Home Blog Page 2

বিড কোয়ালিটি ও বিড রেস্ট্রিকশন [2020]

0
বিড কোয়ালিটি ও বিড রেস্ট্রিকশন [2020]

আজ থেকে শুরু করে দিলাম রিকোয়েস্টেড পোস্ট লেখা। আমাদের ফ্রিল্যান্সার বাংলাদেশ পেইজে অনেকেই কমেন্ট করেছেন। রিসেন্টলি আমরা কিছু দিন আগে একটা আলোচনার মাধ্যমে একটা ডিসিশনে আসি যে, কার কি ধরণের হেল্প লাগবে সেটা আমাদের কমেন্ট করে জানান। পোস্টিতে অনেকেই কমেন্ট করেছেন। ধন্যবাদ আপনাদের অনেক সময় দিয়ে আমাদের সাথে থেকে কিছু জানার বা জানানোর জন্য।

তাহলে চলুন শুরু করি? আজকে হবে প্রথম পর্ব। আজকের টপিক বিড কোয়ালিটি এবং বিড রেস্ট্রিকশন। রিকোয়েস্ট করেছিলেন আমাদের শরিফুল সাজিদ ভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

ফ্রিল্যান্সার ডট বা অন্য যেকোনো মার্কেট প্লেসে কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে একটা প্রোপোজাল লিখতে হবেই এটা ১০০% সত্য কথা। কারণ, আপনি যদি প্রোপোজাল ই না সাবমিট করেন তাহলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কিভাবে পাবে? পাবার অনেক সিস্টেম আছে তবে সবাই কি সব সিস্টেম জানে? যদিও জানে তাহলে আপনাকে সেই সিস্টেমে কেন হায়ার করবে? যদি আপনার ব্যাপারে কিছু না জানে?

এই জন্য প্রোপোজাল অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয়। আমরা অনেকেই প্রজেক্ট না বুঝে বিড করি। অনেকেই বিড করার জন্য বট ইউজ করি। কিন্তু আমরা জানিনা এটা কতটা ক্ষতিকর হতে পারে। মনে করেন, আপনি বিড করার জন্য একটা বট সেট করে দিলেন। কি কি প্রজেক্টে বিড করতে হবে সেটা সেটাপ করে দিলেন। আপনার বট কিওয়ার্ড রিলেটেড প্রজেক্ট পড়ার সাথে সাথে বিড করা শুরু করল। আপনি যে প্রোপোজাল একবার লিখে বসিয়ে দিয়েছেন একই প্রোপোজাল সব প্রজেক্টে সাবমিট করে যাচ্ছে। তাহলে ব্যাপারটা কেমন হলো বলেন?

ধরুণ, আমার লাগবে বেগুন এর তরকারি আর আপনি দিচ্ছেন বিরিয়ানি। তাহলে কি কোনো চান্স আছে প্রোজেক্ট পাওয়ার? ফ্রিল্যান্সার ডট কম বা অন্য যেকোনো মার্কেটপ্লেস সবার আগে বিড করার জন্য রিকোমেন্ড করে। তাই বলে কপি পেস্ট বিড করবেন এটা চলবে না।

বিড কোয়ালিটি হাই করবেন যেভাবেঃ

প্রথমে আপনি যে প্রোজেক্টে বিড করতে চাচ্ছেন সেই প্রজেক্টে আগে সুন্দর করে ২ বার মন দিয়ে পড়ুন । জানি হাতে সময়ে নেই। তবে বিড রেস্ট্রিকশন খেলে ঠিকি সময় বের হবে, তার আগেই বিড কোয়ালিটি ঠিক করুন। যাইহোক, তারপরে বায়ার কি চেয়েছে সেটা লক্ষ্য করেন। যদি প্রজেক্টে উল্লেখ করে” আমার কিছু ডিম আছে সেগুলো আমি একজনের মাধ্যমে বাজারে বিক্রি করতে চাই” তাহলে এখানে আপনার প্রোপোজাল কি লিখতে হবে সেটা অবশ্যই আপনি বুঝেছেন?

এখন দেখেন অটোবিড বা কপি পেস্ট বিড করলে কি দাঁড়াবে। ক্লায়েন্ট চেয়েছে ডিম বিক্রি করতে আর আপনি লিখলেন আপনি সুন্দর করে বিরিয়ানি রান্না করতে পারেন। তাহলে ব্যাপারটা কোন লেভেলে যায় বলেন? এইজন্য আপনাকে প্রোপোজাল লিখতে হলে অবশ্যই প্রোজেক্টের দিকে নজর দিয়ে প্রোপোজাল লিখতে হবে। তা না হলে, বায়ার যদি একবার রিপোর্ট করে তাহলে মিনিমাম ৫ মিনিট সর্ব্বোচ্চ কয় মাস রেস্ট্রিকশন দেয় আমার জানা নেই। তাই বিড কোয়ালিটি-র উপর নজর দিতে হবে। বিড কোয়ালিটি যত ভালো হবে তত অর্ডার পাবেন।

অটোবিড বা বট ইউজ করলে কি হয়?

অটোবিড বা বট ইউজ করলে কি হয়? প্রশ্নটা সুন্দর তবে উত্তর ভয়ানক । উপরে উল্লেখ করেছি যে ” বায়ার যদি একবার রিপোর্ট করে তাহলে মিনিমাম ৫ মিনিট সর্ব্বোচ্চ কয় মাস রেস্ট্রিকশন দেয় আমার জানা নেই।” অবশ্যই পড়েছেন? আপনি ক্লায়েন্টের প্রজেক্টে যে প্রোপোজাল দিয়ে কাজ পাওয়ার জন্য দরখাস্ত সাবমিট করেন সেটা হলো একটা বিড। আর এই বিড থেকে আপনাকে নিষিদ্ধ করলে আপনি বিড করতে পারবেন না।

এককথায় আপনার কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। মনে করেন, উলটা পালটা বিড করা শুরু করেছেন। একটানা একই প্রপোজাল মেরে যাচ্ছেন ২৪ঘন্টা পরে আপনাকে জানাবে আপনার আইডি বিড রেস্ট্রিকশনে পড়েছে। বিড রেস্ট্রিকশন সর্বনিম্ন ৫ মিনিট থেকে ফ্রিল্যান্সার এডমিনিস্ট্রেটর থেকে যতদিন ইচ্ছা রেস্ট্রিকশন বহাল রাখবে। আর সবসময় বিড কোয়ালিটি-র কথা মাথায় রাখবেন।

বিড রেস্ট্রিকশন থেকে বাঁচার উপায় কি?

