পিক্সেলের আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেলের ছবিও বেশ ভালো ছবি ক্যাপচার করেছে। যাতে ওয়াইড ভিউ ক্যাপচার করা যাচ্ছিল খুবই চমৎকার এবং ওভারঅল আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা টিও অস্থির ছিল।
অন্যদিকের low-light সিচুয়েশনে এই ফোনে তোলা ছবিগুলো খুব একটা ইম্প্রেসিভ ছিলনা স্পেশালি ডিটেলের ক্ষেত্রে আলো কমে গেলে ডিটেল অনেকটাই কমে যায় সেইসাথে ফোকাস ও সফট হয়ে আসে + লো লাইট শাটার লেগ ও দেখতে পাওয়া যায়।
সো দিনের আলোর ক্ষেত্রে যেমন ক্রিসপি ছবি পাওয়া গেছে এর ক্যামেরায় কিন্তু লো লাইট এর ক্ষেত্রে সেরকমটা থাকছে না।
আর এর ৮ মেগাপিক্সেলে সেলফি ক্যামেরা ছবি কালার এবং সাফনেস এর ক্ষেত্রে বেটার ছিল ফ্রন্ট ক্যামেরায় প্রটেক্ট মুড থাকছে না এবং এই ক্যামেরার ডায়নামিক রেঞ্জ ও খুব একটা বেটার ছিল না।
এবার আজকের পোস্টটি রেপআপ করা যাক symphony z30 এর অফিশিয়াল প্রাইস ৯,৯৯০ টাকা বাজেট ফোন হিসেবে আমি বলব মোটামুটি এই ফোনে সব ফিচারই থাকছে। বাট মনে রাখবেন এটি একটি বাজেট স্মার্টফোন নট ফর হেভি ইউজারস অর সিরিয়াস গেমারস। যারা ১০,০০০ টাকা বাজেটের মধ্যে একটি গুড লুকিং ডিভাইজ চান তাদের জন্য এই ফোনটি সাজেস্ট করা একদমই ইজি! এবং এর ক্যামেরা ও এই বাজেটে অস্থির ছিল।
যাইহোক এটা আমার পার্সোনাল অপিনিওন তবে এই ফোনটি নিয়ে আপনি কি ভাবছেন সেটা আমি জানতে চাই! আপনাদের জন্য কমেন্ট সেকশন খোলা সো কমেন্ট করে জানিয়ে দিন সিম্ফোনি z৩০ আপনার কাছে অভার অল কেমন মনে হলো।
আর পোস্টটি ভাল লাগলে বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার করতে ভুলবেন না আশা করি, আজকের মত আমি রাতুল এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন অনেক ভালো।
লেখকঃ রাতুল আহমেদ
© TrickBuzz.Net 2015-2020

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে কাজ পাওয়ার কিছু সহজ কৌশল জেনে হয়ে উঠুন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার

0
ফ্রিল্যান্সিংয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ, যেখানে খুশি, যেভাবে খুশি ইত্যাদি নানা সুবিধার কারণে ক্রমেই এই পেশাতে আগ্রহ বেড়েই চলেছে। অন্যান্য কাজের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করার সুযোগও রয়েছে। কেউ কেউ আছেন, যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই কাজ পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ আছেন, যাঁরা ১০০টা আবেদন করেও পান না। এটা অনেকটা নির্ভর করে আপনি কত কম অর্থে (ডলার) কাজটি করে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তার ওপর। যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না, তাদের কাজে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে ভাড়া করতে হলে বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড হতে হয়।
Online marketplace সহজে কাজ পাওয়ার তেমনই কিছু কৌশল এখানে জানানো হলো।
১. প্রোফাইল তেরির সময়ই আপনার আগের করা ভালো কিছু কাজের স্যাম্পল জুড়ে দিতে পারেন। এগুলো দেখে বায়ার আপনার কাজের মান সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন।