সহজ হিসাব। প্রজেক্ট পড়ুন ভালোভাবে। এরপরে প্রজেক্ট এর ব্যাপারে লিখুন। ক্লায়েন্ট যেটা চেয়েছে সেটাই তুলেধরুণ। আজাইরা কিছু লিখবেন না। উনার যে স্কিল লাগবে শুধু সেটা নিয়েই লিখুন। আপনার আরো যদি স্কিল থাকে সেটা উল্লেখ না করলেও চলবে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে বিড সাবমিট করতে পারেন। যারা ফার্স্ট বিডার হয় তাদের নাকি প্রোজেক্ট পাওয়ার চান্স বেশি এটা ভুলও হতে পারে, কিভাবে হবে ভুল জেনে নিন।

ফার্স্ট বিডারকে ক্লায়েন্ট বোটের সাথে তুলনা করেন। ক্লায়েন্ট মনে করেন, এটা একটা ব্রাউজার এক্সটেনশন। যার সাহায্যে অটোবিড করে যাচ্ছেন। এই জন্য তাদের নক করা থেকেও বিরত থাকে। ফ্রিল্যান্সার ডট কম যাদের রিকোমেন্ড করে তাদের আইডির রেটিং, আর্নিং রেটিং পয়েন্ট, প্রোজেক্ট কম্পলিট রেটের গড় হিসেব করে রিকোমেন্ড করে। সুতরাং এটা মাথা থেকে বের করে ফেলুন, “যে আগে বিড করবে সে আগে প্রোজেক্ট পাবে” তবে বিড কোয়ালিটি ঠিক রাখতে হবে। মাথায় এটা ঢুকিয়ে নেন, “প্রজেক্ট বুঝে যে প্রোপোজাল সাবমিট করবেন, প্রজেক্ট এর মূল বিষয় যদি প্রোপোজাল এর মাধ্যেমেই বুঝিয়ে দেওয়া যায় তাহলে ৯০% প্রোজেক্ট পাওয়ার চান্স থাকে”।

কিভাবে একটা ভালো পোপোজাল লিখবেন এবং কীভাবে বিড কোয়ালিটি ইম্প্রুভ করবেন তা এই আর্টিকেল টা পড়লে বুঝতে পারবেন । আর্টিকেল লিঙ্ক এখানে গেলে পাবেনঃ

Writing a winning bid

আমাদের সাইটের আর্টিকেলগুলো ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। লেটেস্ট আর্টিকেলগুলো ইমেইলে পেতে আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন।

লেখকঃ এম এইচ মামুন

বর্ষাকালে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ৫ টি বিশেষ টিপস

0
বর্ষাকালে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ৫ টি বিশেষ টিপস

বাংলাদেশে বর্ষাকালে হুটহাট বৃষ্টি চলে আসে। কিন্তু এর জন্য আমাদের কোন পূর্ব প্রস্তুতি থাকে না। কিন্তু অল্পকিছু পদক্ষেপ গ্রহন করে আপনি আপনার অতি পছন্দের স্মার্টফোনটি সুরক্ষিত রাখতে পারেন। আজ আমি, বর্ষাকালে আপনার প্রিয় স্মার্টফোনটি সুরক্ষিত রাখতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস শেয়ার করবো।

১. বিশেষ কেস ব্যবহার করুনঃ

আপনি যদি আপনার ফোনটিতে ইতিমধ্যে কোন কেস ব্যবহার না করে থাকেন। তাহলে স্ক্রেচ এবং পানি থেকে রক্ষা পেতে অনতিবিলম্বে আপনার ফোনের জন্যে একটা কেস কিনে ফেলুন। এটা আপনার ফোনকে অনাকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির পানি থেকে রক্ষা করবে।

২. ব্লুটুথ হেডসেট ব্যবহার করুনঃ

আর একটি বিকল্প হচ্ছে ব্লুটুথ হেডসেট ব্যবহার করা। এটির সাহায্যে আপনার ফোনটি নিরাপদে আপনার ব্যাগে ফেলে রাখতে পারবেন, ফলে আপনি যখন গান শুনবেন বা কথা বলবেন তখন আপনার ফোনটি বর্ষাকালের বৃষ্টির ফোটা থেকে নিরাপদ থাকবে।

৩. চার্জে দেওয়ার পূর্বে চেক করুনঃ

যদি আপনার ফোনটি ভিজা থাকে, অবিলম্বে স্মার্টফোনটি চার্জে দেওয়া উচিত নয়। আপনার ডিভাইসটির আর্দ্রতা সাফ করুন বা এটিকে কিছুক্ষন চালের মধ্যে রাখুন। এটি সমস্ত জল শুষে নেবে এবং আপনার ফোন ভাজা হতে বাধা দেবে। এটি সমস্ত জল শুষে নেবে এবং আপনার ফোনটি নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করবে।

৪. ফোনটি একটি আর্দ্র মুক্ত স্থানে রাখুনঃ

বর্ষাকালে বৃষ্টির দিনে, অফিস বা অন্য যে কোনও জায়গায় আপনি যখন যান, তখন আপনার স্মার্টফোনটিকে শুষ্ক স্থানে রাখুন। বর্ষার সিজনে বৃষ্টি কখন হবে তা অপ্রত্যাশিত। তাই, আপনার স্মার্টফোনটি আর্দ্র মুক্ত রাখা তার সুরক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

৫. একটা অতিরিক্ত ফোন রাখুনঃ

বৃষ্টির দিনে সাথে একটা অতিরিক্ত ফোন রাখুন। বৃষ্টি জীবনের মতোই অপ্রত্যাশিত। বর্ষার সময় আপনার ফোন পানিতে পড়ে যেতে পারে বা দুর্ঘটনাক্রমে ফোনে জল ঢুকে যেতে পারে। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে বর্ষার সময় আপনার সাথে একটি অতিরিক্ত ফোন রাখুন।

আমাদের জীবনে খুব কমই এমন দিন আছে যে আমরা আমাদের মোবাইল ফোন ছাড়াই দিন অতিক্রান্ত করতে পারি, বৃষ্টি অথবা রোদ, আমাদের বন্ধুবান্ধব, পরিবার, সহকর্মী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সাথে যোগাযোগ রাখতে হয়। সুতরাং যখন আকাশে মেঘের আবির্ভাব শুরু হয়ে যায় তখন পূর্বোক্ত টিপসগুলি আমাদের ফোনটিকে আমাদের সাথে এবং সুরক্ষিত রাখার উপায় হতে পারে।

আমাদের সাইটের আর্টিকেলগুলো ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। লেটেস্ট আর্টিকেলগুলো ইমেইলে পেতে আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন।

আইফোন এসই জিতুন বিকাশ অ্যাপসে গেমস খেলে 10 জন

0
আইফোন এসই জিতুন বিকাশ অ্যাপসে গেমস খেলে 10 জন

বিকাশ-এর অফিসিয়াল অ্যাপসে দিয়েছে গেমস খেলে আইফোন এসই জেতার সুযোগ। অফারটি নিম্নরুপঃ

যদি বিকাশ অ্যাপ থেকে প্রয়োজনীয় সব লেনদেন করার পাশাপাশি একটু এন্টারটেইনিং কিছু পাওয়া যায়, তবে কেমন হয়? তাই বিকাশে এসে গেছে ‘বার্ড গেম’! আর ১০ জন সর্বোচ্চ স্কোরারের প্রত্যেকে পাচ্ছেন আইফোন এসই।

আইফোন এসই

আইফোন এসই

নিয়মাবলীঃ

  • গেমের মধ্যে স্টার-এ প্রতিটি সফল হিটের জন্য গ্রাহকের স্কোরে ১০ পয়েন্ট যুক্ত হবে এবং বোম্ব-এ হিট করলে বা মাটিতে পরে গেলে ১টি লাইফ কেটে নেওয়া হবে। প্রথমবার ১০টি ফ্রি লাইফ শেষ হয়ে গেলে, বিকাশ গ্রাহকরা প্রতিবার ১ টাকা পেমেন্ট করে ১০টি লাইফ পেতে পারেন। লাইফ ক্রয়ের জন্য প্রতিটি পেমেন্টের মধ্যে ন্যূনতম ২ মিনিটের ব্যবধান থাকতে হবে।
  • স্কোরবোর্ডে দুইজন বিকাশ গ্রাহকের সমান স্কোর হলে, ক্যাম্পেইন শেষ হওয়ার পর, যার মোট স্কোর পেতে সবচেয়ে কম সময় লেগেছে তিনি স্কোরবোর্ডে উচ্চ অবস্থানে থাকবে। যদি উক্ত গ্রাহকগণের ক্ষেত্রে একই সময় লেগে থাকে, তাহলে যিনি সবচেয়ে কম লাইফ ব্যবহার করেছে তিনি উচ্চ অবস্থানে থাকবেন।
  • ১০ জন সর্বোচ্চ স্কোরার প্রত্যেকে iPhone SE জেতার সুযোগ পাবেন।

 

বিস্তারিতঃ

  • বিকাশ গ্রাহকরা ক্যাম্পেইন চলাকালীন ২১ জুলাই, ২০২০ (দুপুর ১২:০০) থেকে ৩১ জুলাই, ২০২০ (রাত ১১:৫৯) এর মধ্যে যতবার খুশি গেম খেলতে পারবেন।
  • এই ক্যাম্পেইন থেকে সংগৃহীত মোট অর্থ অনুদান হিসেবে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন-কে দেওয়া হবে।

http://www.trickbuzz.design/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be/

গেমসটি খেলতে পারবেন সম্পুর্ন বিনামূল্যে। তবে আপনার লাইফ যদি শেষ হয়ে যায় তবে আপনি ১ টাকার বিনিময়ে ১০ টা লাইফ কিনতে পারবেন।

আমার আর্টিকেলগুলো যদি আপনার ভালো লাগে তবে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

উইন্ডোজের জন্য নিয়ে নিন uTorrent প্রো ভার্সন

0
উইন্ডোজের জন্য নিয়ে নিন uTorrent প্রো ভার্সন

যারা টরেন্ট থেকে দরকারি ফাইল, মুভি, সফটওয়্যার ডাউনলোড করে তাদের যেকোনো টরেন্ট ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার এর দারস্থ হতে হয়। যেমনঃ UTORRENT, FLUD, QBIT TORRENT, LIB TORRENT ইত্যাদি। তবে আমার জানামতে প্রথমটা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে। এটার দুটো ভার্সন। একটা ব্যাসিক আর অন্যটা প্রো ভার্সন।

Torrent file - File format exe

প্রো ভার্সন এ আপগ্রেড করতে গেলে টাকা পয়সার ঝামেলা থাকেই । সেটা মোবাইল হোক বা কম্পিউটার হোক । কিন্তু আজকে আমরা দেখব কিভাবে কোন টাকা না উড়িয়ে আমরা প্রো ভার্সন এর মজা নিতে পারি ।

প্রো ভার্সন এর সুবিধাঃ

  • কোন বিজ্ঞাপন আপনাকে বিরক্ত করবে না।
  • প্রো ভার্সন হওয়ায় ডাউনলোড এর ক্ষেত্রে একটু বেশি স্পীড পাওয়া যাবে।
  • সীডিং করে ইনকাম যদি করতে চান তার জন্য আছে BTT ওয়ালেট।
  • ইউজার ইন্টারফেস তুলনামূলক কমফর্টঅ্যাবল।
  •  টরেন্ট ডাউনলোড স্ট্যাটাস অনুযায়ী লেবেল ভাগ করা আছে।

µTorrent - Computer program downloadBitTorrent exe download

কিভাবে আপগ্রেড করব?