২. আবেদন করার আগে অবশ্যই কি কাজ করতে হবে, বায়ার কি চায় সেটি ভালোভাবে দেখে নিবেন। বায়ারের সঙ্গে সাক্ষাতকালে অবশ্যই কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিবেন। আপনি কিভাবে কাজটি সম্পন্ন করবেন সেটি জানাবেন ও একই ধরণের কাজ আগে করে থাকলে সেটি দেখাবেন।
৩. সবসময়ই কম মূল্যে আবেদন করলে কাজ পাবেন এমনটি নয়! কাজের ধরণ ও আপনার কাজের মান অনুযায়ী আবেদন করবেন। তবে প্রাথমিকভাবে কাজ পেতে উচ্চ রেটে আবেদন না করাই ভালো।
৪. বায়ারের আগের কাজগুলো দেখুন। তাহলে সেখান থেকে কাজের মূল্য সম্পর্কে একটা ধারণা পাবেন। ফিক্সড রেটের কাজ হলেতো সেটা জানার প্রয়োজন নেই।
৫. যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না সেসব বায়ারের কাজে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে ভাড়া বা হায়ার করতে হলে তার পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড থাকতে হয়। পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না থাকা বায়ারের কাজ করলে প্রতারিত হতে পারেন।
৬. ঘন্টাভিত্তিক কাজের ক্ষেত্রে আপনি কখনোই আপনার নির্ধারিত রেটের নিচের রেট বলবেন না। তাহলে পরবর্তীতে বেশি রেটে কাজ পেতে অসুবিধা হতে পারে।
৭. জব পাবলিশ হওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবেদন করা ভালো। এতে বায়ারের নজরে পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
৮. যত বেশি সময় সম্ভব অনলাইনে থাকার চেষ্টা করবেন। কারণ মার্কেটপ্লেসে কিছু কিছু কাজ কম সময়ের মধ্যে করার জন্য অনেকেই জব পোস্ট করে। তাই অনলাইনে থাকলে এগুলো আপনি ধরতে পারেন। এছাড়া আপনার আবেদন করা কাজের বায়ার কোনো মেসেজ দিলে কিংবা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে আপনি দ্রুত তার উত্তর দিতে পারবেন।
৯. যেসব কাজে Freelancer/ কনট্রাক্টরের সাক্ষাতকার নেওয়া হয়েছে সেগুলোতে আবেদন না করাই ভালো। কারণ আপনার আবেদন করার আগেই যদি বায়ার কাঙ্খিত কনট্রাক্টর পেয়ে যান, তাহলে আপনার আবেদন চেক করবে না।
১০. কোনো কাজ ভালোভাবে না পারলে কিংবা না বুঝে আবেদন করবেন না। এতে আপনার পরবর্তীতে ভোগান্তি হবে ও খারাপ ফিডব্যাক পেতে পারেন।
কভার লেটার লেখার নিয়ম
আপনি যদি নিয়মিত বিড করে থাকেন, তারপর ও কোন কাজ না পান তাহলে আপনার কভার লেটার টা একটু অন্যরকম ভাবে লেখার চেষ্টা করুন। ক্লায়নেটের জাগায় আপনাকে চিন্তা করুন। কিভাবে একজন এপ্লাই করলে আপনি তাকে হারায় করতেন। আশাকরি কাজ হবে। সবাই চায় অভিজ্ঞতা। আপনার কভার লেটারে আপনি নিজে শেখার সময় যে কাজ গুলো করেছেন, সেগুলো দিতে পারেন। কভার লেখার নিয়ম বলতে আসলে কিছু না। বিশাল একটা মেসেজের থেকে সিম্পল, সরাসরি কাজের কথা দিয়ে কভার লেটার লিখলে সহজেই ক্লায়েন্টের আকর্ষন পাওয়া যায়। জব পোস্টটি পড়বেন, এরপর ক্লায়েন্ট কি কোন প্রশ্ন করেছে কিনা, সে গুলো কভার লেটারে উল্ল্যেখ করবেন। আপনার কোন প্রশ্ন আছে কিনা, সে প্রশ্ন করবেন। আপনি কিভাবে কাজটি সম্পুর্ণ করবেন তা লিখবেন। কেন আপনি জবটি কমপ্লিট করতে পারবেন, তা লিখবেন। এভাবেই পারফেক্ট কভার লেটার লিখে ফেলতে পারবেন।। অন্য কাউকে ফলো না করে নিজের মনের থেকে যেটা লিখতে ইচ্ছে করবে তাই লিখবেন কভার লেটারে। কাজ না করলে অভিজ্ঞতা কিভাবে হবে তাই না? যদি প্রথমে কেউই কাজ দিতে না চায়, তাহলে ফ্রী কাজ করার চেষ্টা করুন। নিচের লেখাটা দয়া করে পড়ুন।