আপগ্রেড করার জন্য আপনাকে বেশি কিছু করতে হবে না। যদি আগে ইন্সটল করা থাকে তাহলে তাকে বিদায় করুন অ্যান্ড নতুন টাকে ইন্সটল করে ফেলুন।

ডাউনলোড করার পর বা ইন্সটল করার সময় মাথামোটা উইন্ডোজ ডিফেন্ডার এটাকে ভাইরাস হিসেবে DETECT করতে পারে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

সফ্টওয়্যার ইনফো

নামঃ uTorrent 3.5.5.45449 Silent-Activated.exe
ভার্সনঃ প্রো 3.5.5
সাইজঃ ৫.৪ MB
ইন্সটল মুডঃ সাইলেন্ট
মূল্যঃ ফ্রি

এই বাপারে কারো কোন জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্ট সেকশন এ বলতে পারেন। আজকে এখানে শেষ করে দিচ্ছি। পরবর্তীতে আবার আসব নতুন কিছু নিয়ে। ধন্যবাদ।

লেখকঃ MD. IBNUL HASAN SAKIB

ডাউনলোড করুন APK Editor Pro এর নতুন প্রিমিয়াম ভার্সন একদম ফ্রি

0

যেহেতু APK Editor এর ফ্রি এবং পেইড অ্যাপ প্লেস্টোর থেকে সড়িয়ে দিয়েছে তাই অ্যাপ খুজে পাওয়া এখন অনেক ঝামেলার। তাই আপনাদের জন্য আমার ছোট্ট প্রয়াস। আশা করি ভালো লাগবে।

আসসালামু আলাইকুম। আপনারা সকলে কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন।
টাইটেল দেখে ত বুঝেই গেছেন যে, আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম APK Editor Pro. প্লে-স্টোরে যার দাম ৪২০ টাকা। হ্যা,আপনারা এই এপটি এখন ফ্রিতেই ডাউনলোড করতে পারবেন। আমরা সবাই APK Editor ব্যবহার করি। কিন্তু প্রো ভার্সন কয়জন ব্যবহার করে? এখন থেকে আপনারাও আমার মত এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন। apk editor সম্পর্কে কি আর বলব?

সবই তো আপনারা জানেন। তবে প্রো ভার্সনটায় অনেক ফিচার আছে। যা apk editor এ নেই। apk editor pro দিয়ে বেশির ভাগ গেমই সহজে হ্যাক করা যায়। সেটাও নিশ্চয়ই জানেন? আচ্ছা, অ্যাপটি ড্রাইভ থেকে ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
অ্যাপ সাইজঃ ১০ এমবি

নিচে কিছু স্ক্রিনশট দেখে নিন…

1595017592113316 11595017574319159 31595017581101930 21595017556978547 51595017564845604 4

ধন্যবাদ…
আসসালামু আলাইকুম।

লেখকঃ Rayhan Hosen

ফ্রিল্যান্সার আইডি ভেরিফাই এবং উইথড্র নিয়ে কিছু প্রশ্নোত্তর

0
প্রশ্নোত্তর পোস্টের এটা তৃতীয় পর্ব। যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্টস করুণ। আজকের আলোচনার বিষয়ঃ আইডি ভেরিফিকেশন এবং উইথড্র। আশা করি সবাই সাথেই থাকবেন।
প্রশ্ন – ভাই আমি আমার ফ্রিল্যান্সার একাউন্ট কিভাবে ভেরিফাই করবো??
উত্তরঃ আপনার নিজের ন্যাশনাল আইডি/পাসপোর্ট /ড্রাইভিং লাইসেন্স এগুলো আছে? এড্রেস ভেরিফাই এর জন্য দরকার হবে ইউটিলিটি বিলের কপি যেমনঃ গ্যাস/পানি/বিদ্যুৎ/ব্যাংক স্টেটমেন্ট এসব যদি থাকে তাহলে আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সার একাউন্ট ভেরিফাই করতে পারবেন। ভেরিফাই করতে হলে আপনাকে সেটিংস থেকে ভেরিফাই সেন্টারে গিয়ে সমস্ত অরিজিনাল ডকুমেন্টস সাবমিট করতে হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে ৫ মিনিট থেকে ৪৮ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। এরপর আপনাকে জানিয়ে দেবে।
প্রশ্নঃ- ভাই আমার ন্যাশনাল আইডি নেই। আব্বু/আম্মুর ন্যাশনাল আইডি কার্ড আছে তবে স্মার্ট আইডি কার্ড না। তাহলে কি ভেরিফাই করতে পারবো?
উত্তরঃ আমার নিজের এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলছি। আমার নিজের কোনো আইডি নেই। যা আছে সব আব্বুর নামে আর আমার আংকেল এর নামে। প্রথম আমি ভেরিফাই করতে গিয়েছিলাম আমার টেম্পোরারি কার্ড দিয়ে। অর্থাৎ স্মার্ট কার্ড আসার পূর্বে যে কার্ড ছিলো সেটা দিয়ে। কিন্তু প্রথমবার সাবমিট করার ১ঘন্টা পরে আমাকে জানানো হয় তারা এই কার্ড এক্সেপ্ট করবে না। দ্বিতীয় বার যদি সাবমিট করি তাহলে একাউন্ট ক্লোজ করে দেবে। এরপরে আব্বুর স্মার্ট কার্ড দিয়ে আইডি ভেরিফাই করে ফেলি। কিন্তু আইডিতে আমার নিজের নামই দেখায়, আব্বুর নাম না।
প্রশ্নঃ- ভাই এটা কিভাবে করলেন? “আইডিতে নিজের নাম দেখায়, আব্বুর নাম না”।
উত্তরঃ হ্যাঁ! এটা করতে পারেন আপনি নিজেও। আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করা হয়ে গেলে আপনি চাইলে ফ্রিল্যান্সার ডট কমের কর্পোরেট মেম্বারশীপ নিতে পারেন। কর্পোরেট মেম্বারশীপ নিলে আপনি আপনার আইডির পাবলিক নেম চেঞ্জ করে ইচ্ছা মত নাম রাখতে পারবেন। এরজন্য আপনাকে কর্পোরেট মেম্বারশীপ এর ১৪.৯৪ (১৫ডলার প্রায়) প্রতিমাসে ব্যয় করা লাগবে। নাম চেঞ্জের জন্য আপনাকে সাপোর্টে কথা বলতে হবে। বিস্তারিত বলার পর তারা আপনাকে হেল্প করবে।
প্রশ্নঃ- আচ্ছা ভাই প্রথম উইথড্র দিতে কি ভেরিফাই করা লাগে?
উত্তরঃ এখানে ২টা উত্তর আছে।
#১ প্রথমবার উইথড্র দিতে ভেরিফাই করা লাগে না। তবে আমি সাজেশন দিবো সব কিছু ভেরিফাই করে এরপর উইথড্র দেন।
#২ অনেকেই বলছে ভেরিফাই ছাড়া উইথড্র দেওয়া যায়না। আমার মতে, ভেরিফাই ছাড়াও উইথড্র দেওয়া যায়। কিছু কিছু মেম্বার এই ধরণের সমস্যায় পড়েছেন । তাদের ভেরিফাই ছাড়া উইথড্র দিতে দেয় না। তবে সবার জন্য একই কথা আগে নিজের আইডিন্টিটি যাচাই করেন এরপরে উইথড্র দেন।
উত্তর দিয়েছেনঃ এম এইচ মামুন । 
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
#হ্যাপি_ফ্রিল্যান্সিং
ফ্রিল্যান্স রিলেটেড আরো পোস্ট পেতে আমার নিজের ওয়েব সাইট ভিজিট করতে পারেন । ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুণ
আপনিও পোস্ট করতে পারবেন আমার ওয়েব সাইটে । সাইন আপ করুণ, এবং শেয়ার করুণ আপনার পোস্ট।
© TrickBuzz.Net 2015-2020

রবি ও এয়ারটেল সিমের প্রমোশনাল সকল বিরক্তিকর মেসেজ বন্ধ করবেন কিভাবে

0

রবি এবং এয়ারটেল সিমের প্রমোশনাল সকল বিরক্তিকর মেসেজ বন্ধ করবেন সেটি জানানোর জন্য।

সর্বপ্রথম দেখে নিন কিভাবে আপনার এই অফার আছে কিনা চেক করবেন একটি কোড ডায়াল করে *7#
Promotional SMS
তারপর নিচের স্ক্রীনশর্টের মত প্রথমে 1 চেপে দেখুন আপনার সিমে চালু আছে কিনা।
এখানে আমার এক্টিভেট আছে তাই দিনে অনেক মেসেজ আসে।
কিভাবে বন্ধ করবেন দেখুন…
এখন 24 ঘন্টার মধ্যে আপনার সার্ভিসটি বন্ধ হয়ে যাবে।
তবে একটি সমস্যা আছে সেটি হচ্ছে আপনাকে আর কোন অফার সম্পর্কে মেসেজ পাঠানো হবে না যদি আপনি অফার দেখতে চান তাহলে মাই রবি অ্যাপ ইউজ করতে হবে আর না হলে *999# ডায়াল করবেন।
জ্ঞান আমর ক্ষুদ্র, আমি অল্পতেই সন্তুষ্ট,তবে জানার অগ্রহ বেশি।
লেখকঃ Mohammad Ashik
© TrickBuzz.Net 2015-2020

সহজেই ইউটিউব ভিডিও এমপিথ্রি ফরমেটে ডাউনলোড করুন

0
আমরা সবাই গান শুনতে পছন্দ করি। গান শোনার জন্য বেশিরভাগ সময় আমরা ইউটিউব ব্যবহার করি। যদি গানটি পছন্দ হয় তবে আমরা এটিকে এমপিথ্রি ফরমেটে ডাউনলোড করে অফলাইনে শুনি। ইউটিউব থেকে এমপিথ্রি ডাউনলোড করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। কেউ সফটওয়্যার ব্যবহার করে, কেউ অনলাইন কনভার্টার ব্যবহার করে আবার কেউ ব্রাউজারগুলিতে অ্যাড-অন ব্যবহার করে। ইউটিউব ভিডিওগুলিকে এমপিথ্রি ফরমেটে কনভার্ট করতে ইন্টারনেটে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে। প্রত্যেকে এমন একটি ওয়েবসাইট পছন্দ করে যা বিজ্ঞাপন মুক্ত এবং কয়েক সেকেন্ডে কনভার্ট করতে পারে। আজ আমি আমার প্রিয় একটি ওয়েবসাইট সম্পর্কে লিখব। এই পোস্টটি পড়ার পরে, আপনি সহজেই এমপিথ্রি ফরমেটে ইউটিউব ভিডিওগুলি ডাউনলোড করতে পারবেন। বিস্তারিত নীচে আলোচনা করা হলো!
ইউটিউবের ভিডিও এমপিথ্রি ফরমেটে ডাউনলোড করতে নিচের পদক্ষেপ গুলো আপনাকে অনুসরণ করতে হবেঃ
১। প্রথমেই আপনাকে youtube to mp3 সাইটে যেতে হবে।
২। এরপর আপনি যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান, সেটির লিংক কপি করতে হবে।
৩। লিংকটি কপি করার পর নিচের চিত্রের মত পেস্ট করতে হবে।
৪। এবার কনভার্ট বাটনে ক্লিক করে কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে।
৫। কনভার্ট হয়ে গেলে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করতে হবে।
কাজ শেষ। এভাবে উপরের পদক্ষেপ গুলো অনুসরণ করে খুব সহজেই আপনি একটি ইউটিউবের ভিডিও এমপিথ্রি ফরমেটে ডাউনলোড করতে পারবেন।
এই ওয়েবসাইটটি আমার প্রিয় হওয়ার পিছনে কিছু কারণ রয়েছে। প্রথমত বিজ্ঞাপন মুক্ত। দ্বিতীয়ত রেজিস্ট্রেশন করার ঝামেলা নেই। তৃতীয়ত বেশিরভাগ গান আগে থেকেই কনভার্ট করা থাকে তাই অনেক দ্রুত ডাউনলোড করা যায়। আর কনভার্ট করা না থাকলে সহজেই দ্রুত কনভার্ট করা যায়।
আশাকরি আমার এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
 লেখকঃ Nafiz
© TrickBuzz.Net 2015-2020