কোনো একটা কাজ দেওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করা
কোনো একটা কাজ দেওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো। তবে আবেদন করার সময় কাভার লেটারটি এমনভাবে লিখবেন, যেন বায়ার বুঝতে পারে আপনি কাজটির বর্ণনা পড়েছেন এবং তা করতে পারবেন।
মার্কেটপ্লেসে প্রচুর সময় দেয়া
আপনি যত বেশি মার্কেটপ্লেসে থাকবেন, ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা। কারণ, কিছু কিছু কাজ আছে যেগুলো মার্কেটপ্লেসে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে (এক-দুই ঘণ্টার মধ্যে) সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া বা হঠাৎ করে কোন ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে, তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন, যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গেই আপনি তার জবাব দিতে পারেন। তাহলে বায়ার বুঝতে পারবে, আপনি কাজের প্রতি আন্তরিক।
যত দ্রুত সম্ভব জবে বিড করা
অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দেখবেন, প্রতি মিনিটে নতুন নতুন কাজ দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব কাজে কোনো কনট্রাক্টরের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো।
শর্ত পূরণ করতে না পারলে বিড না করা
যেসব কাজে শর্ত দেওয়া রয়েছে, আর সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন, তবে সেসব কাজে আবেদন না করাই ভালো।
কিছু নোটঃ Freelancing যেকোনো মার্কেটেই কাজ করেন না কেন যদি দেখেন ক্লায়েন্টের পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড না, তাহলে সে যতই বলুক তারপরও তার কাজ করবেন না। কারণ, কাজ করার পরেই পেমেন্ট দিতে হয় । এখানে পরে দেয়ার কোন সিস্টেম নাই। আপনি যদি কারো কাজ করে দেন তাহলে সে আপনাকে পেমেন্ট দিতেও পারবে না যদি তার পেমেন্ট ভেরিফাই না থাকে । আর পেমেন্ট ভেরিফাই কিনা দেখতে আপনি তার প্রোফাইলে চলে যান তাহলেই দেখতে পারবেন কিংবা প্রোজেক্টেই দেখতে পারবেন পেমেন্ট ভেরিফাই রয়েছে কি না। আজকে একজন ভাই পেমেন্ট ভেরিফাই না থাকার কারণে পেমেন্ট নিতে পারেন নাই। ক্লায়েন্টের আইডিও ব্লকড ফ্রিল্যান্সার থেকে। সিঙ্গাপুরের একজন ক্লায়েন্টের কাজ করেছেন গত চারদিন ধরে। এটা তার প্রথম প্রোজেক্ট ছিল । কিন্তু বেচারা ধরা খেলো। তাই আপনারা সতর্ক হউন। কাজ অনেক পাবেন। যেহেতু আপনারা টাকার জন্যই কাজ করবেন তাই পেমেন্ট ভেরিফাই কিনা সেটা সবার আগে দেখবেন। এই আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না।
তাহলে ভাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ট্রিকবাজের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ।
লেখকঃ Sourov Khandker Sagor
© TrickBuzz.Net 2015-2020