বিয়ের পূর্বে প্রত্যেক মুসলিম মেয়ের ৬টি বিষয় অবশ্যই জানা দরকার

0
মানব জীবনে বিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আল্লাহ তায়লা পবিত্র কুরআনে বলেন,
“দরিদ্র ব্যক্তির বিয়ে করা বৈধ। আল্লাহ্‌ তা’আলা ইরশাদ করেন: “যদি তারা দরিদ্র হয়, আল্লাহ্‌ তার মেহেরবানীতে সম্পদশালী করে দেবেন।” (সূরা নূর ২৪/৩২)
বিয়ে সম্পর্কে এমন অনেক আয়াত এবং হাদিস রয়েছে। বিয়ে একজন নারী ও পুরুষের মাঝে বৈধ ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি করে। এই ভালোবাসা পরবর্তী জীবনের সফলতার পাথেয় হিসাবে কাজ করে।
তবে অনেক সময় বিয়ে থেকে আমরা যা আশা করি তা পূরণ নাও হতে পারে। আপনার কাঙিক্ষত সুখের সন্ধান বিয়েতে নাও পেতে পারেন। কিন্তু তাই বলে হতাশ হওয়া যাবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
“প্রকৃত ধৈর্য হচ্ছে বিপদের প্রথম ধাক্কাতেই ধৈর্য ধারণ করা।” (সহীহ, আহকা-মুল জানা-য়িজ :২২ পৃঃ, বুখারী, মুসলিম)
আর এই ধৈর্য বাড়বে এবং হতাশা কমবে যদি আপনি বিয়ের আগে ৬টি বিষয় মাথায় রাখেন।
বিয়ে করার পূর্বে জানা দরকার
১. সুখ
আপনার মনে রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যে, বিয়ে করাটাই আপনার সুখের চূড়ান্ত উৎস হবে না! আপনার স্বামী আপনাকে সুখের পথে নিয়ে যাবে এই প্রত্যাশা করে বিয়ে করে থাকেন, তাহলে বরং আপনি নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন বিষন্নতা আর কষ্টের সাগরে।
আপনি যদি বর্তমানে অসুখী এবং হতাশ হয়ে থাকেন তবে আশা করবেন না যে বিবাহিত হয়ে আপনি বিশ্বের সবচেয়ে সুখী মেয়ে হয়ে যাবেন। সবসময় মাথায় রাখবেন আপনার স্বামী আপনার সুখ অর্জনের মাধ্যম হতে পারবে না!
একজন মুসলমান হিসাবে আপনার মনে রাখা উচিত শুধুমাত্র আল্লাহই আপনার সুখের প্রকৃত উৎস হতে পারেন। সুখ অর্জনের মাধ্যম কেবল আল্লাহ। তাই আল্লাহর ইবাদত এবং আল্লাহর সঙ্গে আপনার সংযোগ উন্নত করার পেছনে সময় ব্যয় করুন।
২. অভ্যাস
বিয়ের আগে আপনার কিছু অভ্যাস বা জীবনধারা থাকতে পারে। সেটা হতে পারে কোন বদ অভ্যাস। উদাহরণস্বরূপ, আপনি অস্বাস্থ্যকর বা বাহিরের খাবার খেতে পছন্দ করেন এবং বলতে পারেন, “যখন আমি বিয়ে করবো, তখন এই বদ অভ্যাস পরিবর্তন করে ফেলব!” অথবা আপনার ঘর সবসময় অগোছালো রাখেন এবং আপনি বলতে পারেন, “যখন আমি বিয়ে করবো তখন আমার ঘর সবসময় পরিষ্কার রাখবো!”।
আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে আপনি বিবাহের পরেই এই অভ্যাসগুলি পরিবর্তন করতে পারবেন না। যেকোন ধরণের অভ্যাস সহজেই পরিত্যাগ করা খুব কঠিন! আর বদ অভ্যাস হলে তো আর কোন কথাই নেই। তাই আপনার মধ্যে যদি কোন বদ অভ্যাস থেকে থাকে তবে বিয়ের আগেই তা পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন। বিয়ের আগে নিজের দিকে তাকান এবং আপনি যে অভ্যাসগুলি পরিবর্তন করতে চান সেগুলি নিয়ে কাজ শুরু করুন।
এটি কেবল অভ্যাসগুলিতে সীমাবদ্ধ নয়, আপনার চরিত্রের বৈশিষ্ট্যেও পরিবর্তন করতে পারেন। যেমন খুব ক্ষুদ্র জিনিসের উপর রাগ বা ঈর্ষান্বিত হওয়া ইত্যাদি। অতএব, আপনার অভ্যাস এবং চরিত্র দ্রুত উন্নতি করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ, যাতে আপনার বৈশিষ্ট্যগুলি আপনার বিবাহিত জীবনে উদ্বেগের কারণ না হয়।
৩. সাংসারিক দক্ষতা
রান্না করা, পরিষ্কার করা এবং পরিবারের অনান্য বিষয়ে পরিকল্পনা করার ক্ষমতাগুলি যদি বিয়ের পূর্বে অর্জন করে নিতে পারেন তবে বিয়ের পর এসব দক্ষতা আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। আমি জানি যারা পশ্চিমা ধাঁচে বা তাদের সংস্কৃতি নিয়ে বড় হয়ে উঠেছেন, তারা এই সাংসারিক দক্ষতা বান লোকদেরকে অর্থহীন বলবেন, কিন্তু এটা চরম সত্য!
আপনার এই সামান্য দক্ষতাগুলো সংসার জীবনে সুখের ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখবে। আপনার হাতের সুস্বাদু রান্না আপনার স্বামীর মন কিংবা আপনার মনকে কতটা আনন্দ দিবে একবার ভেবে দেখেছেন।
৪. স্বাধীন নারী
অনেক অল্পবয়সী মেয়েদের একটি স্বাধীনচেতা মানসিকতা রয়েছে। অনেকের চিন্তাভাবনা থাকে “আমার কারোও প্রয়োজন নেই”। কিন্তু এই মনস্তত্ত্ব বিয়েতে কাজ করে না। আপনি যখন যেখানে খুশি ঘর ছেড়ে বৈরাগী হয়ে চলে যাবেন, আবার আসবেন এ ধরণের মানসিকতা থাকলে চলবে না।
বিয়ে হল আপস ৫০/৫০। আপনার স্বামী যেমন যখন যা ইচ্ছা করার ক্ষমতা রাখেন না, তেমনি আপনিও নন।
৫. ঘনিষ্ঠতা
আপনার বিবাহের আগে, ইসলামের বিধানগুলোর মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কি গ্রহণযোগ্য এবং কি গ্রহণযোগ্য নয় তা বোঝার জন্য কিছু সময় নিন। ইসলামী উৎস থেকে জ্ঞান অর্জন করুন, যাতে আপনার জন্য কোনটি সঠিক এবং কোনটি উপযুক্ত নয় সে সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেতে পারেন।
একজন স্ত্রী হওয়ার জন্য ইসলাম কি কি গুন থাকার কথা বলেছেন সে সম্পর্কে ধারণা নিন। বিয়ের পর এসব গুন আপনার জীবনে শান্তি আনবে।
৬. ক্ষমা
অবশেষে, মনে রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বিয়ে হল দুই জন ক্ষমাশীল মানুষের মধ্যে বন্ধন! দুইজন অসম্পূর্ণ মানুষ একসঙ্গে হতে যাচ্ছেন। হতে পারে পরস্পরের মধ্যে ঝগড়া কিংবা মনমালিন্য।
মনে রাখবেন, আপনার বাবা-মা এবং ভাইবোনদের মতো একই ছাদে থাকার দরুন এখনেও আর্গুমেন্ট বা মনমালিন্য থাকতে পারে। কিন্তু দিনের শেষে আপনি এখনেও পরিবারের প্রধান অংশ। মাথায় রাখবেন আপনার আর্গুমেন্ট গুলো জীবনকে দুঃখের মধ্যে না ফেলে। তাই বিয়ের পূর্বে নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন।
শেষ কথা
বিবাহ আল্লাহর দেয়া একটি বিশেষ নিয়ামত। বিয়েতে নারী এবং  পুরুষ অর্ধাঙ্গি হিসাবে কাজ করে। একটি সুন্দর সংসার নারী ব্যতীত কল্পনা করা সম্ভব নয়। নারী হল সংসারের রাণী।
দ্বীনি কথা শেয়ার করে আপনিও ইসলাম প্রচারে অংশগ্রহণ করুন।
সূত্র: islamientertainment.com
© TrickBuzz.Net 2015-2020

ফেসবুকে যে ৫টি বিষয় শেয়ার করা মারত্মক ক্ষতিকর

0

ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফেসবুকে আসক্তির সংখ্যা। ফেসবুকের এই আসক্তির ক্ষতিকর প্রভাব পরছে ব্যক্তি এবং সামাজিক জীবন। অসংখ্য বিশৃঙ্খলা এবং হতাশার জন্ম দিচ্ছে এই ফেসবুক। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে ১০০০ হাজার লোকের উপর একটা জরিপ করা হয় জরিপে দেখা যায় ৪১ শতাংশ লোক দাবি করে যে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো তাদের বিষণ্ণতা, দুশ্চিন্তা, বিমর্ষতা বৃদ্ধি করেছে।

যাই হোক আজকের বিষয় মূলত ফেসবুকে যেসব বিষয় শেয়ার করা যাবে না তা নিয়ে। নিউজ ফিড ফেসবুকের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ফেসবুক ব্যবহারকারীর ৮০ শতাংশ লোক তাদের দিনের অধিকাংশ সময় এই নিউজ ফিডে নষ্ট করে। আর এর মধ্যে অনেকে আছে যারা নিউজ ফিডে নিজের অনেক কিছু শেয়ার করে। আজকের এই লেখায় মূলত এরকম ৫ টি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে যে ৫টি তথ্য ফেসবুকে শেয়ার করা ক্ষতিকর। [১]

১. খাবারের ছবি শেয়ার

খাবারের ছবি কম বেশী সবাই শেয়ার করে থাকে। হঠাৎ রেস্টুরেন্টে গেল কিংবা কোন ভাল খাবার খেল তখনই ছবি তুলে ফেসবুকে শেয়ার। ব্যাপারটা আপনার কাছে ভাল মনে হলেও, এই ধরণের কাজ করা কখনই ভাল নয়।

প্রথমত বুঝা যাচ্ছে আপনি সচারচর এরকম ভাল খাবার খান না আজকে প্রথমবারের মতো খেলেন আর শেয়ার করে দেখিয়ে দিলেন আমি ভাল রেস্টুরেন্টে খাচ্ছি। আপনি নিজেকে জাহির করতে চাচ্ছেন! এটা এক ধরণের অহংকার আপনার মনের মধ্যে সৃষ্টি করে।

আর ইসলামে প্রতিবেশীর অধিকারের  কথা বলতে গিয়ে বলেছেন আপনি যখন তরকারী রান্না করবেন তখন তরকারীতে ঝোল যেন বৃদ্ধি করে দেন যাতে করে প্রতিবেশীকে তার কিছু অংশ দেয়া যায়। [২] আর আমরা কি করছি! কাউকে তো খাবারে শরীক করছি না উল্টো খাবারের ছবি শেয়ার করছি!

২. যাচাই-বাছাই ছাড়া কোন নিউজ বা তথ্য শেয়ার

ফেসবুক গুজবের কারখানা বলা চলে। যদিও অনেক সঠিক তথ্য এবং খবর প্রচার হয় ফেসবুকে তাই ফেসবুকে কোন কিছু শেয়ার করার আগে অবশ্যই সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেয়া জরুরি। অন্যথায় মিথ্যা তথ্য প্রচার করে গুনাহগার হয়ে যাবেন। সেটা হোক ইসলামিক কিংবা সাধারণ কোন বিষয়। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনেও বলেছেন সঠিক কথা বলতে। [৩]

রাসূল (সা.) বলেছেন, যাচাই করা ছাড়া কোন তথ্য বা খবর বর্ণনা করা মিথ্যাবাদী হওয়ার শামিল। [৪]

তাই ফেসবুক থেকে কোন তথ্য পেলে তা অবশ্যই যাচাই বাছাই করে শেয়ার করবেন। আপনার একটি মিথ্যা তথ্য শেয়ার করার দ্বারা ঝগড়া এমনকি সহিংসতা দেখা দিতে পারে।

৩. অযথা অন্যের সমালোচনা

রাসূল সা: বলেছেন যদি কোন ব্যক্তি কোনো মুসলমান ব্যক্তির দোষ গোপন রাখে তবে আল্লাহ তায়ালা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন রাখবেন। [৫] কিন্তু আমরা ফেসবুকে অধিকাংশ সময়ে মানুষের দোষ ত্রুটি বর্ণনায় অধিক সময় নষ্ট করি। অন্যের সমালোচনা শেয়ার করাটাকেই অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ মনে করি।

এর দ্বারা নিজের যেমন গুনাহ হচ্ছে তেমনি শত্রুতাও সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের স্মরণ রাখা জরুরি ইসলামে সমালোচনা নয় ব্যক্তিকে সংশোধন, শুধরে দেয়া কিংবা দ্বীনের পথে দাওয়াত দেয়াকে পছন্দ করে। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন,
পেছনে এবং সম্মুখে প্রত্যেক পর নিন্দাকারীর জন্য দুর্ভোগ ও ধ্বংস। [৬]

এছাড়া অন্যের সমালোচনা বা গীবত করার অধিকাংশ বিষয় থাকে অনুমান নির্ভর। গীবত করা আর মৃত ভাইয়ের মাংস খাওয়া সমান কাজ। অপর দিকে অনুমান নির্ভর কথা বলা প্রসঙ্গে রাসুল (সা.) বলেন,
‘তোমরা অনুমান ও ধারণা করে কথা বলা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা অনুমান করে কথা বলা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।’ [৭]

৪. শো অফ

শো অফ কথাটি বর্তমানে বেশ প্রচলিত। ফেসবুক বর্তমানে শো অফ করার অন্যতম হাতিয়ার হয়ে গেছে। নতুন আইফোন কিনে মিরর সেলফি তুলে তা ফেসবুকে শেয়ার করা, দামি গাড়ি কিংবা দামি ব্রান্ডের জিনিস কিনে তা ফেসবুকে শেয়ার করে নিজেকে জাহির করাটা আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। অথচ আমরা একবারের জন্যেও চিন্তা করি না এইগুলো অহংকারের বহি:প্রকাশ। অহংকার হলো কাফেরদের চরিত্র। আল্লাহ তায়লা বলেন,
বরং যারা কাফের, তারা অহংকার ও বিরোধিতায় লিপ্ত।  [৮]

অপরদিকে রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। আর যে ব্যক্তির অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ অহংকার থাকবে সেও জান্নাতে প্রবেশ করবে না। সহীহ মুসলিম: ১৬৮;

আপনার শো অফ করা অন্যের জন্য কষ্টকরও হতে পারে। ফেসবুকে অধিকাংশ মানুষের হতাশার অন্যতম কারণ তার আছে আমার কেন নেই এই নিয়ে। [৯]

৫. হতাশা ও দুর্বলতা প্রকাশ

শো অফ করা এবং শেয়ার করা যেমন ক্ষতিকর তেমনি নিজের দুর্বলতা এবং হতাশা ফেসবুকে শেয়ার করাটাও ক্ষতিকর। অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহারের ফলে এমনিতেই আপনি হতাশা আর বিষণ্ণতার মধ্যে থাকেন। এর মধ্যে আবার নিজের হতাশা আর ব্যর্থতা শেয়ার করার দ্বারা পরিমাণ বৃদ্ধি করা ছাড়া আর কোন লাভ হয় না। [১০] ফেসবুকে আপনার হতাশার কথা শেয়ার না করে ধৈর্য ধারণ করুন। আল্লাহ তায়লা বলেন,

তবে যারা ধৈর্যধারণ করেছে এবং সৎকর্ম করেছে তাদের জন্য ক্ষমা ও বড় প্রতিদান রয়েছে। [১১]

আর নিয়মিত তওবা করুন। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘‘আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় বান্দার তওবা করার জন্য ঐ ব্যক্তি অপেক্ষা বেশী আনন্দিত হন, যে তার উট জঙ্গলে হারিয়ে ফেলার পর পুনরায় ফিরে পায়।’’ [১২]

শেষ কথা

উপরে উল্লেখিত বিষয় ছাড়াও বর্তমান সময়ে অনেকে ফেসবুকে নারীদের ছবি শেয়ার করা সহ আরও অনেক ধরণের ইসলাম বিরোধী কাজ করে থাকে। এর দ্বারা প্রতিনিয়ত গুনাহগারের খাতায় নিজের নাম লেখানো ছাড়া আর কোন লাভ হচ্ছে না। আর এসব বিষয় সকল স্যোশাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

সূত্রঃ

১. independent.co.uk
২. সহীহ মুসলিম,হাদিস ২৬২৫
৩. সুরা আহযাব : ৭০
৪. মুসলিম : ১/১০৭
৫. বুখারী : ২/৮৬২ হা.২৩১০
৬. সুরা হুমাযাহ, আয়াত : ০১
৭. বুখারী, হাদিস নং: ২২৮৭
৮. ছোয়াদ ২
৯. newyorker.com
১০. independent.co.uk
১১. হুদ ১১
১২. বুখারী ৬৩০৯, মুসলিম ২৭৪৭, আহমাদ ১২৮১৫

দ্বীনি কথা শেয়ার করে আপনিও ইসলাম প্রচারে অংশগ্রহণ করুন।

সূত্র:  islamientertainment.com